Saturday, 24 February 2018

 

শীতকালে পোল্ট্রি শিল্পে অ্যামোনিয়া গ্যাসের প্রভাব

কৃষিবিদ রুহুল আমিন মন্ডল:পোল্ট্রি শিল্পে অ্যামোনিয়া গ্যাস অতি পরিচিত একটি নাম। যারা মুরগী পালনের সাথে সর্ম্পকিত তারা সবাই এটা সম্পর্কে কম-বেশী জানেন। কিন্তু খামারী ভাইদের অনেকেরই অ্যামোনিয়া গ্যাসের উৎস, ক্ষতিকর প্রভাব এবং সমাধানের উপায় সম্বন্ধে সুবিন্যাস্ত ও সুসংগঠিক জ্ঞান না থাকার কারণে, অনেক সমস্যায় পরতে হয়। আমাদের দেশে মুরগী পালনের জন্য সাধারণত দুই ধরণের হাঊজিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় যথা ১. কন্ট্রোল হাঊজ ২. ওপেন হাঊজ। অ্যামোনিয়া গ্যাসের ক্ষতিকর প্রভাব দুই ধরণের  হাঊজিং পদ্ধতিতেই দেখা যায়। তবে শীতকালে কন্ট্রোল হাঊজে অ্যামোনিয়া গ্যাসের ক্ষতিকর প্রভাব বেশী পরিলক্ষিত হয়।

পল্লীবাড়িতে কৃষি তথ্য ও উপকরণ সাজিয়ে বিশাল জাদুঘরের গল্প

নজরুল ইসলাম তোফা: মানুষের শখ আর অনেক শৌখিনতার বর্ণনার তো বহু মানুষের মুখে অহরহ শুনতে পাওয়া যায়। কিন্তু এই শৌখিনতা ও শখের কোন প্রকার সঠিক রাস্তা অথবা ভুল রাস্তা রয়েছে কিনা? আবার তারও কী নিয়মকানুন জানা আছে? আমার জানা নেই। তবুও বলতে চাই, এই শৌখিনতা বাা শখ একেবারেই নিজস্ব চিন্তা চেতনায় তৈরী হয়। শখ অথবা শৌখিনতা আসে একেবারে হৃদয় থেকে, যা নিজস্ব ব্যাপার বা নিজস্ব তাগিদেই চলে আসে। এমন এই শক্তিটা আসলে ধীরে ধীরে পথ করে নেয় সামাজিক পরিমন্ডলে। তার জন্যে ঘটা করে ভাবতে হয় না। যার ভিতরে শখ নেই, তাকে এ কথা বুঝিয়ে বলাও যাবে না। সুতরাং বুঝিয়ে বলা যাক আর নাই যাক, শখ থেকে জন্ম নেয় প্রতিভা, এটাই সত্য। তাই তো পাওয়া গেল সেই লক্ষেই আছেন একজন গুনি, প্রতিভাবান ও প্রতিষ্ঠিত শিক্ষক, যাঁর খুব ছোটবেলা থেকে শখ এবং শৌখিনতা ছিল কৃষি কাজের প্রতি। তিনিই তো কৃষক বাবার আদরের সন্তান। পরিশ্রমী কৃষক বাবার মাটির ঘরে, মাটির মানুষ হয়েই দিনে দিনে তাঁর ইচ্ছা শক্তিটাকে যেন কাজে লাগিয়ে শখ বা শৌখিনতায় গড়ে তোলে প্রথমে "শাহ্‌ কৃষি তথ্য পাঠাগার"। শোনা যাক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম শাহ'র এই শখের আদ্যপ্রান্ত গল্প।

বাকৃবিতে ‘ইলিশের স্যুপ ও নুডুলস তৈরী’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (ময়মনসিংহ)থেকে: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেম(বাউরেস) আয়োজিত ‘ইলিশের স্যুপ ও নুডুলস তৈরী’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা বুধবার ২৪ জানুয়ারি ২০১৮ বাকৃবির সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন ভবনে অনুষ্ঠিত হয়।

ঘুরে আসুন চিরসবুজের ক্যাম্পাস থেকে

আবুল বাশার মিরাজ, বাকৃবি প্রতিনিধি:ইট-বালি, ধূলামাখা দেয়ালে বন্দি ব্যস্ত নগর জীবনের কোলাহল থেকে মাঝে মাঝে ছুটে পালাতে কার না মন চায়? কিন্তু চাইলেই তো আর সবসময় পালানো যায়না। নানা রকম সীমাবদ্ধতায় আমাদের জীবন বন্দি। আর এই সীমাবদ্ধতাকে পাশ কাটিয়েই আমাদের সবসময় চলতে হয়। তাই হাতে যদি আপনার একদিনও সময় থাকে তবে ঘুরতে বেরিয়ে পড়ুন। যারা ঢাকা বা এর আশেপাশে থাকেন তারা খুব সহজেই ঘুরে আসতে পারেন ময়মনসিংহে অবস্থিত প্রকৃতিকন্যাখ্যাত ১২০০ একরের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ক্যাম্পাস থেকে।

