Friday, 15 December 2017

 

সাড়ে সাত কোটি টাকার সুগন্ধি ধান ক্রয়ে প্রাণ ও ইরি'র চুক্তি

কৃষি অর্থনীতি ডেস্ক:সুগন্ধি ধান ক্রয়ে আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ইরি) সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান প্রাণ। চুক্তির অধীনে বাংলাদেশের দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের তালিকাভুক্ত প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ২,৫০০ টন প্রিমিয়াম মানের সুগন্ধি ধান ক্রয় করবে প্রাণ। যার বাজার মূল্য প্রায় সাড়ে সাত কোটি টাকা।

প্রাণ এর পরিচালক ইলিয়াছ মৃধা ও ফিড দ্যা ফিউচার বাংলাদেশ রাইস ভ্যালু প্রকল্পের চিফ অফ পার্টি টিমোথি রাসেল নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
 
শনিবার রাজধানীর প্রাণ-আরএফএল সেন্টারে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাণ এগ্রো বিজনেস লিমিটেড এর প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মাহতাব উদ্দিন ও প্রকল্পটির সমন্বয়কারী ইয়াসির আরাফাত।
 
ইউএসএআইডির আর্থিক সহায়তায় আইআরআরআই দরিদ্র কৃষকদের আর্থিক সক্ষমতা আনয়নে ওই অঞ্চলে সুগন্ধি ধান উৎপাদনের এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে।
 
আইআরআরআই যশোর, খুলনা, ফরিদপুর ও বরিশাল অঞ্চলের তালিকাভুক্ত ৮,০০০ কৃষককে প্রযুক্তিগত সহায়তা ও প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। এছাড়া ধানচাষীদের প্রয়োজনীয় পরামর্শও দিচ্ছে আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
 
অনুষ্ঠানে টিমোথি রাসেল বলেন, এই চুক্তি প্রাণকে প্রশিক্ষিত ও সুসংহত কৃষকদের কাছ থেকে উন্নত মানের সুগন্ধি ধান পেতে সাহায্য করবে।
 
ইলিয়াছ মৃধা জানান, উচ্চ ফলনশীল জাতের সুগন্ধি ধান চাষের মাধ্যমে কৃষকরা তাদের জীবনমানের উন্নয়ন সাধন করতে পারবে। পাশাপাশি, তারা তাদের ফসল ন্যায্যমূল্যে বিক্রির নিশ্চয়তাও পাবে।
 
মাহতাব উদ্দিন বলেন, ওই অঞ্চলের কৃষকদের কাছ থেকে সুগন্ধি ধান ছাড়াও মুগডাল, চিনাবাদাম ও সরিষা ক্রয় করবে।
 
প্রকল্পটির সমন্বয়কারী ইয়াসির আরাফাত বলেন, এর আগে কৃষকরা নিম্নমানের সুগন্ধি ধান চাষ করতো। যার ফলে তাদের উৎপাদিত ফসলের বিপরীতে লোকসান গুনতে হতো। সুগন্ধি ধানচাষীদের ফলন ও আয় বাড়াতে এ প্রকল্পটি বেশ কাজে দিবে বলে মনে করেন তিনি।