Tuesday, 12 December 2017

 

মুক্তিযোদ্ধা ডা. মোরশেদ চৌধুরী স্মরণে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে শোকসভা

আব্দুল্লাহ আল কাউসার মিলন,গণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: বীর মুক্তিযোদ্ধা, গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের সাবেক প্রধান ও সিনিয়র সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোরশেদ চৌধুরী স্মরণে ১৬ এপ্রিল, শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সেমিনার কক্ষে এক শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শোকসভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মেসবাহউদ্দিন আহমেদ।

শোকসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডা. মোরশেদ চৌধুরীর দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. দেলোয়ার হোসেন, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিজ্ঞান অনুষদের ডীন অধ্যাপক ডা. মো. আশরাফ-উল-করিম খান, গণস্বাস্থ্য সমাজ ভিত্তিক মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক লায়লা পারভীন বানু, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মীর মুর্ত্তজা আলী প্রমুখ।  পরে তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

ডা. মোরশেদ চৌধুরী ১৪এপ্রিল, ২০১৬ তারিখ সকাল ৫টা ৪৮ মিনিটে সাভার গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহে -----রাজেউন)। ঐদিন বাদ জোহর জানাযা শেষে সাভার উপজেলা সহকারী কমিশনারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকষ দল রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় নলাম কবরস্থানে তাকে সমাহিত করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ সন্তান ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মুক্তিযোদ্ধা,  বিচিত্রা সম্পাদক প্রয়াত শাহাদত চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা ফতেহ চৌধুরীর ছোট ভাই।

পবিপ্রবিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বর্ষবরণ

মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান পাপ্পু,পবিপ্রবিঃ বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যে দিয়ে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪২৩ পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল শোভাযাত্রা, চিত্র প্রদর্শণী, হাড়ি ভাঙ্গা প্রতিযোগিতা, বৈশাখী মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হল বৈশাখী মেলা

আব্দুল্লাহ আল কাউসার মিলন, গণ বিশ্ববিদ্যালয় (সাভার) : বাংলা নববর্ষ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ পালনে উৎসবমুখর পরিবেশে বৈশাখী মেলা সম্পন্ন হয়েছে সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে।নববর্ষে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের আয়োজনে দিনব্যাপি এই প্রথমবারের মত পালন হল বৈশাখী মেলা। মেলায় পান্তা-ইলিশের ব্যাবস্থা না থাকলেও বাঙ্গালী সাজে সাজানো স্টলগুলো ব্যাপক দৃষ্টিনন্দন ছিল। 

নোবিপ্রবিতে নানা আয়োজনে নববর্ষ উদযাপন

কামরুল হাসান শাকিম: নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে  প্রতিবছরের ন্যায় বাংলা নববর্ষ উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আয়োজন করা হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা এবং বৈশাখী মেলা ও দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

বাকৃবিতে টাংগাইল জেলা সমিতির নয়া কমিটি

আবুল বাশার মিরাজ, বাকৃবি প্রতিনিধি: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় টাংগাইল জেলার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানী ও কর্মকর্তাদের নিয়ে টাংগাইল জেলা

শেকৃবিতে পহেলা বৈশাখ উদযাপিত

শেকৃবি প্রতিনিধিঃ রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) জমকালো আয়োজনে পহেলা বৈশাখ তথা বাংলা নববর্ষ উদযাপিত হয়েছে।

পবিপ্রবিতে রংধনুর ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান পাপ্পু,পবিপ্রবিঃ বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সৃজনশীল সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন “রংধনুর” ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। বাংলা নববর্ষের প্রথম প্রহরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বরিশালস্থ এনিমেল সায়েন্স এন্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করে সংগঠনটি।

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসী বিভাগের র‌্যাগ ডে অনুষ্ঠিত

আব্দুল্লাহ আল কাউসার মিলন , গণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে বুধবার (১৩ এপ্রিল) সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগের ২২তম ব্যাচের র‌্যাগ ডে পালিত হয়েছে।

দুপূরে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের অনার্স পর্বের শেষ ক্লাস করে র‌্যাগের আয়োজনে অংশগ্রহণ করে এই ব্যাচের সকল শিক্ষার্থীরা। সকাল থেকেই প্রস্তুতি পর্ব সম্পাদন করে রেখেছিল শিক্ষার্থীরা।

বর্ণিল আয়োজনে বাকৃবিতে বর্ষবরণ

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি► বছর ঘুরে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে নতুন একটি বাংলা বর্ষকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি)। পহেলা বৈশাখের প্রধান আকর্ষণ চিরাচরিত বাংলার পান্তা-ইলিশ, হরেক রকমের পিঠাপুলি, নাড়ু বরাবরের মত এবারও ছিল। এ লক্ষ্যে পর্যাপ্ত সংখ্যক স্টলও স্থাপন করা হয়।

বাকৃবিতে ৩ বছরেও মিলেনি ডিজিটাল পরিচয় পত্র!

আবুল বাশার মিরাজ, বাকৃবি প্রতিনিধি: ডিজিটাল পরিপয়পত্র খাতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কোষাগারে প্রায় ১৩ লক্ষেরও বেশী টাকা জমা দিয়েছে প্রায় ৫ হাজার ২ শত শিক্ষার্থী। গত তিন বছর যাবৎ  এই টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাগারে জমা হয় । ২০১৪ শিক্ষাবর্ষের প্রায় ৬০ শতাংশ শিক্ষার্থী ডিজিটাল পরিচয়পত্র পেলেও ২০১৫ এবং ২০১৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীরা টাকা প্রদান করলেও আজ অবধি দেখা মিলেনি ডিজিটাল পরিপয়পত্রের।