Monday, 25 June 2018

 

নারিকেলের উপজাত (আঁশ) ব্যবহার করে তৈরি পণ্যের মার্কেট প্রোমোশন শীর্ষক কর্মশালা

কৃষিবিদ এস. এম. ফেরদৌস: সোমবার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খুলনার প্রশিক্ষণ কক্ষে নারিকেলের উপজাত (আঁশ) ব্যবহার করে তৈরি পণ্যের মার্কেট প্রোমোশন শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আঞ্চলিক বীজ প্রত্যয়ন অফিসার কৃষিবিদ অশোক কুমার হালদার বলেন, নারিকেল একটি অর্থকরি ফসল। নারিকেল গাছের প্রতিটি অংশ ব্যবহার করে আকর্ষনীয় দ্রব্যাদি তৈরি করা যায় যা বাসা বাড়ি সাজানোর কাজে লাগে। তিনি আরও বলেন, কচি ডাবের পানি পটাশ সমৃদ্ধ যা পথ্য হিসেবে ব্যবহার হয়। উপকূলীয় অঞ্চলের ব্যাপক জনগন নারিকেল ক্রয়-বিক্রয় করে তাদের পরিবারের খরচ নির্বাহ করে থাকেন। তাই নারিকেল চাষ উন্নয়নের জন্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।  

ইউএসএআইডি’র বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল ভ্যালূ চেইনস প্রকল্পের সহায়তায় আয়োজিত কর্মশালায় রিনিউয়াল এগ্রো-সাইন্স লিঃ এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর কৃষিবিদ জি এম তৈয়েবুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। স্বাগত বক্তব্যে কৃষিবিদ তৈয়ব বলেন, বাগেরহাট-খুলনা এলাকায় বর্তমানে ছোট ও বড় মোট ১৫ টি কারখানা সচল আছে। যার উৎপাদন ও ব্যবহার প্রায় ২৫০০ মে. টন। বাংলাদেশী টাকায় যার মূল্য প্রায় ৭৫ মিলিয়ন। বাগেরহাট-খুলনা এলাকায় এ শিল্পের সাথে প্রায় ৩০০০ কৃষক পরিবার, যার ৯৫% নারী শ্রমিক বিশেষতঃ দুস্থ নারী গড়িত।

তিনি আরও বলেন এব্যবসার সাথে প্রায় ২৫ হাজার পরিবার সম্পৃক্ত। কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এস. এম. মহসিন-উল-মুলক, সলিডারিডাড এশিয়া নেটওয়ার্কের সমন্বয়কারী কৃষিবিদ ইন্দু ভূষণ রায় ও জেলা বাজার কর্মকর্তা আঃ সালাম তরফদার।

বক্তারা নারিকেলের তৈরি উপজাত দ্রব্যাদি পরিবেশ বান্ধব এবং টেকসই বলে উল্লেখ করেন এবং সাধারণ মানুষকে নারিকেলের কাতা, পাপোশ ইত্যাদি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করার উপরে গুরুত্ব আরোপ করেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জেলা বীজ প্রত্যয়ন অফিসার কৃষিবিদ এস. এম. ফেরদৌস।