Tuesday, September 22, 2026
বিশ্ব শান্তি দিবস ও রোটারি: সান ফ্রান্সিসকো থেকে প্রতিদিনের শান্তি
21, Sep 2026 | গবেষণা ও ফিচার

রোটারিয়ান ড. মো. হেমায়াতুল ইসলাম আরিফ
ভূমিকা
আজ, ২০২৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর, সোমবার, সারা বিশ্ব একসাথে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস পালন করছে। এই বছরের প্রতিপাদ্য "শান্তিতে বিনিয়োগ: সবার জন্য, সবখানে, প্রতিদিন" (Invest in Peace For Everyone, Everywhere, Every Day) কেবল একটি স্লোগান নয়, বরং এটি একটি কর্মের আহ্বান। এটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে শান্তি কেবল যুদ্ধের অনুপস্থিতি নয়, বরং নিরাপত্তা, মর্যাদা, সুযোগ ও সহযোগিতার সমন্বয়ে গঠিত একটি পূর্ণাঙ্গ পরিবেশ।

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস তাঁর এ বছরের বাণীতে উল্লেখ করেছেন যে, আমরা এমন এক বিশ্বে বাস করছি যেখানে "এই অমূল্য সম্পদ ভয়ংকরভাবে সংকটপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে" সহিংসতা ও বিভেদে কম্পিত সমাজ, ক্রমবর্ধমান আকার ও জটিলতায় সংঘাত, সংলাপের ক্ষয়িষ্ণু অবস্থা এবং "নিখোঁজ" বৈশ্বিক সংহতি। তবুও তিনি জোর দিয়ে বলেন, বিশ্বজুড়ে মানুষ প্রমাণ করছে যে "আমরা অসহায় নই।" স্বেচ্ছাসেবক, মানবাধিকারকর্মী, সুশীল সমাজের নেতা, শান্তিরক্ষী ও শান্তি নির্মাতারা বিভেদ দূর করছেন, সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ করছেন এবং সংলাপের জন্য চাপ দিচ্ছেন "একটি কাজের পর আরেকটি কাজ করে তারা তৃণমূল থেকে শান্তি নির্মাণ করছেন।"

এই "তৃণমূল থেকে শান্তি নির্মাণের" ধারণাটি রোটারি ইন্টারন্যাশনালের এক শতাব্দীর বেশি সময়ের সেবার চেতনার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। আর রোটারির সঙ্গে আন্তর্জাতিক শান্তি কাঠামোর সম্পর্ক জাতিসংঘের জন্মলগ্ন থেকেই শুরু।

জাতিসংঘের জন্মে রোটারির ঐতিহাসিক ভূমিকা
১৯৪২ সালের লন্ডন সম্মেলন: ইউনেস্কোর বীজ বপন
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা যখন বিশ্বকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছিল, তখন ১৯৪২ সালে ২১টি দেশের রোটারি ক্লাব লন্ডনে একটি সম্মেলন আয়োজন করে। এই সম্মেলনের বিষয় ছিল শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি। এই সম্মেলনই ১৯৪৬ সালে জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (UNESCO) প্রতিষ্ঠার ধারণাগত ভিত্তি তৈরি করে। এটি ছিল এক অসাধারণ দূরদর্শিতার প্রমাণ যুদ্ধের মধ্যেই শান্তির জন্য শিক্ষা ও সংস্কৃতির গুরুত্ব অনুধাবন করা।

১৯৪৩-১৯৪৪: জাতিসংঘ-পূর্ব পরামর্শ ও প্রচার
মস্কো এবং ডাম্বারটন ওকস-এ যুদ্ধকালীন পরিকল্পনা সভার পর, রোটারি শিক্ষামূলক পুস্তিকা প্রকাশ করে — যেমন "What Can Rotarians Do Following Dumbarton Oaks?" যা সদস্যদের বিশ্বশান্তি কাঠামো নিয়ে আলোচনা ও সমর্থন জানাতে সহায়তা করে। এই পুস্তিকাগুলো ছিল সাধারণ মানুষের কাছে জটিল কূটনৈতিক বিষয়গুলো সহজ ভাষায় পৌঁছে দেওয়ার একটি অনন্য উদাহরণ।

১৯৪৫ সালের সান ফ্রান্সিসকো সনদ সম্মেলন: ৪৯ জন রোটারিয়ানের অবদান
১৯৪৫ সালে, যখন বিশ্ব দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসাবশেষ থেকে নতুন বিশ্বব্যবস্থা গড়ার চেষ্টা করছিল, তখন রোটারি ইন্টারন্যাশনালকে আমেরিকার প্রতিনিধি দলের পরামর্শদাতা হিসেবে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। মাত্র ৪২টি বেসরকারি সংস্থার মধ্যে রোটারি ছিল অন্যতম। এটি কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না, এটি ছিল রোটারির দীর্ঘদিনের শান্তি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রতি প্রতিশ্রুতির স্বীকৃতি।

আরও তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, মোট ৪৯ জন রোটারি সদস্য জাতিসংঘ সনদ প্রণয়নের সময় ২৯টি বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি দলে সদস্য বা উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন। তাদের মধ্যে ছিলেন ফিলিপাইনের কার্লোস পি. রোমুলো, যিনি পরবর্তীতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হয়েছিলেন, এবং লেবাননের জোসেফ সালেম। ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত হয়।

এই ৪৯ জন রোটারিয়ানের অবদান কেবল পরিসংখ্যান নয়, এটি ছিল শান্তির প্রতি রোটারির দৃঢ় প্রতিশ্রুতির জীবন্ত প্রমাণ। তাঁরা শুধু আলোচনায় অংশ নেননি, বরং একটি নতুন বিশ্বব্যবস্থার ভিত্তি নির্মাণে সরাসরি ভূমিকা রেখেছেন।

যুদ্ধ-পরবর্তী জনশিক্ষা: ১৯৪৭-১৯৫২
সনদ স্বাক্ষরের পর রোটারি থেমে যায়নি। ১৯৪৭ থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত রোটারি ইন্টারন্যাশনাল মাসিক "Report on the U.N." প্রকাশ করে, যা বিভিন্ন ভাষায় ৫০,০০০ পাঠকের কাছে পৌঁছায়। এই প্রকাশনার উদ্দেশ্য ছিল নতুন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতি জনসমর্থন গড়ে তোলা। রোটারি ক্লাবগুলো স্থানীয় স্কুলে মক ইউএন (Mock UN) সেশন আয়োজন করত, যাতে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে শান্তি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার চেতনা বীজ বপন করা যায়। এই উদ্যোগগুলো ছিল গণতন্ত্র ও শান্তির শিক্ষার এক অনন্য মডেল।

আজকের রোটারি ও শান্তি
পরামর্শদাতা মর্যাদা
আজ রোটারি ইন্টারন্যাশনাল জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদে (ECOSOC) একটি বেসরকারি সংস্থার জন্য সর্বোচ্চ পরামর্শদাতা মর্যাদা (Consultative Status) ভোগ করে। এটি রোটারির বৈশ্বিক প্রভাব ও বিশ্বাসযোগ্যতার স্বীকৃতি।

বৈশ্বিক সহযোগিতা
রোটারি রিপ্রেজেনটেটিভ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে রোটারি বিভিন্ন জাতিসংঘ সংস্থার সঙ্গে বিশ্বস্বাস্থ্য (যেমন পোলিও নির্মূল), শিক্ষা, নিরাপদ পানি এবং শান্তি নির্মাণে কাজ করছে। পোলিওপ্লাস (PolioPlus) কর্মসূচি হলো রোটারি ও জাতিসংঘের যৌথ প্রচেষ্টার এক উজ্জ্বল উদাহরণ, যা বিশ্বকে পোলিওমুক্ত করার লক্ষ্যে কাজ করছে।

বাংলাদেশে রোটারির শান্তি প্রতিশ্রুতি
বাংলাদেশে এই প্রতিশ্রুতি সমানভাবে জীবন্ত। ২০২৬ সালের জুন মাসে, রোটারি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবে একটি সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে, যেখানে "মানবিক সেবা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ সুরক্ষা, মা ও শিশু স্বাস্থ্য, শান্তি নির্মাণ, যুব উন্নয়ন এবং সম্প্রদায় উন্নয়ন"-এ তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়। রোটারির ২০২৫-২০২৬ সালের ক্যালেন্ডারে ফেব্রুয়ারি মাসকে "শান্তি নির্মাণ ও সংঘাত প্রতিরোধ মাস" হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা শান্তির প্রতি রোটারির প্রতিশ্রুতির একটি প্রাতিষ্ঠানিক প্রকাশ।

২০২৬ সালের শান্তি দিবসের প্রতিপাদ্য: "শান্তিতে বিনিয়োগ"
২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক শান্তি দিবসের প্রতিপাদ্য  "শান্তিতে বিনিয়োগ: সবার জন্য, সবখানে, প্রতিদিন"  আমাদের সামনে তিনটি মৌলিক প্রশ্ন তুলে ধরে:

প্রথমত, "সবার জন্য" (For Everyone)
শান্তি কোনো বিশেষ গোষ্ঠী, জাতি বা ধর্মের একচেটিয়া সম্পত্তি নয়। এটি সবার জন্য শিশু, নারী, পুরুষ, বৃদ্ধ, প্রতিবন্ধী, উদ্বাস্তু, সংখ্যালঘু প্রত্যেকের জন্য। শান্তি তখনই অর্থবহ হয় যখন তা সমাজের প্রতিটি স্তরে পৌঁছায়। রোটারির "Service Above Self" দর্শন এখানেই প্রাসঙ্গিক যখন আমরা নিজের স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে অন্যের জন্য কাজ করি, তখনই শান্তি সবার জন্য বাস্তব হয়ে ওঠে।

দ্বিতীয়ত, "সবখানে" (Everywhere)
শান্তি কেবল যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে সীমাবদ্ধ নয়। এটি আমাদের ঘরে, স্কুলে, কর্মক্ষেত্রে, রাস্তায়, অনলাইনে সর্বত্র প্রয়োজন। পারিবারিক সহিংসতা, বুলিং, বৈষম্য, ঘৃণামূলক বক্তব্য, এগুলোও শান্তির শত্রু। রোটারি ক্লাবগুলো স্থানীয় সম্প্রদায়ে যে কাজ করছে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পানি, স্যানিটেশন, সেগুলো প্রকৃতপক্ষে শান্তির ভিত্তি নির্মাণ করছে।

তৃতীয়ত, "প্রতিদিন" (Every Day)
শান্তি একদিনের ঘটনা নয়, এটি প্রতিদিনের অঙ্গীকার। ২১ সেপ্টেম্বর কেবল একটি প্রতীকী দিন  প্রকৃত কাজ চলে সারা বছর। রোটারির ফেব্রুয়ারি মাস "শান্তি নির্মাণ ও সংঘাত প্রতিরোধ মাস" হিসেবে পালন করা এর একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। আমরা প্রতিদিন ছোট ছোট কাজ করি  একজন প্রতিবেশীকে সাহায্য করা, একটি শিশুকে শিক্ষিত করা, একটি পরিবারকে খাদ্য দেওয়া তখনই আমরা "প্রতিদিনের শান্তি স্থপতি" হয়ে উঠি।

"প্রতিদিনের শান্তি স্থপতি" ও রোটারি চেতনা
২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস বিশেষভাবে "প্রতিদিনের শান্তি স্থপতি" (Everyday Architects of Peace) — তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায় যারা স্থানীয় পর্যায়ে কাজ করছেন, স্থিতিশীলতার ভিত্তি স্থাপন করছেন এবং তৃণমূল থেকে স্থায়ী শান্তি নির্মাণ করছেন। জাতিসংঘ স্মরণ করিয়ে দেয় যে শান্তি "কেবল সম্মেলন কক্ষে নির্মিত হয় না এটি প্রত্যেকে, সবখানে, প্রতিদিন মিলে গড়ে তোলে।"

এটি রোটারি চেতনার সারমর্ম। রোটারির স্লোগান "Service Above Self" (আত্মার ঊর্ধ্বে সেবা) নিজেই একটি শান্তি দর্শন — এর অর্থ হলো অন্যকে নিজের আগে রাখা, সংঘাতের আগে সংলাপ, বিভেদের আগে সহযোগিতা। যখন একজন রোটারিয়ান সম্প্রদায়ে একটি টিকাদান কর্মসূচি আয়োজন করেন, যখন একজন রোটারিয়ান স্কুলে একটি সংলাপের আয়োজন করেন, যখন একজন রোটারিয়ান সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে মানবিক সহায়তা প্রদান করেন — তখন তাঁরা "শান্তিতে বিনিয়োগ" করছেন।
জাতিসংঘের আহ্বান অনুসারে, প্রত্যেকে শান্তিতে অবদান রাখতে পারেন:
•    অন্যকে সাহায্য করার জন্য সময় দেওয়া
•    ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য নিজের কণ্ঠস্বর ব্যবহার করা
•    প্রজন্ম-ব্যাপী "শান্তি বৃত্ত" (Peace Circle) সংলাপের আয়োজন করা
•    নিজের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে শান্তি ও আশার গল্প বলা
রোটারিয়ানরা ইতিমধ্যেই এই কাজগুলো করছেন — কখনো একটি সেবা প্রকল্পের মাধ্যমে, কখনো একটি শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে, কখনো একটি সম্প্রদায়ের নেতৃত্বের মাধ্যমে। তাদের প্রতিটি কাজই শান্তির বিনিয়োগ।

বাংলাদেশে শান্তি নির্মাণে রোটারির ভূমিকা
বাংলাদেশে রোটারি দীর্ঘদিন ধরে সেবা ও শান্তি নির্মাণে কাজ করছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে রোটারি ক্লাবগুলো শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পানি, স্যানিটেশন ও সম্প্রদায় উন্নয়নে কাজ করছে।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে শান্তি নির্মাণের অর্থ কেবল বড় রাজনৈতিক সংঘাত নয় এটি দারিদ্র্য দূরীকরণ, নারী empowerment, শিশুশ্রম বন্ধ করা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা করা, এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা। রোটারি বাংলাদেশ এই সব ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

২০২৬ সালের জুন মাসে রোটারি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সংবাদ সম্মেলনে যে প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়, তা হলো মানবিক সেবা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ সুরক্ষা, মা ও শিশু স্বাস্থ্য, শান্তি নির্মাণ, যুব উন্নয়ন এবং সম্প্রদায় উন্নয়ন। এই প্রতিশ্রুতি কেবল কথার কথা নয় এটি প্রতিদিনের কাজে প্রতিফলিত হয়।

উপসংহার
১৯৪৫ সালের সান ফ্রান্সিসকো সনদ সম্মেলনে ৪৯ জন রোটারিয়ানের অবদান থেকে শুরু করে ২০২৬ সালে বাংলাদেশের একটি সম্প্রদায়ে একজন রোটারিয়ানের আয়োজিত শান্তি সংলাপ পর্যন্ত শান্তির উত্তরাধিকার কখনো বিচ্ছিন্ন হয়নি। এটি ৮০ বছরের সময় ও স্থান অতিক্রম করেছে, বিশাল আন্তর্জাতিক সম্মেলন কক্ষ থেকে শুরু করে সাধারণ পাড়া-মহল্লার রাস্তা পর্যন্ত।

এই বছরের প্রতিপাদ্য আমাদের বলে: শান্তির জন্য "বিনিয়োগ" প্রয়োজন। আর রোটারি আমাদের বলে: সবচেয়ে ভালো বিনিয়োগ হলো মানুষের মর্যাদায়, সম্প্রদায়ের শক্তিতে, এবং প্রতিদিনের সাধারণ দিনে অসাধারণ সেবার হৃদয়ে।
শান্তিতে বিনিয়োগ করুন-সবার জন্য, সবখানে, প্রতিদিন।
Invest in Peace For Everyone, Everywhere, Every Day.
-লেখক: রোটারিয়ান ড. মো. হেমায়াতুল ইসলাম আরিফ, ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর, RIPSA, রোটারি পাবলিক ইমেজ কমিটি

Agrilife24 Logo

Agriculturist Md. Shafiul Azam, Editor & CEO
Dhaka Office: 141/4, Lake Circus, Kalabagan, Dhanmondi, Dhaka-1205.
Bogura Office: Hakim Son's House, Seujgari, Bogura-5800.
Email: info@agrilife24.com, editor@agrilife24.com, news@agrilife24.com
Contact: +880 2-48112812, Whatsapp: +880 1912-837-999

Social Share

© Agrilife24 . All Rights Reserved. Developed by Innovative Soft