Wednesday, 15 August 2018

 

যমুনার চরে যেদিকে চোখ যায় শুধু ভুট্টা আর ভুট্টা

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:সিরাজগঞ্জ সদরের চর এলাকায় ভুট্টার আবাদ সম্প্রসারণ, সদরের উপজেলায় ৬৫০ হেক্টর জমিতে ভূট্রার আবাদ
সিরাজগঞ্জ সদরের নতুন জেগে ওঠা চরে এলাকায় ভুট্টার আবাদ শুরু করেছে যমুনার চর এলাকার মানুষ। যেসব এলাকা নতুন করে জেগে উঠেছে সেসব এলাকা দীর্ঘদিন থেকে পতিত হিসেবে পড়ে থাকত। কিন্তু এ বছর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, সিরাজগঞ্জ সদরের উপজেলা কৃষি অফিসার জনাব মোঃ রোস্তম আলী পতিত জমি গুলো আবাদের আওতায় এনেছেন।

তিনি রাজস্বখাতের অর্থায়নে, এনএটিপি-২ প্রকল্প, কৃষি প্রণোদনা ও পুর্নবাসন কর্মসূচীর আওতায় চরাঞ্চলের পতিত জমিগুলো ভুট্টা আবাদ এর আওতায় আনার জন্য উপসহকারী কৃষি অফিসারদের নির্দেশ প্রদান করেন। উপসহকারী কৃষি অফিসারগণ আবাদযোগ্য চর নির্বাচন করে জন প্রতিনিধিদের সহায়তায় কৃষক নির্বাচন করেন এবং কৃষি অফিস থেকে কৃষককে বীজ, সার, বালাইনাশক ও আন্তঃপরিচর্যা বাবদ নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেন।

যেসব চর এবার ভুট্টা আবাদের আওতায় এসেছে সেগুলো হলো ছোটপিয়ারী, মাটিকোরা, খারুয়া, সাচালিয়া, কৈগারী দোরতা, হাটবয়রা, সয়াশেখা, ভুতমা ইত্যাদি। বর্তমানে যমুনার চরে যেদিকে চোখ যায় সেদিকেই ভুট্টার ক্ষেত চোখে পড়ে। ভূট্টার ফলন ভাল হওয়া এবং বাজার দাম ভাল পাওয়ায় আগামীতে ভুট্টার আবাদ বৃদ্ধি পাবে।

রাজস্ব প্রকল্পের অর্থায়নে প্রদর্শনী ভুক্ত চাষী মোঃ দেলশাদ আলী জানান, যমুনার নদীভাঙার পর এখানে চর জেগে ওঠে, দীর্ঘদিন ধরে জমিতে কোন ফসল হয় না। কৃষি অফিসের পরামর্শে, প্রদর্শনী, সার, বীজ, নগদ অর্থ, দিকনির্দেশনা চাষাবাদরে কলা কৌশল ও প্রশিক্ষনের মাধ্যমে কৃষকরা ভুট্টা  চাষ শুরু করি। ভুট্টার আবাদে অন্যান্য ফসলের তুলনায় খরচ কম। পোকামাকড়ের আক্রমণ তেমন না থাকায়, সেচ ব্যবহার তেমন প্রয়োজন হয় না এবং বাজারে ভাল দাম পাওয়ায় এলাকায় অধিকাংশ চরাঞ্চলরে কৃষক ভুট্টা চাষে ঝুঁকে পড়ছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার জানান, এ বছর ৬৫০ হেক্টর জমিতে ভূট্রার আবাদ হয়েছে যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ২০০ হেক্টর বেশি।