Wednesday, 22 November 2017

 

ঘুরে আসুন ময়মনসিংহের রাবার বাগান ও সামাজিক বানর পল্লী থেকে

অাবুল বাশার মিরাজ, বাকৃবি প্রতিনিধি:ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়ীয়া উপজেলার কেশরগঞ্জ বাজার থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে আঁকাবাঁকা গ্রামীণ মেঠোপথ পেরোলে চোখে পড়বে নয়নাভিরাম পাহাড়ি বনাঞ্চল সন্তোষপুর। প্রায় ১০৬ একর জমি নিয়ে এটি অবস্থিত। বনের একটি বড় অংশ উজাড় করে আশির দশকে তৈরি করা হয়েছে রাবার বাগান। বাগানের অভ্যন্তরে রয়েছে বিরল প্রজাতির বানরের বসবাস। যা দেখতে প্রতিদিন অনেক দর্শনার্থী আসেন।

রোহিঙ্গা সমস্যা-সমাধানে আবেগ নয়, বিবেক দিয়ে ভাবুন

মো. আব্দুর রহমান:নাফ নদী আবারও রক্তাক্ত। লালে লাল নদীর পানিতে ভাসছে পঁচা, অর্ধগলিত শিশু, যুবা, পুরুষ, নারীর লাশ। গর্ভবতী মায়েরা সন্তান জন্ম দিচ্ছে জঙ্গলে-পাহাড়ে। আক্রমণকারী মিয়ানমারের সেনাবাহিনী, যারা অহেতুক আরাকান রাজ্যের একটি অত্যাচারিত জনগোষ্ঠীকে ক্লান্তিহীনভাবে হত্যা করে চলেছে। বাড়িঘর পুড়ছে, গ্রামকে গ্রাম, শহরের পর শহর জ্বলছে আর হাজার হাজার অত্যাচারিত নর-নারী ও শিশু যা কিছু সম্বল পিঠে-পেটে-কাঁধে সেগুলো পোঁটলা করে বেঁধে ছুটছে আশ্রয়হীন অবস্থায় অজানা গন্তব্যে। কোন রকম প্রাণ নিয়ে এসে বাংলাদেশে শরনার্থী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছে। এই সাময়িক আশ্রয়েই কি সব সমস্যার সমাধান হয়ে গেল?

AHCAB International Trade Fair-2018-Call for Scientific Papers

Last date of submission of Full Paper: 21st November.
Agrilife24.com, desk:4th International Exhibition of Dairy, Aqua and Pet-2018 (IEDAP)' will be held on 8-10th March 2018 at the most reputed International Conference Centre of Bangladesh named Bangabandhu International Conference Centre (BICC) at the heart of capital city Dhaka. The exhibition organized by Animal Health Companies of Bangladesh (AHCAB) for the 4th time in Bangladesh to promote the animal protein and companion animal for local market as well as global market.

বাকৃবি গবেষকের সফলতা-আলাদা অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন নেই

ঘাস খাওয়ায়েই গবাদিপশুর মোটাতাজাকরণ সম্ভব
আবুল বাশার মিরাজ, বাকৃবি প্রতিনিধি: গবাদিপশু মোটাতাজাকরণের ক্ষেত্রে দেশে স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি নানা ধরনের অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আশির দশকে শুরু হয়েছিল গ্রোথ প্রোমোটার বা অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার। এটি এনজাইমের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে এবং বিভিন্নভাবে পশুর মেটাবলিজমের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি করে থাকে। কিন্তু এসব সিনথেটিক অ্যান্টিবায়োটিক গ্রোথ প্রোমোটার প্রাণিদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা মারাত্মকভাবে হ্রাস করে।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়-এর মাঝে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত

গবেষণা ডেস্ক:০৯ অক্টোবর সোমবার এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ (ইবিএইউবি) ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এর মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সমঝোতা চুক্তিতে এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ (ইবিএইউবি)-এর পক্ষে উপাচার্য প্রফেসর এবিএম রাশেদুল হাসান এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে উপাচার্য প্রফেসর ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

উত্তম উপায়ে রাসায়নিক সার ব্যবহার

কৃষিবিদ মোহাইমিনুর রশিদ:একটি ধাঁধা দিয়ে যদি শুরু করি, বলুনতো দেখি যার হাত নাই, পা নাই এমনকি মুখও নাই কিন্তু ঠিকই খায়; অনেকেই চিন্তার মধ্যে থাকলেও উত্তর কিন্তু খুবই সহজ যার নাম পরিবেশ বন্ধু গাছ। এবার প্রশ্ন হলো, গাছ তাহলে কিভাবে খায়; মূলত গাছের মূল বা শিকড় দিয়ে গাছ তার প্রয়োজনীয় খাদ্যোপাদান পানির সাথে টেনে শরীরে প্রবেশ করায়। তাছাড়া গাছের পাতায় ছোট ছোট ছিদ্র রয়েছে তা দিয়েও বাতাস থেকে প্রয়োজনীয় খাদ্যোপাদান গ্রহণ করতে পারে।

পোল্ট্রিতে স্ট্রেস (Stress) বা ধকলঃ একটি নিরব ঘাতক

কৃষিবিদ রুহুল আমিন মন্ডল:পোল্ট্রিতে স্ট্রেস (Stress) বা ধকল একটি নিরব ঘাতক হিসাবে কাজ করে। অনেক সময় খামারী ভাইদের অজ্ঞতার কারণেই মুরগী স্ট্রেসে পরে। বিশেষ করে ব্রয়লার ও লেয়ার মুরগীতে স্ট্রেস  খুবই মারাত্বক একটি ঘাতক হিসাবে দেখা দেয়। পরিবেশের কারণে, শরীর বৃত্তীয় কার্যকলাপের কারণে অথবা খামারীদের অজ্ঞতার কারণে মুরগী আমাদের অজান্তেই স্ট্রেসে পরে যায়। যার ফলে ঐ মুরগী থেকে কাঙ্খিত ফলাফল পাওয়া যায় না। পোল্ট্রি মুরগী খুবই সংবেদনশীল। সামান্য কারণেই স্ট্রেসে পরে। তাই সঠিক ব্যবস্থাপনার জন্য এটা জানা অবশ্যই জরুরী। মুরগী কি কারণে স্ট্রেসে পরে এবং তা থেকে উত্তোরণের উপায় কি?

ইরানের কৃষিতে অবাক করা উন্নতি

............সিরাজুল ইসলাম, তেহরান থেকেঃইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান বিশাল দেশ। আয়তনের দিক দিয়ে বাংলাদেশের প্রায় ১৩/১৪ গুণ বড়। তবে বিরাট অংশজুড়ে মরুভূমি। বাংলাদেশের মতো অতটা পলিযুক্ত উর্বর মাটি নেই এখানে। ইরানের দু পাশে রয়েছে দুটো সাগর-দক্ষিণে পারস্য উপসাগর আর উত্তরে কাস্পিয়ান সাগর। বেশিরভাগ জায়গায় পাহাড়। রাজধানী তেহরান তো পুরোটাই পাহাড়ের ওপর। ধুলোমাটি পাওয়াই দুষ্কর। পাথুরে মাটি।

খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায় ব্রি'র গৌরবময় ৪৭ বছর

কৃষিবিদ এম আব্দুল মোমিন:আবহমানকাল থেকে ধানকে এদেশের জাতীয় সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সম্প্রতি ইরি’র মাসিক মূখপত্র রাইস টুডে এক প্রতিবেদনে লিখেছে, বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা বলতে মূলত ধান বা চালের নিরাপত্তাকেই বোঝায়। ক্রিশ্চিয়ান সাইন্স মনিটর পত্রিকায় ২০১৫ সালে প্রকাশিত এক নিবন্ধে বলা হয়েছে, অতীতের তীব্র খাদ্য ঘাটতির বাংলাদেশ বর্তমানে উদীয়মান অর্থনীতির নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে, যা সম্ভব হয়েছে কেবল চাল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূণর্তা অর্জন বা খাদ্যশস্য উৎপাদনের লক্ষ্য পূরণের মাধ্যমে। ফলশ্রুতিতে এ অর্জনের ইতিবাচক মূল্যায়ন দেশে যেমন হচ্ছে, তেমনি হচ্ছে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলেও।

২০১৩ সালের এপ্রিল মাসে ব্রি পরিদর্শনে এসে বাংলাদেশে নিযুক্ত তৎকালীন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিও মজিনা খাদ্য নিরাপত্তায় এর অবদানের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে বলেছিলেন, অতীতের তলাবিহীন ঝুড়ি কীভাবে উদীয়মান অর্থনীতির নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হলো, সে প্রশ্নের উত্তর পেয়েছেন তিনি ব্রিতে এসে। বর্তমান স্বয়ংসম্পূর্ণতা বা উদ্বৃত্ত উৎপাদন একদিনে অর্জিত হয়নি; এর পেছনে রয়েছে সরকারের কৃষি বান্ধব নীতি, দেশের ধান বিজ্ঞানীদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা এবং কৃষকের নিরলস পরিশ্রম।

