Thursday, 14 December 2017

 

দু'দিনব্যাপী নবম One Health Bangladesh Conference সমাপ্ত

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম ডেস্ক:রাজধানীতে দু'দিনব্যাপী নবম One Health Bangladesh Conference সোমবার ১৮ সেপ্টেম্বর সমাপ্ত হয়েছে। এবারের সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘একস্বাস্থ্যের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন।’ দু'দিনব্যাপী এ সম্মেলনে দেশ বিদেশের প্রায় ছয় শত বিজ্ঞানী প্রাণিসম্পদ বিশেষজ্ঞ, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, পরিবেশবিদ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, জাতিসংঘ খাদ্য ও কৃষি সংস্থা, UNICEF সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহন করেন।

এর আগে গতকাল রাজধানীর র‌্যাডিসন হোটেলে ওয়ান হেলথ বাংলাদেশের নবম সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনামন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। তিনি বলেন সাম্প্রতিক সময়ে নতুন নতুন রোগের প্রাদুর্ভাবের কারণে বৈশ্বিক স্বাস্থ্য নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে। মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘ওষুধ-প্রতিরোধী সংক্রমণের কারণে বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে জনস্বাস্থ্য সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কিন্তু প্রাণী ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশের সঙ্গেই জড়িত মানবস্বাস্থ্য। এ বিষয়টিই এখন বিশ্বব্যাপী ওয়ান হেলথ বা এক স্বাস্থ্য নামে পরিচিত।’

সম্মেলনের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ড. নীতিশ চন্দ্র দেবনাথ one health coordinator এবং সিনিয়র টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজার FAO বাংলাদেশ।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন- কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম, কৃষি সম্প্র্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক গোলাম মারুফ, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. আইনুল হক, মৎস্য অধিদফতরের মহাপরিচালক সৈয়দ আরিফ আজাদ, প্রধান বন সংরক্ষক মোহাম্মদ সফিউল আলম চৌধুরী, ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন জোয়েল রিফম্যান, এফএও প্রতিনিধি সু লজ, ইউনিসেফ প্রতিনিধি অ্যাডওয়ার্ড বিগবেদার, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা. এন পারানিথারান, আইইডিসিআর পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদি সেব্রিনা ফ্লোরা প্রমুখ।

উল্লেখ্য, মানব স্বাস্থ্য নির্ভর করে প্রাণীর স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশের ওপর। এ ধারণাটি এখন বিশ্বব্যাপী এক স্বাস্থ্য (ওয়ান হেলথ) নামে পরিচিত। ২০০৭ সাল থেকেই সারা পৃথিবীতে ওয়ান হেলথ কার্যক্রমে বাংলাদেশ সামনের কাতারে আছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের সমন্বিত উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলেই দেশের মানুষের প্রত্যাশিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব।