Wednesday, 15 August 2018

 

EFFICIENT USE OF EXPENSIVE ENERGY SOURCES IN BROILER DIETS

Partha Pratim Das, Azimul Haque and Chandrasekar S Kemin Industries South Asia Pvt Ltd
INTRODUCTION
Profitability of broiler industry depends upon its ability to manage cost of production. Feed contributes about 75 % of production costs. Enhancing the nutrient utilization to achieve maximum genetic potential became critical in broiler industry. Among the nutrients, fats and oils contributes high calorific value, in addition to improving feed quality and palatability. Fats are present mainly in the form of triglycerides which are primarily emulsified by bile salts and hydrolyzed by lipase enzyme into fatty acids, mono and di- glycerides. Lysophospholipids are a group of compounds which are commonly used as a feed additive to enhance the fat and other nutrient utilization.

সম্ভাবনাময় পোল্ট্রি শিল্পের বিকাশে প্রয়োজন সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা

এস এম মুকুল,কৃষি ও অর্থনীতি বিশ্লেষক, কলাম লেখক:সম্ভাবনাময় পোল্ট্রি শিল্পের বিকাশে প্রয়োজন সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা। সরকারের সহযোগিতাই পারে বেসরকারি উদ্যোগে জাগরিত এই শিল্পকে সমৃদ্ধ করে তুলতে। বিপরীতে এই শিল্পটিই দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সরকারের সহযোগি ভূমিকা রাখবে এতে কোনো সন্দেহ নেই।

স্পিরুলিনার প্রোটিন ব্যবহারে মাছ ও পোল্ট্রি খাদ্যের দাম প্রায় ৫০ শতাংশ কমানো সম্ভব

কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু বাকৃবি থেকে: সুস্বাদু ও পুষ্টিকর শৈবাল স্পিরুলিনা থেকে প্রাপ্ত প্রোটিন মাছ ও পোল্ট্রির খাদ্যে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ ব্যবহার করা সম্ভব। এতে লাভবান হবেন দেশের দরিদ্র খামারীরা এবং কমে আসবে দেশের আমদানী ব্যয়। মানুষের খাদ্য হিসেবে এর ব্যবহার রয়েছে বলে জানান স্পিরুলিনা গবেষক একোয়াকালচার বিভাগের প্রফেসর ড. মো. আহসান বিন হাবিব।

রোপা আমন ধানের সম্পূরক সেচ

কৃষিবিদ মোহাইমিনুর রশিদঃ সকলকে জাতীয় কৃষি দিবসের শুভেচ্ছা। ধান আমাদের দেশের প্রধান খাদ্য শস্য। আমাদের দেশে বছরব্যাপী পর্যায়ক্রমে বোরো, আউশ এবং আমন মৌসুমে ধান চাষ হয়ে থাকে। ধান উৎপাদনে রোপা আমন ধানের গুরুত্ব একটু আলাদাভাবে অপরিসীম। দেশের মোট ধানী জমির শতকরা ৬০ ভাগ জমিতে রোপা আমন চাষ করা হয় এবং মোট উৎপাদনের অর্ধেক পরিমাণ ধান আসে রোপা আমন আবাদ থেকে। তাই রোপা আমন ধানের ক্ষেত্রে একটু বিশেষ খেয়াল ও যত্ন নেওয়া প্রয়োজন।

পুুষ্টি ও কর্মসংস্থানের পথ দেখাচ্ছে পোল্ট্রি শিল্প

এস এম মুকুল, কৃষি-অর্থনীতি বিশ্লেষক:আধুনিক বিশ্বে এখন পোল্ট্র্রি সহজলভ্য ও সুলভ প্রাণিজ আমিষের যোগানদাতা হিসেবে সকল ধর্ম-বয়স ও পেশার মানুষের কাছে অগ্রগণ্য। সঙ্গত কারণেই পুষ্টি সমৃদ্ধিতে পোল্ট্রির গুরুত্ব বাড়ছে আমাদের দেশেও। দেশীয় পুঁজি এবং দেশীয় উদ্যোগে গড়ে উঠা আমাদের পোল্ট্রি শিল্প ব্যাপক কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে নতুন বিপ্লবের পথ দেখিয়েছে। বাধাঁ-বিঘ্নতা পেরিয়ে পোল্ট্রি শিল্প আশার আলো ছড়িয়ে বহুমুখি সম্ভাবনার পথ উন্মোচন করছে। এই শিল্পে নিত্য-নতুন তরুণ উদ্যোক্তারা গড়ে তুলছেন ছোট-বড় খামার। তরুণদের উদ্ভাবনী মানসিকতা, মেধা, শ্রম ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে এ শিল্পে বিনিয়োগের চাকা ঘুরছে দ্রুত। আশা করা হচ্ছে ২০৩০ সালে এ শিল্পের ওপর নির্ভরশীল হয়ে উঠবে কমবেশি ১ কোটি মানুষ।

