Sunday, 19 November 2017

 

বাকৃবি মাতালেন মিলা

বাকৃবি প্রতিবেদক:২৩ ডিসেম্বর, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা। ময়মনসিংহে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলানায়তন দর্শকে কানায় কানায় পূর্র্ণ। মিলানায়তনের একটি সিটও ফাঁকা নেই। অপেক্ষা এ প্রজন্মের জনপ্রিয় ব্যান্ডশিল্পী মিলার জন্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৮৯-৯০ শেসনের পূর্নমিলনী উপলক্ষে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় অতিথি শিল্পী হিসেবে গাইবেন মিলা ও তাঁর ব্যান্ডদল। বসে দাড়িয়ে প্রায় ৫ হাজার দর্শক প্রহর গুনছেন, কখন মিলা আসবেন?

রত্রি সাড়ে ৯ টা। ১৯৮৯-৯০ সেশনের শিক্ষার্থী অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ড. মাহবুবা খাতুন স্বপ্না ঘোষণা দিলেন, আর অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই মিলা আসবেন গাইতে। ঘোষণাটি শোনার পরই আনন্দের তুমুল চিৎকার। মঞ্চের ভিতর থেকে মিলা গাইতে গাইতে আসলেন, তুমি কি সাড়া দিবে....!

মিলাকে মঞ্চে পেয়ে দর্শক করতালি দিয়ে জানান দিলেন, তারা সাড়া দিতে প্রস্তুত। মিলার অনুরোধ তার সাথে গলা মিলিয়ে গাওয়ার ও নাচার। এরপর একে একে গাইলেন নিজের জনপ্রিয় গান, ‘রূপবান’, ‘দোলা দে রে পাগলা’, ‘নাচো’, ‘বাবুরাম সাপুড়ে’, ‘ডিসকো বান্দর’ প্রভৃতি। প্রায় ঘন্টাব্যাপী নাচে গানে মাতিয়ে রাখেন দর্শকদের।

কর্নসাটে মিলার সহযাত্রী হিসেবে ছিলেন তার ব্যান্ডদলের তুষার (কীবোর্ড), মাইকেল (ড্রাম), ম্যালকম (গিটার), এনায়েত  (বেজগিটার) ও মিথুন (পারকেশন)। মুগ্ধ বিস্ময়ে ঘন্টাব্যাপী এ কর্নসাট উপভোগ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবন নামের এক শিক্ষার্থী তার অনুভূতি সম্পর্কে বলেন, ‘কি ভাবে যে সময়গুলো কেটে গেল, টেরই পাইনি। অনেক এনজয় করেছি। একই সাথে মিলার গান ও নাচের ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি’।

কেমন লাগল দর্শক, এ প্রশ্নের জবাবে মিলা বলেন, ‘ইউভার্সিটির দর্শকরা আমার সবচেয়ে প্রিয়। ঢাকার বাইরে প্রোগামটি হওয়ায় প্রথমে কিছুটা কৌতুহল ছিল। দর্শকরা যথেষ্ঠ আন্তরিক ও প্রাণবন্ত ছিল। দর্শকদের জন্য সবটা দিয়ে চেষ্টা করেছি, দর্শক সারি থেকে মিলা, মিলা বলে চিৎকারই জানান দেয় কিছুটা হলেও দিতে পেরেছি। বাকৃবির ক্যাম্পাসে প্রথম বার পারফর্ম করার বিষয়ে তিনি বলেন, এ ক্যাম্পাসের কথা অনেক শুনেছি,  প্রকৃতিকন্যাখ্যাত ক্যাম্পাসে আসার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানাই।