Thursday, October 08, 2026
কৃষকের সংগ্রাম, সমৃদ্ধির ইতিহাস
07, Oct 2026 | গবেষণা ও ফিচার

সমীরণ বিশ্বাস:বাংলাদেশের অর্থনীতি, সমাজ ও সভ্যতার ইতিহাসের সঙ্গে কৃষকের জীবন ও সংগ্রাম গভীরভাবে জড়িত। এই ভূখণ্ডের মানুষের খাদ্য, অর্থনীতি ও জীবনযাত্রার ভিত্তি গড়ে উঠেছে কৃষিকে কেন্দ্র করে। অথচ যুগের পর যুগ কৃষককে তার উৎপাদিত ফসল, শ্রম ও অধিকার নিয়ে সংগ্রাম করতে হয়েছে। কখনো জমির অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য, কখনো খাজনা ও শোষণের বিরুদ্ধে, কখনো ন্যায্য মজুরি ও ফসলের ন্যায্যমূল্যের দাবিতে, আবার কখনো কৃষি উপকরণের ন্যায্য প্রাপ্যতার জন্য কৃষককে পথে নামতে হয়েছে। সেই সংগ্রামের ইতিহাসে রয়েছে আন্দোলন, প্রতিবাদ, আত্মত্যাগ এবং অনেক মানুষের জীবন বিসর্জনের ঘটনাও। কৃষকের এই সংগ্রাম কেবল অর্থনৈতিক অধিকারের সংগ্রাম নয়; এটি মর্যাদা, ন্যায়বিচার ও বেঁচে থাকার সংগ্রাম। কৃষক যখন মাঠে বীজ বপন করেন, তখন তিনি শুধু নিজের পরিবারের জন্য খাদ্য উৎপাদন করেন না, একটি দেশের খাদ্যনিরাপত্তা, অর্থনীতি ও ভবিষ্যতের ভিত্তিও নির্মাণ করেন। তাই কৃষকের অধিকার রক্ষা মূলত দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষারই অংশ।

সংগ্রামের ইতিহাসে কৃষক : উপমহাদেশের কৃষক সংগ্রামের ইতিহাস দীর্ঘ ও বহুমাত্রিক। জমিদারি ও ঔপনিবেশিক শোষণ, অতিরিক্ত খাজনা, ফসলের ওপর অন্যায্য দাবি এবং জমির অধিকারহীনতার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে কৃষক বিদ্রোহ ও আন্দোলন হয়েছে। নীলচাষের বিরুদ্ধে কৃষকের প্রতিরোধ থেকে শুরু করে তেভাগা আন্দোলন, নানামুখী কৃষক আন্দোলন, প্রতিটি ঘটনাই একটি বিষয় স্পষ্ট করেছে: কৃষককে দীর্ঘদিন অবহেলা করা গেলেও তার অধিকারবোধকে চিরদিন দমিয়ে রাখা যায় না। ইতিহাসের প্রতিটি কৃষক আন্দোলনের পেছনে ছিল কোনো না কোনো গভীর উপলব্ধি। একজন কৃষকের কণ্ঠ হয়তো একা ক্ষীণ; কিন্তু হাজার কৃষকের সম্মিলিত কণ্ঠ শক্তিশালী। ব্যক্তিগত বঞ্চনা যখন সম্মিলিত অভিজ্ঞতায় পরিণত হয় এবং সেই অভিজ্ঞতা যখন অধিকারচেতনার জন্ম দেয়, তখনই আন্দোলনের সৃষ্টি হয়। ইতিহাসের অনেক পরিবর্তনের পেছনে এই সম্মিলিত কৃষকচেতনার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কৃষকের সংগ্রাম তাই আমাদের শেখায়, উৎপাদনকারী মানুষের অধিকার উপেক্ষা করে কোনো সমাজ দীর্ঘমেয়াদে সমৃদ্ধ হতে পারে না।

