ইসলামিক ডেস্ক :ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে ঈমানের পরেই নামাযের স্থান। নামায শুধু একটি ইবাদত নয়, এটি আল্লাহর সাথে বান্দার সরাসরি সংযোগ। কুরআনুল কারীমে ৮২ বারেরও বেশি স্থানে আল্লাহ তায়ালা নামায কায়েমের নির্দেশ দিয়েছেন। নিজে পড়ার পাশাপাশি পরিবার-পরিজন ও সমাজে নামায প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করার কথা বলা হয়েছে বারবার।
রাসুল (সাঃ) বলেন, "আমাদের ও কাফেরদের মধ্যে পার্থক্য হলো নামায। যে তা ছেড়ে দিল সে কুফরী করলো" (তিরমিজি)। "কিয়ামতের দিন বান্দার সর্বপ্রথম নামাযের হিসাব নেওয়া হবে। যার নামায ঠিক হবে, তার সব আমল ঠিক হবে" (তাবারানী)।আল্লাহ বলেন, "নিশ্চয়ই নামায অশ্লীল ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে" (সূরা আনকাবুত-৪৫)। সঠিকভাবে কায়েমকৃত নামায মানুষকে পাপ থেকে ফেরায়।
নামায শুধু একটি ইবাদত নয়, এটি আল্লাহর সাথে বান্দার সরাসরি সংযোগ। তাই দায়সারাভাবে নয়, আসুন আমরা নবীজির তরীকায়, সময়মতো নামায কায়েম করি। আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুন। আমিন।