Monday, 21 May 2018

 

৩১ জুলাই কৃষি ও পল্লীঋণ নীতিমালা ঘোষণা

কৃষি অর্থনীতি ডেস্ক:চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছরের কৃষি ও পল্লীঋণ নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগামী ৩১ জুলাই রোববার নতুন এ নীতিমালা ঘোষণা করবেন গভর্নর ফজলে কবির।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, এবার কৃষি ও পল্লীঋণ নীতিমালায় খুব বেশি পরিবর্তন আসছে না। তবে অগ্রাধিকার খাত বিবেচনায় বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো এ খাতে ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা বাড়ছে। এবার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ১৭ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা। যা আগের বছরের তুলনায় ১ হাজার ১৫০ কোটি টাকা বেশি। এ ছাড়া এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের আওতায় কৃষিঋণ বিতরণে গ্রাহক থেকে সার্ভিস চার্জ আদায়ের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে এবারই প্রথম।

বিভিন্ন ফসলের পাশাপাশি, পেয়ারা চাষসহ মৎস্য ও প্রানিসম্পদ খাতেও ঋণ বিতরণের নিয়ম ও ঋণের পরিমাণ নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। তবে এবার ব্যাংকগুলোকে কৃষিঋণ বিতরণে যে লক্ষমাত্রা দেওয়া হবে তা পূরণে কোনো ব্যাংক ব্যর্থ হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান কঠোর অবস্থান নেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংক সার্কুলার জারি করে কৃষিঋণের সুদহার পুনঃনির্ধারণ করে দিয়েছে। যা চলতি জুলাই মাস থেকে কার্যকর হয়েছে। এ বিষয়টিও নীতিমালায় উল্লেখ থাকবে বলে জানা গেছে।

এ ছাড়া এই নীতিমালায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে পাট চাষকেও। প্রণীত নীতিমালায় ডাল, তেলবীজ, মসলা এবং ভুট্টার উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য এবারও রেয়াতি হার সুদে ঋণ দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মধু চাষসহ অনগ্রসর খাতসমূহকে অগ্রাধিকার প্রদান করা হয়েছে। এ ছাড়া ফসলি জমিতে সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নেও ঋণ দেওয়া হবে।

প্রতি অর্থবছরের জন্যই কেন্দ্রীয় ব্যাংক তফসিলি ব্যাংকগুলোর জন্য কৃষিঋণ নীতিমালা দেয়া হয়ে থাকে। এতে ব্যাংকগুলোর কত টাকা ঋণ বিতরণ করবে তার একটি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা থাকে। সময়োপযোগী বিভিন্ন কৃষিপণ্যে ঋণ বিতরণ বৃদ্ধির তাগিদও দেয়া হয় এ নীতিমালায়।