সফল ও লাভজনক খামার ব্যবস্থাপনা নিয়ে কোটালীপাড়ায় খামারি সমাবেশ

Category: ফারমার্স এন্ড ফার্মিং প্রডাক্টস্ Written by Shafiul Azam

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:পোল্ট্রি, ডেইরি ও মৎস্য খাতে সফল ও লাভজনক খামার ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে কারিগরি জ্ঞান, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং মানসম্পন্ন ফিডের গুরুত্ব নিয়ে “সফল ও লাভজনক খামার ব্যবস্থাপনা” শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। "পুষ্টিরাজ ফিড" ব্র্যান্ড খ্যাত আরমান ফিডস এন্ড ফিশারিজ লিমিটেড-এর সৌজন্যে ৭ ফেব্রুয়ারী (শনিবার) সেমিনারটি আয়োজন করে মেসার্স মোল্লা এন্টারপ্রাইজ, পশ্চিমপাড়, কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবর্ষি মুখার্জি, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (নর্দান ও সাউদার্ন রিজিওন)। প্রধান আলোচক হিসেবে খামার ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেন ডা. সালাহ উদ্দিন শাকিল, সিনিয়র এজিএম (টেকনিক্যাল সার্ভিসেস)। তিনি খামারের উৎপাদন বাড়ানো, রোগ নিয়ন্ত্রণ, সঠিক ফিড ব্যবস্থাপনা এবং খরচ কমিয়ে লাভ বাড়ানোর বাস্তবভিত্তিক পরামর্শ প্রদান করেন।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে পোল্ট্রি, ডেইরি ও মৎস্য খাতে টিকে থাকতে হলে আধুনিক প্রযুক্তির পাশাপাশি মানসম্পন্ন ফিড ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। এ ক্ষেত্রে পুষ্টিরাজ ফিড (আরমান ফিডস এন্ড ফিশারিজ লিমিটেড) গ্রামীণ ও প্রান্তিক পর্যায়ে খামারিদের পাশে থেকে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে, যা খামারিদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় মোল্লা প্লাজা, পশ্চিমপাড়, কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জে। এতে প্রায় চার শতাধিক খামারি অংশগ্রহণ করেন। উপস্থিত খামারিরা জানান, এ ধরনের সেমিনার থেকে প্রাপ্ত জ্ঞান তাদের খামার পরিচালনায় বাস্তবভাবে কাজে লাগবে এবং উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সহায়ক হবে।

খামারিরা আরও মত প্রকাশ করেন যে, যদি বাজার ব্যবস্থাপনার উন্নতি করা যায় এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হয়, তাহলে প্রান্তিক পর্যায়ের খামারগুলোকেও সহজেই লাভজনক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। তারা এ ধরনের খামারি-বান্ধব কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন আব্দুল হান্নান মোল্লা, প্রোপ্রাইটর, মেসার্স মোল্লা এন্টারপ্রাইজ। খামার ব্যবস্থাপনার সার্বিক উন্নয়নে এ ধরনের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে গ্রামীণ অর্থনীতি ও প্রান্তিক খামারিদের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে উপস্থিত সবাই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।