Friday, 15 December 2017

 

শেকৃবিতে এফএও এর তৃণমূল জরিপের উপর প্রশিক্ষণ শুরু

শেকৃবি প্রতিনিধিঃবাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় করতে খাদ্য নিরাপত্তা আইন এবং এর বিধি-বিধান এর উপর ভোক্তার আস্থা ও সচেতনতা সংক্রান্ত তৃণমূল জরিপের উপর দুই দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) ও জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি বিষয়ক সংস্থা (এফএও) এর যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিতব্য এ জরিপের জন্য জরিপকারী প্রস্তুত করতে শেকৃবি’র শিক্ষার্থীসহ ১৬ জনকে এই প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।

আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ কামাল অনুষদ ভবনের সম্মেলন কক্ষে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহাম্মদ এ প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন।

এনিম্যাল সায়েন্স এন্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন ও জরিপ কার্যক্রমের টিম লিডার অধ্যাপক ড. মোঃ মোফাজ্জল হোসেন এর সভাপতিত্বে এবং মেডিসিন এন্ড পাবলিক হেলথ বিভাগের চেয়ারম্যান ও জরিপ কার্যক্রমের ডেপুটি টিম লিডার ড. কে, বি, এম, সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ সেকেন্দার আলী এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ারুল হক বেগ। এসময় এফএও এর জাতীয় পরামর্শক (অ্যাক্রিডেশন এন্ড সার্টিফিকেশন) জনাব এম লিয়াকত আলী এবং পরামর্শক (মনিটরিং এন্ড ইভালুয়েশন) জনাব আবুল কালাম আজাদ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে আমরা সবাই কম বেশি সচেতন। যার ফলশ্রুতিতে খাদ্য নিরাপত্তা আইনও হয়েছে। তবে এতে ভোক্তা কতটুকু উপকৃত হচ্ছে তা জানার জন্য কোন জরিপ ইতিপূর্বে হয়নি। এ জরিপ কার্যক্রম খাদ্য নিরাপত্তায় নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য বলেন, যারা জরিপ কাজ চালাবেন, তাদেরকে তথ্যদাতাদের সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণের মাধ্যমে সঠিক তথ্য তুলে আনতে হবে। এই জরিপ কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, এ তথ্য সমগ্র জাতির খাদ্য নিরাপত্তায় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ভূমিকা রাখবে।
অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ারুল হক বেগ বলেন, আমাদের খাদ্যে নানাভাবে ভেজাল থাকে। আমরা কতটা নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ করি তা এই জরিপের মাধ্যমে জানা যাবে।  

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোঃ মোফাজ্জল হোসেন বলেন, দেশের ২৪ টি জেলা থেকে ১২০০ টি নমুনা থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। যার মাধ্যমে সারা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা সম্পর্কে জানা যাবে। এই কার্যক্রমে তথ্য সংগ্রহে যারা কাজ করবেন তাদের অনেকেই শেকৃবির এমএস এর শিক্ষার্থী বলে জানান তিনি।