এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় রেলস্টেশন এলাকার সামগ্রিক পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা এবং নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এক বিশেষ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পাস ক্লিন ইনিসি'যুব ক্যাব চবি'র উদ্যোগ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় রেলস্টেশন এলাকা ক্যাম্পাস ক্লিন ইনিসিয়েটিভ উদযাপিত কার্যক্রম পরিচালনা করেছে 'কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ' (ক্যাব) যুব গ্রুপ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
সম্প্রতি রেলস্টেশন এলাকার খাবারের দোকানসমূহে যুব ক্যাব চবি নিয়মিত তদারকি প্রক্রিয়ায় একটি দোকানের চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ পরিলক্ষিত হয়। এর প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল বডির হস্তক্ষেপে দোকানটি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং স্টেশনের পারিপার্শ্বিক পরিবেশকে আরও মানসম্মত ও মনোরম করার লক্ষ্যেই যুব ক্যাব চবি শাখা এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করে।
সোমবার দুপুর ১টায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় রেলস্টেশনে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সংগঠনের অর্ধশতাধিক স্বেচ্ছাসেবক স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। অভিযানের অংশ হিসেবে স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম, সংলগ্ন রেললাইন এবং আশেপাশের এলাকা থেকে যাবতীয় আবর্জনা অপসারণ করা হয়। এর পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য পরিবেশনের বিষয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও দোকানদারদের মধ্যে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী সকল স্বেচ্ছাসেবককে আয়োজকদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পরিচ্ছন্নতা সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়।
উক্ত পরিচ্ছন্নতা অভিযানের শুভ উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মোঃ শফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. কামরুল হোসেন। কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন যুব ক্যাব চবি শাখার সাধারণ সম্পাদক তানজিম আশরাফ রাতুল।
প্রধান ও বিশেষ অতিথি তাঁদের বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের এমন স্বতঃস্ফূর্ত ও সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। চবি প্রশাসন ভবিষ্যতে ক্যাব যুব গ্রুপের যেকোনো জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করে। একই সাথে স্টেশন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা স্থায়ী করতে অবিলম্বে পর্যাপ্ত ডাস্টবিন স্থাপনের গুরুত্ব তুলে ধরেন আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।
যুব ক্যাব চবি শাখার নেতৃবৃন্দ জানান, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ এবং পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তাঁদের এ ধরনের সামাজিক, জনসচেতনতামুলক ও স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।