মানুষের পাঁচটি মৌলিক চাহিদার প্রথমটিই খাদ্য আর বাংলদেশ ৯০ভাগ লোকের প্রধান খাবার ভাত। কোন দেশের শিল্প, সাহিত্য, অর্থনীতি কিংবা রাজনীতি সবকিছুই নিয়ন্ত্রিত হয় এই খাদ্য নিরাপত্তা দিয়ে। দেশের জনসংখ্যা যখন ১৮কোটি, তখন এত মানুষের খাবারের যোগান দেয়া সহজ কথা নয়। অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও এই বিশাল চ্যালেঞ্জই গত ৪৭ বছর ধরে মোকাবেলা করে যাচ্ছে এদেশের খাদ্য নিরাপত্তার কান্ডারী বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)। বন্যার ধান, খরার ধান, লোনার ধান, শীত প্রধান অঞ্চলের ধান, জিংক সমৃদ্ধ ধান (বিশ্বেও প্রথম) ও হাইব্রিড ধানসহ গত ৪৭ বছরে  ৮৫টি ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে ব্রি। দেশের অন্নদাতা এই প্রতিষ্ঠানটির আজ ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। শুভ জন্মদিন ব্রি!।

১৯৭০ সালের ১লা অক্টোবর প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত সাড়ে চার দশকের বেশি সময় ধরে ব্রি এদেশের ক্রমর্বধমান জনসংখ্যার জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে অসামান্য অবদান রেখে চলেছে। বিগত চার দশকে আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পেলেও খাদ্য উৎপাদন বেড়েছে তিনগুণেরও বেশি। ১৯৭০-১৯৭১ সালে এদেশে চালের উৎপাদন ছিল মাত্র ১কোটি টন। ৪৭ বছরের ব্যবধানে আজ ২০১৭ সালে এসে দেশে যখন জনসংখ্যা প্রায় ১৮ কোটি। বর্তমানে চাল উৎপাদন হচ্ছে ৩ কোটি ৮৬ লক্ষ টনের বেশি। আগে যে জমিতে হেক্টরপ্রতি ২-৩ টন ফলন হতো এখন উফশী জাতের ব্যবহারের কারণে ফলন হচ্ছে ৬-৮টন। উৎপাদন গতিশীলতার এ ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৫০ সালে চালের উৎপাদন হবে ৪ কোটি ৭২ লাখ টন। বিপরীতে ২০৫০ সালে ২১ কোটি ৫৪ লাখ লোকের খাদ্য চাহিদা পূরণে চাল প্রয়োজন হবে ৪ কোটি ৪৬ লাখ টন। অর্থাৎ গত পাঁচ বছরের চালের উৎপাদন বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৫০ সালে দেশে ২৬ লাখ টন চাল উদ্বৃত্ত থাকবে। এটাই আপাতত টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনের অভীষ্ট লক্ষ্য, যা সামনে রেখে নিম্নোক্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কাজ করছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)।



ব্রি উদ্ভাবিত জাতের মধ্যে বোরো মৌসুমে সর্বাধিক ফলন ও কৃষক পর্যায়ে ব্যাপক জনপ্রিয় ব্রি ধান২৮ এবং ব্রি ধান২৯। আমন মৌসুমে অনুরূপ সফলতার নজির সৃষ্টি করেছে বিআর১১ জাতটি। এই জাতগুলোকে বলা হয় মেগা ভ্যারাইটি (বহুল ব্যবহৃত জাত)। সময়ের চাহিদার প্রেক্ষাপটে এই জাতসমূহের পরিপূরক অনেক জাত পরবর্তীতে উদ্ভাবন করা হয়েছে এবং মাঠ পর্যায়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বিশ্বের সর্বপ্রথম জিংক সমৃদ্ধ সমৃদ্ধ ধানের জাত (ব্রি ধান৬২), এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধান (বিআর৫), ডায়বেটিক ধানের (বিআর১৬)  জাত উদ্ভাবন এবং প্রো-ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ গোল্ডেন রাইসের জাত উন্নয়ন করে সারা বিশ্বের সুনাম অর্জন করেছেন ব্রির বিজ্ঞানীরা। বিশেষতঃ ব্রি উদ্ভাবিত বিআর১৬ এবং বিআর২৫ লো জি.আই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন জাত হওয়ায় এগুলোর ভাত ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য নিরাপদ। অনেকেই এই দুটি জাতকে ডায়বেটিক রাইস বলে থাকেন।