বহমাত্রিক গুণাগুণসম্পন্ন কালোজিরা

জাতীয় মসলা ফসলের উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
ড. মোহাঃ মাসুদুল হক, ড. রম্মান আরা ও ড. মুহা. সহিদুজ্জামান:কালোজিরা (Nigella sativa L), Ranunculaceae পরিবারভূক্ত বর্ষজীবী বীরুৎ জাতীয় মাঝারি আকৃতির মৌসুমী উদ্ভিদ ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একটি অপ্রধান মসলা ফসল হিসাবে পরিচিত। ব্যবহার ও উৎপাদনের দিক থেকে গৌন হলেও এদেশের রসনাবিলাসিদের কাছে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মসলা এবং রন্ধনশালায় দৈনন্দিন বিভিন্ন খাদ্য তৈরিতে পাঁচ ফোড়নের উপাদান হিসাবে এর ব্যবহার অপরিসীম।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে এশিয়ার পশুপালন শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু বাকৃবি থেকে: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) এশিয়ার পশুপালন শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও পশুপালন অনুষদের ১৪তম ব্যাচের ইন্টার্ণশীপ প্রোগ্রাম-এর সমাপনী ও সার্টিফিকেট বিতরণী আজ ৯ ডিসেম্বর শনিবার বাকৃবির সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন ভবনে অনুষ্ঠিত হয়।

‘নিরাপদ পশু খাদ্যই দিতে পারে নিরাপদ মাংস, দুধ ও ডিম- ড. মোহাম্মদ আল-মামুন

কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু, বাকৃবি থেকে:‘সেফ ফিড সেফ ফুড’ অর্থাৎ নিরাপদ পশু খাদ্যই দিতে পারে নিরাপদ মাংস, দুধ ও ডিম। সে লক্ষ্যে মায়ের জন্য নিরাপদ খাদ্য (মাংস, দুধ ও ডিম) নিশ্চিত করা না হলে শুধু মায়ের স্বাস্থ্যই নয় নবজাতক শিশুর স্বাস্থ্যেও পড়তে পারে মারাত্মক ঝুকিতে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পশু পুষ্টি বিভাগ এর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-মামুন BAS-USDA PALS-এর অর্থায়নে প্লান্টেইল হার্ব কৃষক পর্যায়ে ব্রয়লার মুরগীর মাংস উৎপাদনে এবং গাভীর দুধের ফ্যাট এসিড এর গুণগত মান উন্নয়নে কাজ করে সফলতা পেয়েছেন। তিনি এ জন্য মানিকঞ্জের সদরে গীলন্ট গ্রামে এক একর জমি লিজ নিয়ে প্লান্টেইল হার্ব চাষ করে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন এবং ঐ এলাকার ৬টি ব্রয়লার ফার্ম গবেষণার জন্য নির্বাচন করেছেন।

EFFICIENT USE OF EXPENSIVE ENERGY SOURCES IN BROILER DIETS

Partha Pratim Das, Azimul Haque and Chandrasekar S Kemin Industries South Asia Pvt Ltd
INTRODUCTION
Profitability of broiler industry depends upon its ability to manage cost of production. Feed contributes about 75 % of production costs. Enhancing the nutrient utilization to achieve maximum genetic potential became critical in broiler industry. Among the nutrients, fats and oils contributes high calorific value, in addition to improving feed quality and palatability. Fats are present mainly in the form of triglycerides which are primarily emulsified by bile salts and hydrolyzed by lipase enzyme into fatty acids, mono and di- glycerides. Lysophospholipids are a group of compounds which are commonly used as a feed additive to enhance the fat and other nutrient utilization.

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সর্ববৃহৎ মৎস্য জাদুঘর

আবুল বাশার মিরাজ, বাকৃবি:মাছের সাথে বাঙালির নাম জন্মসূত্রে গাঁথা। আজন্ম লালিত সাধ ও স্বাদের অপূর্ব সমন্বয় এই দেশজ মাছ। এদের অস্তিত্ব আজ ভয়াবহ হুমকির মুখে। এছাড়াও বিচিত্র রকমের মাছ রয়েছে পৃথিবীতে। এদের এক একটি এক রকমের। এক একটি করে মাছ নিয়ে জানা খুবই কষ্টকর। একারণে সহজে জানার জন্য একই বৈশিষ্ট্যগুলো নিয়ে শ্রেণিবিভাগ করেছেন বিজ্ঞানীরা। এর প্রায় সব প্রজাতির মাছই স্থান পেয়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) মৎস্য জাদুঘুরে। যা দেখে যে কেউই সহজে জানতে পারেন সুবিশাল জগৎ নিয়ে। বৈজ্ঞানিক উপায়ে ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধায় জাদুঘরটিতে সজ্জিত ও  সংরক্ষণ করা হয়েছে মাছের বিভিন্ন প্রজাতি।

স্পিরুলিনার প্রোটিন ব্যবহারে মাছ ও পোল্ট্রি খাদ্যের দাম প্রায় ৫০ শতাংশ কমানো সম্ভব

কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু বাকৃবি থেকে: সুস্বাদু ও পুষ্টিকর শৈবাল স্পিরুলিনা থেকে প্রাপ্ত প্রোটিন মাছ ও পোল্ট্রির খাদ্যে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ ব্যবহার করা সম্ভব। এতে লাভবান হবেন দেশের দরিদ্র খামারীরা এবং কমে আসবে দেশের আমদানী ব্যয়। মানুষের খাদ্য হিসেবে এর ব্যবহার রয়েছে বলে জানান স্পিরুলিনা গবেষক একোয়াকালচার বিভাগের প্রফেসর ড. মো. আহসান বিন হাবিব।