বলতে হবে কৃষি ও কৃষকের কথা

এস এম মুকুল:কৃষিকে বহুমুখীকরণে বাংলাদেশ এখন অনেক অগ্রগামী। কৃষি সেক্টরে ধান, পাটের পাশাপাশি মৎস্য ও পশু পালন, দুগ্ধ উৎপাদন, হাঁস-মুরগি পালন, নার্সারি, বনায়ন এবং কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্রশিল্পের দ্রুত প্রসার ঘটছে বাংলাদেশে। কাজেই কৃষি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। সেজন্য কৃষকের কথা বলতে হবে। কৃষকের কথা শুনতে হবে। কৃষক বাঁচলে কৃষি বাঁচবে। কৃষি বাঁচলে দেশ বাঁচবে।

বাকৃবি ও প্র্যাকটিক্যাল এ্যাকশন মধ্যে সমঝোতা স্মারক চুক্তি স্বাক্ষরিত

কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু,বাকৃবি থেকে: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়(বাকৃবি) এবং উন্নয়ন সংস্থা প্র্যাকটিক্যাল এ্যাকশণ এর মধ্যে গত ০৭ নভেম্বর ২০১৭ এক সমঝোতা স্মারক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতার ক্ষেত্র গুলো হচ্ছে গবেষণা ও উন্নয়ন সহযোগিতা, তথ্য, শিক্ষা ও বৈজ্ঞানিক প্রকাশনা সংক্রান্ত সুযোগ সুবিধা বিনিময় এবং প্রদর্শনী, সেমিনার এবং ওয়ার্কশপ সংক্রান্ত তথ্য বিনিময় এবং সহযোগিতা, মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের মাঝে বাকৃবির সকল অনুষদীয় প্রযুক্তিসমূহ স্থানান্তর ইত্যাদি।

পোলট্রিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হোক বাংলাদেশ

:এস এম মুকুল:আমাদের পোল্ট্রি শিল্প দেশীয় পুঁজি এবং দেশীয় উদ্যোগে তিলে তিলে গড়ে উঠা একটি নতুন শিল্প ইতিহাস। এ শিল্পটির কল্যাণে একইসাথে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে উদ্যোক্তা তৈরি এবং গ্রামীণ মানুষের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে। এর পাশাপাশি শিল্পটি মাংস ও ডিম উৎপাদনের মাধ্যমে দেশের বিপুল বর্ধিষ্ণু জনশক্তির পুষ্টি চাহিদা মিটাচ্ছে। দেশে  তৈরী পোশাক শিল্পের পর এটি দ্বিতীয় বৃহত্তম কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী খাত।

মুঠোফোনেই সম্ভব সাংবাদিকতার কাজ

আবুল বাশার মিরাজ, বাকৃবি:সাংবাদিকতা করার জন্য কম্পিউটার লাগবে। ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ লাগবে। ছবি তোলার জন্য ডিএসএলআর ক্যামেরা লাগবে। আমি বলবো এগুলো না থাকলেও আপনি সাংবাদিকতা করতে পারবেন। আপনার কাছে এটি অবাক করা তথ্য হলেও দেশের অনেকগুলো জাতীয় পত্রিকা, অনলাইন, টিভি চ্যানেলের প্রতিনিধিরা মুঠোফোনে সংবাদ লেখা, ভিডিও ধারণ করে সাংবাদিকতার কাজটি চালিয়ে নিচ্ছেন। দ্রুত সংবাদ পৌঁছানোর চালেঞ্জ তারা গ্রহণ করেছেন।