মো : আমিনুল ইসলাম:রাজশাহীর পবা উপজেলার আলিমগঞ্জ ব্লকের গহমাবোনা গ্রামে ‘বারি মসুর-৮ এর উৎপাদন ও পুষ্টি’ বিষয়ক কৃষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি বিষয়ক এক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) উপজেলার আলিমগঞ্জ ব্লকের গহমাবোনা গ্রামে কৃষক- কৃষাণীদের নিয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ইম্প্রুভড নিউট্রিশন (গেইন) যৌথভাবে এ উঠান বৈঠকের আয়োজন করে ।
অনুষ্ঠানে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, রাজশাহী অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ড. মো. আজিজুর রহমান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, ঢাকার সরেজমিন উইংয়ের পরিচালক মো: ওবায়দুর রহমান মন্ডল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, রাজশাহী জেলার উপপরিচালক মোস্তফা কামাল হোসেন, সরেজমিন উইং, খামারবাড়ি, ঢাকার উপপরিচালক (মনিটরিং) ড. মো: আবু জাফর আল মুনছুর এবং রাজশাহী জেলার অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্ভিদ সংরক্ষণ) ড. আব্দুল মজিদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পবা উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি অফিসার আসফিয়া শারমিন, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো: রায়হান উদ্দিন এবং বিভিন্ন ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ।
অতিথিগণ বলেন, মসুর ডাল আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় উদ্ভিজ্জ আমিষের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। দেশে ডালের চাহিদা পূরণ, কৃষকের আয় বৃদ্ধি এবং পুষ্টিনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উন্নত জাতের মসুর ডালের আবাদ সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে বারি মসুর-৮ একটি সম্ভাবনাময় জাত। মসুর ডাল চাষে সঠিক সময়ে বীজ বপন, মানসম্মত বীজ ব্যবহার, জমির উপযোগী জাত নির্বাচন, সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগ এবং রোগবালাই ব্যবস্থাপনার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি কৃষকদের প্রচলিত চাষ পদ্ধতির পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি সম্পর্কে জানতে হবে এবং কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ অনুযায়ী চাষাবাদ করতে হবে। এতে উৎপাদন খরচ কমানোর পাশাপাশি ফলন ও কৃষকের মুনাফা বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে।
তাঁরা আরও বলেন, শুধু খাদ্যের পরিমাণ বাড়ালেই হবে না, খাদ্যের পুষ্টিমান নিশ্চিত করাও জরুরি। পরিবারের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় মসুর ডালসহ বিভিন্ন ধরনের ডাল, শাকসবজি, ফলমূল, ডিম, মাছ ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। কৃষিতে নারীদের অংশগ্রহণ ও পুষ্টিবিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমেও একটি সুস্থ, সবল ও পুষ্টিসমৃদ্ধ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
=====================