Friday, 15 December 2017

 

অংছিনকে সম্বর্ধনা প্রদান করল ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস অ্যান্ড ফিশারিজ

সারোয়ার জ়াহান, আসমা আক্তার, ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস অ্যান্ড ফিশারিজ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে:গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ জুলাই ২০১৬ এর স্বর্ণপদকে ভূষিত দেশে কাঁকড়া চাষে বিপ্লব ঘটানো অংছিনকে সম্বর্ধনা প্রদান করল ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস অ্যান্ড ফিশারিজ।

১০ আগস্ট চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. এ. আর. মল্লিক ভবনের (প্রশাসনিক ভবন) সভাকক্ষে তাকে সম্বর্ধনা প্রদান করে ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস অ্যান্ড ফিশারিজ। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস অ্যান্ড ফিশারিজের পরিচালক প্রফেসর ড. মো:শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে উক্ত সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড.শিরীণ আখতার। আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার প্রফেসর ড. মো: কামরুল হুদা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মাননীয় উপাচার্য বলেন যে, দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে সফলভাবে কাঁকড়া চাষের পথিকৃ্ত অংছিন কে সম্বর্ধনা দিতে পেরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার আনন্দিত। জনাব অংছিন তার বক্তৃতায় বলেন, বিদেশে রপ্তানী করার উদ্দেশ্যে উপকূলীয় অঞ্চলে মানসম্মত কাঁকাড়া চাষ শুরু হয় ২০১০ সালে। তবে বাণিজ্যিক পদ্ধতিতে কাঁকড়া চাষে সফলতার মুখ দেখে ২০১১ সালের দিকে। আর তার এই কাজে  সাহায্য করে বাংলাদেশ মৎস্য অধিদপ্তর। এই অর্জন কে তিনি  শুধু নিজের নয় বরং পুরো ইনস্টিটিউট এর অর্জন হিসেবে দেখছেন।

সভাপতির বক্তৃতায় প্রফেসর ড. মো:শাহাদাত হোসেন বলেন যে অংছিন এর সাফল্যে মেরিন সায়েন্সেস পরিবার গর্বিত এবং নরম কোলস বিশিষ্ট কাঁকড়া  চাষে  তিনি বাংলাদেশর পথিকৃ্ত হয়ে থাকবেন।