Sunday, 19 November 2017

 

যুুক্তরাজ্যের শ্রেষ্ঠ মানবাধিকার আইনজীবি বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ব্যারিস্টার মুহাম্মদ আবদুল মুয়ীদ খানের ‘সাইলেক্স প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড-২০১৬’ অর্জন

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:যুুক্তরাজ্যের চার্টার্ড ইনস্টিটিউট অব লিগ্যাল এক্সিকিউটিভের (সাইলেক্স) ‘শ্রেষ্ঠ মানবাধিকার বিষয়ক আইনজীবি’-এর স্বীকৃতি পেলেন চার্টার্ড লিগ্যাল এক্সিকিউটিভ আইনজীবি ব্যারিস্টার মুহাম্মদ আবদুল মুয়ীদ খান। তিনিই প্রথম বৃটিশ-বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত আইনজীবি যিনি এই বিরল সম্মানসূচক ‘সাইলেক্স প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড-২০১৬’ লাভের গৌরব অর্জন করলেন। মানবাধিকার সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে অসামান্য অবদান রাখার কারণে ইল্যান্ড ও ওয়েলসের ২০ হাজার আইনজীবির মধ্যে ব্যারিস্টার মুহাম্মদ আবদুল মুয়ীদ খানকে নির্বাচিত করে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

মিল্টনকিন্সের জুরিস ইনে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক বিশেষ পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সাইলেক্সের প্রেসিডেন্ট মার্টিন কাললানাট ব্যারিস্টার মুহাম্মদ আবদুল মুয়ীদ খানের হাতে ‘সাইলেক্স প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড-২০১৬’ তুলে দেন। অ্যাওয়ার্ডের অংশ হিসেবে ক্রেষ্ট, সার্টিফিকেট ও ৫০০ পাউণ্ডের সম্মানসূচক চেক প্রদান করা হয়। পুরষ্কারের এই অর্থ ব্যারিস্টার মুয়ীদ খান স্বেচ্ছায় বৃটিনের রাণীর ‘প্রিন্সেস চ্যারিটি’ ট্রাস্ট্র ফাণ্ডে তাঁর পিতা-মাতার রূহের মাগফিরাত কামনায় মানবতার কল্যাণে দান করে দিয়েছেন। এই বিশেষ পদক ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বৃটিশ বার কাউন্সেলের প্রেসিডেন্ট, ল সোসাইটির প্রেসিডেন্ট, লর্ড চীফ জাস্টিস, লর্ড চ্যান্সেলর, সুপ্রিম কোর্টের চীফ জাস্টিস, জাস্টিস মিনিস্টার, এটর্নি জেনারেল, মাস্টার অব রোলস, হাইকোর্ট জাজেস, ডিস্ট্রিক্ট জাজেসসহ ইল্যাণ্ড ও ওয়েলসের পাঁচ শতাধিক বিশিষ্ট আইনজীবি উপস্থিত ছিলেন।

ইতোপূর্বে ব্যারিস্টার মুহাম্মদ আবদুল মুয়ীদ খান ইল্যান্ড ও ওয়েলসের ২০১২ সালের ‘শ্রেষ্ঠ মানবাধিকার আইনজীবি’ নির্বাচিত হয়ে প্রেস্টিজিয়াস ন্যাশনাল লিগ্যাল পদক ‘সাইলেক্স প্রো বনো এ্যাওয়ার্ড-২০১২’ অর্জন করেন। ২০১১ সালে ল’ সোসাইটি কর্তৃক ইল্যান্ড ও ওয়েলসের ২০১১ সালের জন্য ‘শ্রেষ্ঠ লিগ্যাল এক্সিকিউটিভ আইনজীবি’ নির্বাচিত হয়ে ‘এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০১১’ অর্জন করেন। এছাড়া তিনি বৃটিশ বার কাউন্সিল, ল’ সোসাইটি ও আইলেক্সের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ইল্যান্ড ও ওয়েলসের মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় ‘এডভোকেসী ইন দ্যা ফেস অব এডভারসিটি অ্যাওয়ার্ড-২০১১’ লাভের গৌরব অর্জন করেন। বৃটিশ-বাংলাদেশী হুজ হু ২০১১ ব্যারিস্টার মুহাম্মদ আবদুল মুয়ীদ খানের অসাধারণ অবদান ও সাফল্যগাথা তাঁর জীবনবৃত্তান্তসহ ২০১১ সালের সংস্করণে প্রকাশিত হয়।

ব্যারিস্টার মুহাম্মদ আবদুল মুয়ীদ খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম অধ্যাপক আ.ন.ম আবদুল মান্নান খানের ২য় পুত্র এবং ব্রাক্ষণবাড়ীয়া জেলার কসবা থানাধীন সৈয়দাবাদ গ্রামের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক মরহুম আলহাজ্ব আবুল ইকরাম মুহাম্মদ হাবিবুল ইসলাম খানের পৌত্র।  

চার্টার্ড লিগ্যাল এক্সিকিউটিভ আইনজীবি ও অনারেবল সোসাইটি অব লিংকনস্ ইনের ব্যারিস্টার মুহাম্মদ আবদুল মুয়ীদ খান অর্গানাইজেশন অব ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস কমিশনের ইমিগ্রেশন এডভাইজার, ইইউ মাইগ্রেশন সার্ভিসেস এন্ড এক্সিকিউটিভ লিগ্যাল কনসালট্যান্ট অব রেস্ট হ্যারো এন্ড কো-সলিসিটরস-এর প্রিন্সিপাল ও সুপারভাইজার এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন বিশিষ্ট আইনজীবি।

ব্যারিস্টার মুহাম্মদ আবদুল মুয়ীদ খান ইল্যান্ড থেকে ব্যারিস্টারস ম্যাগাজিন, ইউকে বর্ডার এজেন্সীর প্রকাশনা, লেক্সিস নেক্সিস, দি ডেইলি স্টার, দি ইনডিপেনডেন্ট, দি ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস, দি নিউ নেশন, বাংলা মিরর, ইসলামিক ডাইজেস্ট, ঢাকা কুরিয়ারসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন পত্রিকায় নিয়মিত কলাম লেখক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি দেশবাসী সকলের দোয়াপ্রার্থী।

গ্রন্থনা: অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান, চেয়ারম্যান, ইনস্টিটিউট অব ল্যাংগুয়েজ স্টাডিজ; উপদেষ্টা, সাইফুর’স; উপদেষ্টা সম্পাদক, দি ক্যাম্পাস।