স্বল্প জীবনকালের রোপা আমন ধানের জাত ব্রি ধান৩৩ উদ্ভাবন করা হয় ১৯৯৭ সালে। দেশের উত্তরাঞ্চলে বিশেষ করে বৃহত্তর রংপুরে আমন মৌসুমে এ ধানের চাষাবাদ মরা কার্তিকে মঙ্গাজনিত মানবিক বিপর্যয় মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখছে। ব্রি ধান৬২ এর গড় জীবনকাল ব্রি ধান৩৩ এর চেয়েও কম (১০০ দিন)। ধান ফসলের জীবনকাল কমিয়ে আনার মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রে ব্রি’র সফলতার ধারায় এটি অন্যতম মাইল ফলক।

প্রাথমিক পর্যায়ে ব্রি’র গবেষণার উদ্দেশ্য ছিল অল্প জমি থেকে বেশী পরিমাণ ধান উৎপাদন করা। বর্ধিত জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা মেটানোই ছিল তখনকার মুল লক্ষ্য। বর্তমানে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় বেড়েছে সেই সঙ্গে মানুষের চাহিদা ও রুচির পরিবর্তন এসেছে । তাই উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি সরু-সুগন্ধি এবং রপ্তানীর উপযোগি প্রিমিয়াম কোয়ালিটির বেশ কয়েকটি জাত উদ্ভাবন করেছে ব্রি। ধান গবেষণায় যুগান্তকারী সাফল্যের ফলে ব্রিকে ইতিমধ্যে বাংলাদেশের জনগণ একটি অন্নদাতা প্রতিষ্ঠান হিসাবে স্বীকৃতি দান করেছে। ভিটামিন এ সমৃদ্ধ ধান, রক্ত শূণ্যতা ও  ডায়রিয়া রোগীদের জন্য উপকারী প্রায় ২০-২৪পিপিএম জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান৬২, ব্রি ধান৬৪ অবমুক্ত করার ফলে ব্রি অন্নদাতা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি পুষ্টিদাতা প্রতিষ্ঠান হিসাবেও স্বীকৃতি লাভ করছে।

ধান গবেষণায় ব্রি’র সাফল্য জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতি লাভ করেছে। ব্রি উদ্ভাবিত ধানের আবাদ দেশের সীমা ছাড়িয়ে বিদেশেও ছড়িয়ে পড়েছে। বেশ কিছু দেশে যেমন- ভারত, নেপাল, ভুটান, ভিয়েতনাম, মায়ানমার, চীন, কেনিয়া, ইরাক, ঘানা, গাম্বিয়া, বুরুন্ডি ও সিয়েরালিয়েনসহ অনেক দেশে ব্রি উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত ব্যবহার করছে। পৃথিবীর ১৪টি দেশে বর্তমানে ১৯ জাতের ব্রি ধানের আবাদ হচ্ছে। বিজ্ঞান ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ব্রি তিনবার স্বাধীনতা দিবস স্বর্ণপদক ও তিনবার রাষ্ট্্রপতির স্বর্ণপদক, দুইবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদকসহ জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক পর্যায়ে ২১টি পুরস্কার লাভ করেছে। দেশের মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায় ব্রির সাফল্যের এই ধারা অব্যাহত থাকুক প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এই কামনা করি।

লেখকঃ উর্ধ্বতন যোগাযোগ কর্মকর্তা, ব্রি, গাজীপুর।
মেইল:smmomin80@.com

সংসদে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট বিলের রিপোর্ট উপস্থাপন

কৃষি গবেষণা ডেস্ক: বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট বিল-২০১৭ এর ওপর কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির রিপোর্ট রবিবার সংসদে উপস্থাপন করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি মকবুল হোসেন বিলের রিপোর্টটি উপস্থাপন করেন। রিপোর্টে বিলটি সংশোধিত আকারে পাসের সুপারিশ করা হয়।বিলে গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা, এর কার্যালয় ও কেন্দ্র, ইনস্টিটিউট কার্যাবলী, কাউন্সিলের নির্দেশনা প্রতিপালনসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিধানের প্রস্তাব করা হয়েছে।