Monday, August 10, 2026

রাজশাহীতে উচ্চ ফলনশীল ও জিংক সমৃদ্ধ ‘ব্রি ধান ১০২’ এর মাঠ দিবস

06, Aug 2026 | ফারমার্স এন্ড ফার্মিং

RAJSHAHI

মো : আমিনুল ইসলাম:রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার রাজাবাড়ী এলাকায় পার্টনার প্রকল্প ও ব্রি অঙ্গের অর্থায়নে জিংকসমৃদ্ধ ধানের উৎপাদন ও পুষ্টিগুণ সম্পর্কে কৃষকদের অবগত করতে “জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান-১০২“ জাতের ফসল কর্তন ও মাঠ দিবস করা হয়েছে। 

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি), রাজশাহী আঞ্চলিক কার্যালয়ের সহযোগিতা ও বাস্তবায়নে উচ্চ ফলনশীল ব্রি ধান ১০২ জাতের ১৮ মে (সোমবার) বিকেলে ব্রি, রাজশাহী আঞ্চলিক কার্যালয়ের সিনিয়র বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ আনিসুজ্জামান এর  সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রি, রাজশাহী আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান এবং সিএসও ড. মোহাম্মদ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোঃ আলামিন হোসেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ব্রি, রাজশাহী আঞ্চলিক কার্যালয়ের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সাদিয়া আবেদীন ও সংশ্লিষ্ট  উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা।

স্থানীয় কৃষক মামুন ও সাব্বির হোসেন বলেন আমরা নিজেও “জিংক সমৃদ্ধ ব্রি ধান-১০২“ আবাদ করেছি। এই জাতটি আসলেই উচ্চ ফলনশীল এবং এতে রোগবালাইয়ের আক্রমণও অনেক কম হয়। জীবনকাল কিছুটা বেশি হলেও ১ বিঘা জমিতে প্রায়  ৩৩ মণ ফলন পেয়েছি, যা মিনিকেট (জিরা) ও ২৮ ধানের চেয়ে অনেক বেশি। তাঁরা আরো বলেন অপুষ্টি দূরীকরণে জিংকসমৃদ্ধ ধান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। 

প্রধান অতিথি বলেন, রাজশাহী অঞ্চলে বোরো মৌসুমে স্থানীয় ধানের জাত জিরা ও ২৮ ব্যাপকভাবে চাষাবাদ হয়। কিন্তু ব্রি ধান ১০২ একটি উচ্চ ফলনশীল ও জিংক সমৃদ্ধ আধুনিক ধানের জাত। প্রচলিত জাতগুলোর তুলনায় এই ধান বিঘা প্রতি প্রায় ৬ থেকে ৭ মণ বেশি উৎপাদন হয়। এতে রোগবালাইয়ের উপদ্রব যেমন কম, তেমনি চাষাবাদে সেচও কম লাগে। এর জীবনকাল সাধারণ ধানের চেয়ে ৫ থেকে ১০ দিন বেশি হলেও ধানটি জিংক সমৃদ্ধ হওয়ায় পরিবারের পুষ্টির চাহিদা মিটাবে যা আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। অনুষ্ঠানে স্থানীয় কৃষক-কৃষাণী উপস্থিত থেকে এই উচ্চ ফলনশীল ও জিংক সমৃদ্ধ জাতের ধান চাষাবাদ ও উপকারিতা সম্পর্কে  সম্যক ধারণা লাভ করেন। মাঠেই ধান কেটে ফলন পর্যবেক্ষণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সাদিয়া আবেদীন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোঃ আলামিন হোসেন। তাঁরা বলেন জিংক ধানের ভাত খেলে পুষ্টি ও মেধা- দুটোই বৃদ্ধি পায়। সঠিক পরিচর্যা করলে প্রতি বিঘায় ৩৩ থেকে ৩৫ মণ পর্যন্ত ফলন পাওয়া সম্ভব।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ব্রি, রাজশাহী আঞ্চলিক কার্যালয়ের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সুমানা হক। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কৃষি তথ্য সার্ভিসসহ, প্রেস ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কর্মীবৃন্দ।

Agrilife24 Logo

Agriculturist Md. Shafiul Azam, Editor & CEO
Dhaka Office: 141/4, Lake Circus, Kalabagan, Dhanmondi, Dhaka-1205.
Bogura Office: Hakim Son's House, Seujgari, Bogura-5800.
Email: info@agrilife24.com, editor@agrilife24.com, news@agrilife24.com
Contact: +880 2-48112812, Whatsapp: +880 1912-837-999

Social Share

© Agrilife24 . All Rights Reserved. Developed by Innovative Soft