Tuesday, 21 August 2018

 

অভিভাবক শূন্য শেকৃবি; প্রশাসনিক কর্মকান্ডে স্থবিরতা

ক্যাম্পাস ডেস্ক:রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধক্ষ্যের  মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও শূন্য রয়েছে পদ তিনটি। ফলে স্থবির হয়ে পড়েছে প্রশাসনিক কর্মকান্ড। পদ তিনটি পূরণে রাষ্ট্রপ্রতির সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারী বৃন্দ।

গত সোমবার (২৫ জুলাই) উপাচার্য অধ্যাপক শাদাত উল্লা, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শহীদুর রশীদ ভুইঁয়া এবং কোষাধক্ষ্য অধ্যাপক ড. হযরত আলীর মেয়াদ শেষ হয়।

শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম-সচিব বেগম লায়লা আরজুমান্দ বানু  বলেন, ভিসি নিয়োগে আমরা উপর থেকে এখনও কোন নির্দেশ পায়নি। রাষ্ট্রপ্রতি কবে নাগাত নিয়োগ দিবেন, সেটাও বলতে পারছি না।

এদিকে সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শহীদুর রশীদ ভুইঁয়া এবং কৃষি অনুষদের বর্তমান ডীন অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ নতুন উপাচার্য হতে পারেন বলে ক্যাম্পাসে বেশ জোড়েসরেই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।

উপ-উপাচার্য  এবং ট্রেজারার পদে আসতে পারেন অধ্যাপক ড. হযরত আলী , অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল হক বেগ, অধ্যাপক ড. সেকান্দার আলী, অধ্যাপক ড. অলক কুমার পাল, অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম  এবং অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী।

উপাচার্যের পদ শূন্য থাকায় শিক্ষক-কর্মকর্তারা বেতন তুলতে পারছেন না। তৈরী হচ্ছে নানা প্রশাসনিক জটিলতা। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্য থেকেই যোগ্য প্রার্থীদের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধক্ষ্যের পদে অতি দ্রুত নিয়োগের দাবী জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা বশিরুল ইসলাম বলেন, আমরা মাসের ২৮ বা ২৯ তারিখের মধ্যেই বেতন পেয়ে যাই। কিন্তু ভিসির পদ শূন্য হওয়ায় কবে নাগাত বেতন পাব এ নিয়ে শঙ্কায় আছি। তাই প্রশাসনিক কর্মকান্ড বেগবান করতে অতি দ্রুত ভিসি নিয়োগ প্রায়োজন বলে মনে করেন এ কর্মকর্তা।- ছবি ও সংবাদ সূত্র:শেকৃবি সংবাদ