এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:বৃহস্পতিবার ১০ সেপ্টেম্বর যশোরের অভয়নগর উপজেলার সিদ্দিপাশা ইউনিয়নের ধুলগ্রাম নাইলের খাল মাইক্রো-ওয়াটারসেড পরিদর্শন করেছেন যশোর জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (উপসচিব) মো. রফিকুল হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুজন সরকার, যশোর হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক কৃষিবিদ দীপংকর দাস এবং অভয়নগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ লাভলী খাতুন।
পরিদর্শনকালে সলিডারিডাড নেটওয়ার্ক এশিয়া (SNA) যশোরের ম্যানেজার-রিজেনারেটিভ কৃষিবিদ ড. নাজমুন নাহার পুনঃখননকৃত মাইক্রো-ওয়াটারসেডের স্থানীয় পানি ব্যবহারকারী দলের সমন্বয়ে গঠিত নির্বাহী কমিটির সদস্য ও তথ্য বন্ধুদের সঙ্গে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পরিচয় করিয়ে দেন। এ সময় মাইক্রো-ওয়াটারসেডের কোষাধ্যক্ষ শাহিদুল ইসলাম, মোহর আলী ও ইউপি সদস্য মো. ইসমাইল হোসেন পুনঃখননের ফলে এলাকায় কৃষি ও মৎস্য উৎপাদনে সৃষ্ট ইতিবাচক পরিবর্তনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তারা জানান, মাইক্রো-ওয়াটারসেড পুনঃখননের ফলে পানি ব্যবস্থাপনার সুযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এর দুই পাড়ে কৃষি উৎপাদন ও চাষাবাদে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. রফিকুল হাসানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা মাইক্রো-ওয়াটারসেডের দুই পাড়ে বিদ্যমান বিভিন্ন ধরনের সবজি ক্ষেত ও ফসলের ফলন সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। মাঠের উৎপাদন পরিস্থিতি দেখে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন।
পরিদর্শনকালে কৃষকদের পক্ষে শাহিদুর রহমান মাইক্রো-ওয়াটারসেড থেকে উৎপাদিত কৃষিপণ্য নৌকা থেকে নামানো, গ্রেডিং ও সর্টিংয়ের সুবিধার্থে প্রধান সড়কের প্রান্তে একটি ঘাট ও সেড নির্মাণের প্রস্তাব দেন। প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে কৃষিপণ্য পরিবহন ও বাজারজাতকরণে স্থানীয় কৃষকরা আরও সুবিধা পাবেন বলে তিনি জানান। এ সময় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা মাইক্রো-ওয়াটারসেডের পাড়ে একটি বকুলের চারা রোপণ করেন।
মাইক্রো-ওয়াটারসেড পরিদর্শনকালে সলিডারিডাড নেটওয়ার্ক এশিয়ার সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার কৃষিবিদ ড. এস এম ফেরদৌস, জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশনের SAFAL for Integrated Water Resource Management (IWRM) প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক কৃষিবিদ মো. রুবেল আলী, প্রোগ্রাম অফিসার কৃষিবিদ রায়হানুল ইসলাম চৌধুরী, কৃষিবিদ শেখ মনিরুল ইসলাম, ট্রেনিং অফিসার কৃষিবিদ মো. হাসিন ইসমাম, ওয়াটার ক্লাস্টার অফিসার সুকুমার বিশ্বাস, ওয়াটার ক্লাস্টার ফ্যাসিলিটেটর মিহির সরকার ও নুরজাহান বেগম এবং স্থানীয় কৃষক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।