Friday, 23 February 2018

 

পুুষ্টি ও কর্মসংস্থানের পথ দেখাচ্ছে পোল্ট্রি শিল্প

এস এম মুকুল, কৃষি-অর্থনীতি বিশ্লেষক:আধুনিক বিশ্বে এখন পোল্ট্র্রি সহজলভ্য ও সুলভ প্রাণিজ আমিষের যোগানদাতা হিসেবে সকল ধর্ম-বয়স ও পেশার মানুষের কাছে অগ্রগণ্য। সঙ্গত কারণেই পুষ্টি সমৃদ্ধিতে পোল্ট্রির গুরুত্ব বাড়ছে আমাদের দেশেও। দেশীয় পুঁজি এবং দেশীয় উদ্যোগে গড়ে উঠা আমাদের পোল্ট্রি শিল্প ব্যাপক কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে নতুন বিপ্লবের পথ দেখিয়েছে। বাধাঁ-বিঘ্নতা পেরিয়ে পোল্ট্রি শিল্প আশার আলো ছড়িয়ে বহুমুখি সম্ভাবনার পথ উন্মোচন করছে। এই শিল্পে নিত্য-নতুন তরুণ উদ্যোক্তারা গড়ে তুলছেন ছোট-বড় খামার। তরুণদের উদ্ভাবনী মানসিকতা, মেধা, শ্রম ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে এ শিল্পে বিনিয়োগের চাকা ঘুরছে দ্রুত। আশা করা হচ্ছে ২০৩০ সালে এ শিল্পের ওপর নির্ভরশীল হয়ে উঠবে কমবেশি ১ কোটি মানুষ।

বলতে হবে কৃষি ও কৃষকের কথা

এস এম মুকুল:কৃষিকে বহুমুখীকরণে বাংলাদেশ এখন অনেক অগ্রগামী। কৃষি সেক্টরে ধান, পাটের পাশাপাশি মৎস্য ও পশু পালন, দুগ্ধ উৎপাদন, হাঁস-মুরগি পালন, নার্সারি, বনায়ন এবং কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্রশিল্পের দ্রুত প্রসার ঘটছে বাংলাদেশে। কাজেই কৃষি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। সেজন্য কৃষকের কথা বলতে হবে। কৃষকের কথা শুনতে হবে। কৃষক বাঁচলে কৃষি বাঁচবে। কৃষি বাঁচলে দেশ বাঁচবে।

বাকৃবি ও প্র্যাকটিক্যাল এ্যাকশন মধ্যে সমঝোতা স্মারক চুক্তি স্বাক্ষরিত

কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু,বাকৃবি থেকে: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়(বাকৃবি) এবং উন্নয়ন সংস্থা প্র্যাকটিক্যাল এ্যাকশণ এর মধ্যে গত ০৭ নভেম্বর ২০১৭ এক সমঝোতা স্মারক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতার ক্ষেত্র গুলো হচ্ছে গবেষণা ও উন্নয়ন সহযোগিতা, তথ্য, শিক্ষা ও বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা সংক্রান্ত সুযোগ সুবিধা বিনিময় এবং প্রদর্শনী, সেমিনার এবং ওয়ার্কশপ সংক্রান্ত তথ্য বিনিময় এবং সহযোগিতা, মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের মাঝে বাকৃবির সকল অনুষদীয় প্রযুক্তিসমূহ স্থানান্তর ইত্যাদি।

পোলট্রিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হোক বাংলাদেশ

:এস এম মুকুল:আমাদের পোল্ট্রি শিল্প দেশীয় পুঁজি এবং দেশীয় উদ্যোগে তিলে তিলে গড়ে উঠা একটি নতুন শিল্প ইতিহাস। এ শিল্পটির কল্যাণে একইসাথে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে উদ্যোক্তা তৈরি এবং গ্রামীণ মানুষের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে। এর পাশাপাশি শিল্পটি মাংস ও ডিম উৎপাদনের মাধ্যমে দেশের বিপুল বর্ধিষ্ণু জনশক্তির পুষ্টি চাহিদা মিটাচ্ছে। দেশে  তৈরী পোশাক শিল্পের পর এটি দ্বিতীয় বৃহত্তম কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী খাত।