বদলেছে কৃষি, বদলে গেছে সংগ্রাম: সময়ের সঙ্গে কৃষির ধরন বদলেছে। বাংলাদেশের কৃষি এখন আর কেবল লাঙল, গরু ও প্রচলিত কৃষি জ্ঞানের ওপর নির্ভরশীল নয়। আধুনিক জাত, যান্ত্রিকীকরণ, সেচব্যবস্থা, কৃষি উপকরণ, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং Internet of Things বা IoT কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রভাব কৃষিতেও স্পষ্ট। এখন মাটির তথ্য সংগ্রহ করে সার ব্যবস্থাপনা করা যায়, আবহাওয়ার পূর্বাভাস ব্যবহার করে কৃষি সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়, ছবি বিশ্লেষণের মাধ্যমে রোগ ও পোকামাকড় শনাক্ত করার প্রযুক্তি তৈরি হয়েছে। Big Data কৃষির বৃহৎ পরিসরের তথ্য বিশ্লেষণে সহায়তা করছে। কৃষিপণ্য বিপণনেও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার বাড়ছে। কিন্তু প্রযুক্তির অগ্রগতি কৃষকের সব সংগ্রামের অবসান ঘটায়নি। বরং সংগ্রামের ধরন পরিবর্তন করেছে। আজকের কৃষকের অন্যতম বড় প্রশ্ন, উৎপাদন খরচের সঙ্গে বাজারদরের সামঞ্জস্য কোথায়? কৃষক যখন বীজ, সার, সেচ, শ্রম ও পরিবহনে ক্রমবর্ধমান ব্যয় করেন, তখন ফসল বিক্রির সময় যদি ন্যায্যমূল্য না পান, তাহলে উৎপাদন বাড়লেও কৃষকের আয় নিশ্চিত হয় না। ফসলের দাম কমে গেলে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হন, আবার বাজারে একই পণ্যের দাম বেড়ে গেলে অনেক সময় তার সুফল কৃষকের কাছে পৌঁছায় না। উৎপাদক ও ভোক্তার মাঝখানে দীর্ঘ সরবরাহব্যবস্থা এবং মধ্যস্বত্বভোগীর বিভিন্ন স্তর কৃষকের ন্যায্য অংশকে সংকুচিত করতে পারে। ফলে কৃষক উৎপাদন করেন, ঝুঁকি নেন, কিন্তু মূল্য সংযোজনের বড় অংশ অন্য কোথাও জমা হয়। এটি শুধু কৃষকের সমস্যা নয়; এটি কৃষি অর্থনীতির কাঠামোগত সমস্যা।

তথ্যে কৃষকের অধিকার: বর্তমান সময়ে কৃষকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সংগ্রাম হলো সঠিক তথ্য ও জ্ঞান পাওয়ার অধিকার। কৃষিতে ভুল সিদ্ধান্তের মূল্য অনেক বেশি। ভুল জাত নির্বাচন, ভুল সময়ে বীজ বপন, অতিরিক্ত সার প্রয়োগ, অপ্রয়োজনীয় কীটনাশক ব্যবহার কিংবা রোগ-পোকা সম্পর্কে ভুল পরামর্শ, এসবের কারণে কৃষকের অর্থনৈতিক ক্ষতি হতে পারে। একসময় কৃষক প্রধানত অভিজ্ঞতা ও প্রচলিত জ্ঞানের ওপর নির্ভর করতেন। এখন সেই অভিজ্ঞতার সঙ্গে বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্য যুক্ত করা জরুরি। কৃষককে এমন একটি কৃষি সম্প্রসারণব্যবস্থা দিতে হবে যেখানে তিনি দ্রুত, নির্ভরযোগ্য এবং সহজবোধ্য কৃষি পরামর্শ পাবেন। ডিজিটাল কৃষি এখানে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। স্মার্টফোন, AI, IoT, আবহাওয়া তথ্য, মাটির তথ্য এবং ডিজিটাল বাজারব্যবস্থাকে কৃষকের হাতের নাগালে নিয়ে যেতে পারলে কৃষকের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বাড়বে। তখন কৃষক শুধু প্রযুক্তির ব্যবহারকারী থাকবেন না; তিনি হয়ে উঠবেন তথ্যনির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী উদ্যোক্তা।

জলবায়ু পরিবর্তন, নতুন সংগ্রাম: বাংলাদেশের কৃষকের সংগ্রামে জলবায়ু পরিবর্তন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। অনিয়মিত বৃষ্টি, অতিরিক্ত তাপমাত্রা, খরা, জলাবদ্ধতা, লবণাক্ততা, ঘূর্ণিঝড়, বন্যা এবং নতুন ধরনের রোগ-পোকার আক্রমণ কৃষির ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য কৃষক সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হলেও জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য তার দায় সবচেয়ে কম। তাই অভিযোজনের দায়ও শুধু কৃষকের ওপর চাপিয়ে দেওয়া যায় না। জলবায়ু-সহনশীল জাত, পানি ব্যবস্থাপনা, মাটির স্বাস্থ্য সংরক্ষণ, সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা, ফসল বৈচিত্র্য, কৃষি বীমা, আগাম সতর্কবার্তা এবং স্থানীয় আবহাওয়া তথ্য কৃষকের কাছে পৌঁছে দেওয়া এখন সময়ের দাবি। কৃষকের ভবিষ্যৎ সংগ্রাম তাই শুধু বেশি উৎপাদনের জন্য নয়; কম ঝুঁকিতে, কম খরচে এবং পরিবেশ রক্ষা করে উৎপাদনের জন্যও।

কৃষকের অধিকার প্রতিষ্ঠা: কৃষকের সংগ্রামকে আমরা অনেক সময় শুধু রাজপথের আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত করি। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় কৃষকের সংগ্রামের অর্থ আরও বিস্তৃত। সঠিক তথ্য জানা একটি সংগ্রাম। বিজ্ঞানভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়া একটি সংগ্রাম। ন্যায্যমূল্য দাবি করা একটি সংগ্রাম। মানসম্মত বীজ ও কৃষি উপকরণ পাওয়া একটি অধিকার। মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা করা একটি সংগ্রাম। অতিরিক্ত সার ও কীটনাশকের ব্যবহার কমানোও একটি সংগ্রাম। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন করা একটি সামাজিক দায়িত্ব। ডিজিটাল প্রযুক্তির সুবিধা কৃষকের কাছে পৌঁছে দেওয়াও কৃষকের ক্ষমতায়নের অংশ। অর্থাৎ কৃষকের সংগ্রাম এখন আর কেবল ‘দাবি আদায়ের’ সংগ্রাম নয়; এটি জ্ঞান, প্রযুক্তি, বাজার, পরিবেশ ও মর্যাদার ওপর নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম।

কৃষকের পাশে :  কৃষকের সমস্যা সমাধানের দায় শুধু কৃষকের নয়। কৃষক, কৃষিবিদ, কৃষি সম্প্রসারণকর্মী, গবেষক, প্রযুক্তিবিদ, নীতিনির্ধারক, উদ্যোক্তা, গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং সচেতন নাগরিক, সবার সম্মিলিত ভূমিকা প্রয়োজন। কৃষিবিদদের দায় হলো মাঠের বাস্তবতার সঙ্গে গবেষণা ও প্রযুক্তির সংযোগ ঘটানো। কৃষি সম্প্রসারণকর্মীদের দায় হলো নির্ভরযোগ্য পরামর্শ দ্রুত কৃষকের কাছে পৌঁছে দেওয়া। প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের দায় হলো কৃষকের উপযোগী সহজ ও সাশ্রয়ী প্রযুক্তি তৈরি করা। নীতিনির্ধারকদের দায় হলো কৃষকের উৎপাদন, বাজার ও আয়ের নিরাপত্তার জন্য কার্যকর নীতি তৈরি করা। গণমাধ্যমেরও রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। কৃষকের সাফল্যের গল্প যেমন তুলে ধরতে হবে, তেমনি কৃষকের বঞ্চনা, বাজারের অসঙ্গতি, কৃষি উপকরণের মান, জলবায়ু ঝুঁকি এবং কৃষি নীতির বাস্তব প্রভাব নিয়েও অনুসন্ধানী ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রয়োজন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কৃষকের কণ্ঠকে আরও শক্তিশালী করার সুযোগ তৈরি করেছে। তবে ভুল কৃষি তথ্য বা যাচাইহীন পরামর্শ যেন কৃষকের ক্ষতির কারণ না হয়, সেদিকেও সতর্ক থাকতে হবে।

কৃষককে উৎপাদক নয়, উদ্যোক্তা ভাবা: বাংলাদেশের কৃষির ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে কৃষককে আমরা কীভাবে দেখি তার ওপর। কৃষককে যদি শুধু খাদ্য উৎপাদনকারী হিসেবে দেখা হয়, তাহলে তার সম্ভাবনার একটি বড় অংশ অদৃশ্য থেকে যাবে। কৃষক একজন উদ্যোক্তা। তিনি জমি, শ্রম, পুঁজি, প্রযুক্তি ও প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করে মূল্য সৃষ্টি করেন। তাই তাকে উৎপাদন থেকে বাজার পর্যন্ত পুরো মূল্যশৃঙ্খলে শক্তিশালী করতে হবে। কৃষকের হাতে তথ্য থাকলে তিনি ভালো সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। ডিজিটাল বাজারে প্রবেশাধিকার থাকলে তিনি ক্রেতা খুঁজে নিতে পারবেন। সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সুযোগ থাকলে তিনি বাধ্য হয়ে কম দামে ফসল বিক্রি করবেন না। কৃষি ঋণ, বীমা ও প্রযুক্তির সহজলভ্যতা থাকলে ঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়বে।

সংগ্রাম থেকে সমৃদ্ধির পথে: কৃষকের সংগ্রামের ইতিহাস আসলে বাংলাদেশের সমৃদ্ধির ইতিহাসেরই আরেক নাম। কৃষক যতবার প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন, ততবার দেশের খাদ্য ও অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়ার পথ তৈরি হয়েছে। আজ আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত, কৃষককে সংগ্রাম করতে বাধ্য করার কারণগুলো কমিয়ে আনা। এমন একটি কৃষিব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে কৃষক ন্যায্যমূল্য পাবেন, সঠিক তথ্য পাবেন, মানসম্মত উপকরণ পাবেন, প্রযুক্তির সুবিধা পাবেন এবং জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় কার্যকর সহায়তা পাবেন। কৃষকের হাতে শুধু কোদাল, লাঙল বা আধুনিক যন্ত্র দিলেই হবে না; দিতে হবে তথ্যের শক্তি, প্রযুক্তির শক্তি এবং বাজারে ন্যায্য অংশগ্রহণের সুযোগ। কারণ কৃষকের শক্তি মানেই খাদ্যব্যবস্থার শক্তি। কৃষকের আয় বাড়া মানেই গ্রামীণ অর্থনীতির শক্তিশালী হওয়া। কৃষকের মর্যাদা বাড়া মানেই দেশের উৎপাদনশীল মানুষের মর্যাদা বৃদ্ধি।

আজও কৃষকের সংগ্রাম চলছে। তবে সেই সংগ্রামের ভাষা ও ধরন বদলেছে। একসময় কৃষক জমির অধিকার ও খাজনার বিরুদ্ধে লড়েছেন; আজ তিনি ন্যায্যমূল্য, উৎপাদন খরচ, জলবায়ু ঝুঁকি, মানসম্মত উপকরণ, সঠিক কৃষি তথ্য এবং প্রযুক্তিতে ন্যায্য প্রবেশাধিকারের জন্য লড়ছেন। আগামী দিনের কৃষক হয়তো রাজপথে কম, কিন্তু তথ্যের পর্দায়, ডিজিটাল বাজারে, প্রযুক্তির মাঠে এবং ন্যায্যতার দাবিতে আরও বেশি সক্রিয় থাকবেন। তার হাতে থাকবে স্মার্টফোন, মাটির তথ্য, আবহাওয়ার পূর্বাভাস, AI-ভিত্তিক পরামর্শ এবং বাজারের তথ্য। কিন্তু প্রযুক্তি যতই আধুনিক হোক, কৃষকের মূল দাবি একই থাকবে, শ্রমের মর্যাদা, উৎপাদনের ন্যায্যমূল্য এবং নিরাপদ ভবিষ্যৎ। কৃষকের সংগ্রাম তাই কেবল অতীতের ইতিহাস নয়; এটি বর্তমানের বাস্তবতা এবং ভবিষ্যতের পথনির্দেশ। যে দেশ কৃষকের শ্রমকে সম্মান করে, কৃষকের জ্ঞানকে মূল্য দেয় এবং কৃষকের অধিকার নিশ্চিত করে, সেই দেশই টেকসই সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যেতে পারে। কৃষকের সংগ্রাম থামবে না; থামবে শুধু বঞ্চনা। কৃষকের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হলেই সমৃদ্ধ হবে কৃষি, শক্তিশালী হবে অর্থনীতি, নিরাপদ হবে খাদ্য এবং এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।
-লেখক:কৃষি ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞ

Agrilife24 Logo

Agriculturist Md. Shafiul Azam, Editor & CEO
Dhaka Office: 141/4, Lake Circus, Kalabagan, Dhanmondi, Dhaka-1205.
Bogura Office: Hakim Son's House, Seujgari, Bogura-5800.
Email: info@agrilife24.com, editor@agrilife24.com, news@agrilife24.com
Contact: +880 2-48112812, Whatsapp: +880 1912-837-999

Social Share

© Agrilife24 . All Rights Reserved. Developed by Innovative Soft