Friday, 15 December 2017

 

বাকৃবিতে মেধাস্বত্ত্ব অধিকার সংরক্ষণ বিষয়ক কর্মশালা

আবুল বাশার মিরাজ, বাকৃবি থেকে:কৃষক ও কৃষিকে এগিয়ে নিতে, গ্রামীণ পর্যায়ের কৃষকের সাথে কাজ করতে হবে। শুধু গবেষণা করলেই হবে না, গবেষণার ভবিষ্যত নিয়েও ভাবতে পারে। সময়ের সাথে অর্জিত গবেষণার হালনাগাদ করতে হবে।

সোমবার বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) কৃষি সংশ্লিষ্ট নানা প্রযুক্তির উদ্ভাবন, সম্প্রসারণ এবং এর মেধাস্বত্ত্ব সংরক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনার) মহাপরিচালক শমসের আলী।  

সকাল ১১টার দিকে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে ওই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে  বিশেষজ্ঞরা বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাংলাদেশের কৃষি বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ফসলের জাত, মাছের জাত ও গবাদি পশুর টীকা উদ্ভাবন করে আসছেন। যা বিশ্ব দরবারে আকর্ষণীয় ও বাণিজ্যিকভাবে মূল্যবান। কিন্তু মেধাস্বত্ত্ব সংরক্ষণ না করায় উদ্ভাবনকারীরা সেই পণ্যের স্বত্ত্বাধিকারী দাবি করতে পারছেন না। যেহেতু দেশের কৃষি সেক্টরের সিংহ ভাগ গবেষণা হয় বাকৃবিতে, সেহেতু বক্তারা এ বিশ্ববিদ্যালয়ে টেকনোলজি ট্রান্সফার অফিস (টিটিও) স্থাপনেরও দাবি জানান। যা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবিত পণ্যগুলোর মেধাস্বত্ত্ব নিয়ে কাজ করবে।  

একোয়াকালচার বিভাগের অধ্যাপক ড. মনোরঞ্জন দাসের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জসিমউদ্দিন খান। সম্মানিত অতিথি হিসেবে ছিলেন ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সচ্চিদানন্দ দাস চৌধুরী। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল কুদ্দুছ উপস্থিত ছিলেন। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান।