Sunday, 19 November 2017

 

নোবিপ্রবি শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে “পমেটোর” চাষ

কামরুল হাসান শাকিম, নোবিপ্রবি প্রতিনিধি:আলু এবং টমেটো একই গাছে বিষয়টা অদ্ভূত হলেও সত্যি, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(নোবিপ্রবি)  কৃষি বিভাগ এর সহযোগী অধ্যাপক ড. গাজী মোহাম্মদ মহসিন এর তত্ত্বাবধানে নোবিপ্রবিতে পমেটোর (পটেটো + টমেটো) চাষ করা হচ্ছে। একই গাছে মাটির নীচে হবে আলু আর মাটির উপরে গাছের ডালে ধরবে টমেটো। একই সাথে টমেটো এবং আলু(পটেটো) উৎপাদনশীল এই গাছটির নাম ‘পমেটো’।

এ প্রসঙ্গে ড. গাজী মোহাম্মদ মহসিন রুটস্টক হিসেবে আলুর চারা আর সায়ন হিসেবে টমেটোর চারা ব্যবহার করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে দুটি চারার বয়সই সমান হতে হবে। গ্রাফটিং বা জোড়াকলম পদ্ধতিতে সোলানেসি গোত্রের ‘ডায়ামন্ট’ জাতের আলুর সাথে ‘মিন্টো সুপার’ জাতের টমেটোর চারাগাছের জোড়া দিয়ে এই পরীক্ষামূলক চাষের সূচনা করা হয়। এক্ষেত্রে উভয় চারাগাছের বয়স (২৫-৩০ দিন) এবং উচ্চতা (০৮-১০ সে.মি) একই হওয়া বাঞ্ছনীয়। প্রাথমিকভাবে পরীক্ষামূলক চাষ পদ্ধতিটি সফল হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
 
নোয়াখালীতে পমেটো চাষের অগ্রদূত, নোবিপ্রবি কৃষি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. গাজী মোহাম্মদ মহসিন জানান “উৎপাদিত ফসলের গুনগত মান ঠিক থাকলে অচিরেই নোয়াখালীতে পমেটোর বানিজ্যিক চাষাবাদ শুরু করা হবে”। জনবহুল বাংলাদেশে উর্বর জমির পরিমাণ যে হারে কমছে, সেক্ষেত্রে এই একই গাছে দুই ফল ফলানোর পদ্ধতিতে খাদ্য সংকট কমানোর সম্ভাবনা বহুলাংশে বৃদ্ধি করবে বলেও তিনি জানান।