Saturday, 18 August 2018

 

চা নিয়ে গবেষণা করবে বাংলাদেশ ও চীন

গবেষণা ডেস্ক:চীনের মতো বাংলাদেশেও চা থেকে চকলেট, বিভিন্ন পানীয়, কেক, বিস্কুট ইত্যাদি প্রস্তুত করা হবে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের সঙ্গে টি রিসার্চ ইনস্টিটিউট, চাইনিজ একাডেমি অব এগ্রিকালচারাল সাইন্স-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর ফলে একসঙ্গে চা নিয়ে গবেষণা করবে বাংলাদেশ ও চীন।

মঙ্গলবার ৬ ফেব্রুয়ারী সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ লক্ষে এক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এতে বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক মোহাম্মদ আলী ও টি রিসার্চ ইনস্টিটিউট, চাইনিজ একাডেমি অব এগ্রিকালচারাল সাইন্স-এর পরিচালক ইয়াজুন ইয়াং স্বাক্ষর করেন। এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ও বাণিজ্য সচিব শুভাশীষ বসু, বাংলাদেশ চা বোর্ড এর চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম, এনডিসি; পিএসসি উপস্থিত ছিলেন।

এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ায় চা বিষয়ক প্রযুক্তি বিনিময় হবে। উভয়দেশের চার বিশেষজ্ঞ ও বিজ্ঞানীদের নিয়ে কনফারেন্স, সেমিনার ও মতবিনিময় সভা হবে। চা বিষয়ক শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, যৌথ গবেষণা ইত্যাদি কার্যক্রম শুরু হবে বলেও অনুষ্ঠানে জানানো হয়।

সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আজ একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হল। বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট-এর সঙ্গে টি রিসার্স ইনস্টিটিউট, চাইনিজ একাডেমি অব এগ্রিকালচারাল সাইন্স-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক হওয়ায় এর মাধ্যমে দেশের চা গবেষকরা আরও সমৃদ্ধশালী হবেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি জাতের এবং ধরনের চা চীনে প্রস্তুত হয়ে থাকে। ফলে এ চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের চার উৎপাদনের ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটবে। এতে অভ্যন্তরীণ চা বাজারের সম্প্রসারণ ঘটবে এবং বিদেশে চা জাত পণ্যের রপ্তানির সুযোগ তৈরি হবে। এছাড়া সংকর জাতের চা গাছ উদ্ভাবন, চায়ের পোকামাকড় দমনের নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন, চা তৈরি, চায়ের প্রাণ রসায়ন, চায়ের গুণগতমান উন্নয়ন, আধুনিকায়ন এবং চা অর্থনীতির ওপর উভয় (বাংলাদেশ-চীন) পক্ষের মধ্যে গবেষণা কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে।