Thursday, 14 December 2017

 

বাকৃবিতে ছাত্রলীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষে ছাত্রলীগের ৮ জন আহত

বাকৃবি প্রতিনিধি:বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মীকে বেধড়ক পিটিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের কর্মীরা। এতে ছাত্রলীগের ৮ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। বুধবার বিকেল ৬ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেওয়াটখালী প্রধান ফটকের কাছে ওই ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বেলা ১ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে উৎপাদনমুখী শিক্ষা ব্যবস্থার দাবি নিয়ে লিফলেট বিতরণ করে শাখা ছাত্রদল।ওই সময় ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি রুহুল আমিন ও তার সমর্থকরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। পরে বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে সাধারণ সম্পাদক জসিমউদ্দিন ও সাংগঠনিক সম্পাদক সোহরাব সহ কিছু সমর্থকেরা একই লিফলেট বিতরণ করতে থাকেন। খবর পেয়ে ছাত্রলীগের বেশ কিছু নেতাকর্মী প্রধান ফটকে গিয়ে লিফলেট বিতরণে বাধা দেয়। এসময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ছাত্রলীগের কর্মীদের ধাওয়া করে হর্টিকালচার সেন্টারে নিয়ে যায়। পরে সেখানে ছাত্রলীগের কর্মীদের বেধড়ক পেটানো হয়। এতে ছাত্রলীগের আশিক মাহমুদ, হাসান বিশ্বাস নীরব, রাসেল আহাম্মেদ, বিকাশ ঘোষ, কামরুল হাসান সিদ্দিকী, আলমগীর রায়হান জুয়েল, ইমতিয়াজ আবীর ও শামীম আকরামসহ মোট ৮ জন নেতাকর্মী আহত হয়। পরে ৪ জনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। ঘটনার পরে সন্ধ্যা ৬ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে লাঠি-সোটা নিয়ে ছাত্রলীগের কর্মীরা জড়ো হতে থাকে। এসময় তারা ছাত্রদলের বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশের আশ্বাসে তারা ক্যাম্পাসে ফিরে আসে। পরে তারা প্রক্টর কার্যালয়ের সামনে দাড়িয়ে বিচার দাবি করে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মিয়া মোহাম্মদ রুবেল বলেন, ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার জন্য ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা লিফলেট বিতরণের নাটক করেছে। বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে গিয়ে ছাত্রলীগের কর্মীরা আহত হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের বিচার দাবি করছি।
 
ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জসিমউদ্দিন জনি বলেন, সুশৃঙ্খলভাবে লিফলেট বিতরণে ছাত্রলীগের কর্মীরা বাধা দেয়। এক পর্যায়ে তারা হামলা চালাতে শুরু করলে আমরা প্রতিহত করার চেষ্টা করি। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি অনাকাঙ্খিত। তদন্ত করে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।