মুঠোফোনেই সম্ভব সাংবাদিকতার কাজ

আবুল বাশার মিরাজ, বাকৃবি:সাংবাদিকতা করার জন্য কম্পিউটার লাগবে। ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ লাগবে। ছবি তোলার জন্য ডিএসএলআর ক্যামেরা লাগবে। আমি বলবো এগুলো না থাকলেও আপনি সাংবাদিকতা করতে পারবেন। আপনার কাছে এটি অবাক করা তথ্য হলেও দেশের অনেকগুলো জাতীয় পত্রিকা, অনলাইন, টিভি চ্যানেলের প্রতিনিধিরা মুঠোফোনে সংবাদ লেখা, ভিডিও ধারণ করে সাংবাদিকতার কাজটি চালিয়ে নিচ্ছেন। দ্রুত সংবাদ পৌঁছানোর চালেঞ্জ তারা গ্রহণ করেছেন।

সম্ভাবনাময় পোল্ট্রি শিল্পের বিকাশে প্রয়োজন সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা

এস এম মুকুল,কৃষি ও অর্থনীতি বিশ্লেষক, কলাম লেখক:সম্ভাবনাময় পোল্ট্রি শিল্পের বিকাশে প্রয়োজন সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা। সরকারের সহযোগিতাই পারে বেসরকারি উদ্যোগে জাগরিত এই শিল্পকে সমৃদ্ধ করে তুলতে। বিপরীতে এই শিল্পটিই দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সরকারের সহযোগি ভূমিকা রাখবে এতে কোনো সন্দেহ নেই।

জেনে রাখুন বাকৃবির ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি হয়না

আবুল বাশার মিরাজ, বাকৃবি:৪ নভেম্বর বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ২০১৭-১৮ শেসনের স্নাতক শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা। আসন্ন ভর্তি পরীক্ষা ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের রয়েছে কঠোর নজরদারি। শুধু প্রশাসনই নয় বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের প্রায় সকল সদস্যই রয়েছেন একজন জাগ্রত নিরাপত্তা কর্মী হিসেবে। অতীত ইতিহাস বলে এ বিশ্ববিদ্যালয়টিতে কোনবারেই ভর্তি জালিয়াতি, অসূদপায়, অনিয়ম, দূনীর্তি কিংবা প্রশ্ন ফাসের কোন ঘটনাটি ঘটেনার মাধ্যমে ভর্তি হতে পারেন নি। আমার মনে হয় এ বিশ্ববিদ্যালয়ের এরকম চ্যালেঞ্জ অনান্য বিশ্ববিদ্যালয়ও গ্রহণ করতে পারেন।

রোপা আমন ধানের সম্পূরক সেচ

কৃষিবিদ মোহাইমিনুর রশিদঃ সকলকে জাতীয় কৃষি দিবসের শুভেচ্ছা। ধান আমাদের দেশের প্রধান খাদ্য শস্য। আমাদের দেশে বছরব্যাপী পর্যায়ক্রমে বোরো, আউশ এবং আমন মৌসুমে ধান চাষ হয়ে থাকে। ধান উৎপাদনে রোপা আমন ধানের গুরুত্ব একটু আলাদাভাবে অপরিসীম। দেশের মোট ধানী জমির শতকরা ৬০ ভাগ জমিতে রোপা আমন চাষ করা হয় এবং মোট উৎপাদনের অর্ধেক পরিমাণ ধান আসে রোপা আমন আবাদ থেকে। তাই রোপা আমন ধানের ক্ষেত্রে একটু বিশেষ খেয়াল ও যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।

অশালীন দেওয়াল লেখায় সৌন্দর্য হারাচ্ছে বাকৃবি

অাবুল বাশার মিরাজ, বাকৃবি:বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) বিভিন্ন অনুষদের করিডোরে ও দেয়ালে, বিভিন্ন ছাত্র-ছাত্রীর হলের প্রবেশমুখে ও দেয়ালে লিখন ও পোস্টারের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য হারাতে বসেছে। দেয়াল লিখন ও পোস্টার লাগানোর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য বিনষ্টের প্রতিযোগিতা স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতেও একই অবস্থা। ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের মিলনায়তনের দেয়ালে লেখাই রয়েছে এখানে পোস্টার লাগানো নিষেধ। এরপরেও নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করেই সেখানে লাগানো হয়েছে পোস্টার। এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছেন বলেও অভিযোগ করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।