Thursday, 14 December 2017

 

ভিসা প্রক্রিয়ায় কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা;আটকে আছে শেকৃবির দুই শিক্ষার্থীর ভারতে ইন্টার্ণশীপ

শেকৃবি প্রতিনিধিঃ শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের(শেকৃবি) এনিম্যাল সাইন্স এন্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন (এএসভিএম) অনুষদের দ্বিতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থীরা গত ০১ ডিসেম্বর ভারতের আসাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইন্টার্ণি করতে যায়। গত ০২ তারিখ থেকেই তাদের ইন্টার্ণি শুরু হয়ে গেছে। কিন্তু ভিসা প্রক্রিয়ায় কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার জন্য ২ জন শিক্ষার্থী এখনও তাদের ভিসা হাতে পায়নি। ভারত যাওয়া আটকে আছে তাদের। আটকে আছে তাদের ইন্টার্ণি।

কথা হয় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের একজন আবদুল্লাহ আল জাবের-এর সাথে। তিনি বলেন, গত ১৫ নভেম্বর শ্যামলীতে অবস্থিত ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রে আবেদন পত্র জমা দিই। পাসপোর্ট ফেরত দেয়ার সম্ভাব্য তারিখ ছিল ২১ নভেম্বর। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমার পাসপোর্ট এর কোন হদিস নেই। কর্মকর্তারা বলছেন, হাই কমিশন থেকে এখনো আসেনি। কিন্তু এতদিন কেন পাঠাচ্ছে না, তার কোন উত্তর কেউ দিতে পারে না। আবেদনের কয়েকদিন পর হাইকমিশন থেকে একটা ফোন এসেছিল। নাম, ঠিকানা, পেশা, কোথায় যাব, কেন যাবো এমন কিছু প্রশ্ন করেছিল।

ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র, শ্যামলী থেকে তারা আমাকে গুলশান যেতে বলেছিল। কিন্তু গুলশান গেলে সেখান থেকেও কিছু জানাতে পারেনি পরে তারা হাই কমিশনে যেতে বলে কিন্তু সেখানে গেলে তারা ঢুকতে দেয়না। ইমেইল করে রিপ্লাই পাওয়া যায়নি। হেল্প লাইনে ফোন দিলেও ভিসা ইনকয়ারির এক্সটেনশন নাম্বার সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় অথবা রিসিভ করে না। দ্রুত পাসপোর্ট পেতে শ্যামলীতে একাধিকবার এবং হাই কমিশনে আবেদনপত্র জমা দিলেও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।

ইন্টার্ণি এর জন্য ব্যাচের ২৭ জন চলে গেছে। আমি এখনো ভিসার জন্য বসে আছি। চড়া দামে দালালের অফারও পেয়েছি অনেকবার। ভিসার জন্য কি আমি তাহলে ইন্টার্ণ প্রোগ্রাম ধরতে পারবো না? বলে দুঃখ প্রকাশ করেন ভুক্তভোগী জাবের।