
বাকৃবি প্রতিনিধি:বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উদ্যানতত্ত্ব বিভাগ ও কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের (কেজিএফ) যৌথ আয়োজনে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের চারা বিতরণ ও কৃষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

লিমা আক্তার:বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব দিন দিন স্পষ্ট হচ্ছে। গ্রীষ্মকালে দীর্ঘস্থায়ী তাপদাহ, অনিয়মিত বৃষ্টি ও হঠাৎ ঝড়ো আবহাওয়া মৎস্য খাতে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। বিশেষ করে এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত সময়কে মৎস্য খামারের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ধরা হয়। এ সময়ে পুকুরের পানির তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়, দ্রবীভূত অক্সিজেন (DO) কমে যায় এবং অ্যামোনিয়া ও অন্যান্য ক্ষতিকর গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। ফলে মাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়, খাদ্যগ্রহণ কমে এবং কখনো কখনো হঠাৎ মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে।

মোঃ গোলাম আরিফঃ ২৫ মার্চ ২০২৬ পাবনা সদর উপজেলার শানির দিয়ার গ্রামে বাংলাদেশের চর এলাকায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় পলিমালচিং পদ্ধতিতে সবজি চাষ প্রদর্শনীর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, পাবনা'র উপপরিচালক কৃষিবিদ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম প্রামাণিক।

Agrilife24.com:After working with smallholder farmers in coastal Bangladesh since 2020, East-West Seed Knowledge Transfer Foundation (EWS-KT) is excited to expand its services to the northwestern part of the country. With support from De Eik Foundation, EWS-KT is launching a 3-year project to build a climate-resilient and profitable vegetable value chain in the Barind Tract.

এগ্রিলাইফ প্রতিবেদক: পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার এস.এস ফিস ফিড-এর উদ্যোগে মৎস্য চাষ বিষয়ক এক কর্মশালা সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় প্রায় ৪০ জন মৎস্য খামারি অংশগ্রহণ করেন। খামারিদের আধুনিক ও লাভজনক মাছ চাষ সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দিতে এই কর্মশালার আয়োজন করে এজি এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এজি এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড-এর এজিএম সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং কৃষিবিদ নুরুদ্দিন ফয়সাল। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ডা. মোঃ শাহাদাত হোসেন, হেড অব টেকনিক্যাল, মোঃ নজরুল ইসলাম, এজিএম জোন-০২ এবং প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

এস এম মুকুল:হাওরাঞ্চলে অকাল বন্যার কারণে ফসলহানির ঝুঁকি মোকাবিলায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এসেড হবিগঞ্জ(ASED HABIGONJ)-এর উদ্যোগে জাপানের শেয়ার দ্যা প্ল্যানেট এসোসিয়েশন এবং জাপান ফান্ড ফর গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট (জেএফজিই) এর অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এনরিচ(ENRICH) প্রকল্প-এর আওতায় সুনামগঞ্জ জেলাধীন শান্তিগঞ্জ উপজেলার হাওরাঞ্চলে উন্নত ধান জাতের প্রদর্শনী প্লট স্থাপন করা হয়েছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো স্থানীয় কৃষকদের কাছে বাস্তবভিত্তিকভাবে উন্নত ধানের জাতের কার্যকারিতা প্রদর্শন করা এবং তাদেরকে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করা।

সমীরণ বিশ্বাস:কৃষকের মূল চালিকাশক্তি: কৃষক কার্ড ও বাংলাদেশের কৃষির নতুন দিগন্ত। বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। এ দেশের অর্থনীতি, সংস্কৃতি এবং গ্রামীণ জীবনের মূল ভিত্তি হলো কৃষি। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ সরাসরি বা পরোক্ষভাবে কৃষির সাথে জড়িত। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা থেকে শুরু করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সব ক্ষেত্রেই কৃষির অবদান অপরিসীম। তাই বলা যায়, কৃষিই বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। আর এই কৃষিকে টিকিয়ে রাখতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন কৃষক। কিন্তু কৃষকের মুখে হাসি না ফুটলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন কখনোই সম্ভব নয়। বর্তমান সময়ে কৃষকের বিভিন্ন সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা দূর করতে সরকার নানা উদ্যোগ গ্রহণ করছে। এর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি উদ্যোগ হলো “কৃষক কার্ড” চালু করা। এই কৃষক কার্ড কৃষকদের জন্য একটি পরিচয়পত্রের মতো হলেও এর কার্যকারিতা অনেক বিস্তৃত। এটি শুধু পরিচয় নয়, বরং কৃষকদের জন্য বিভিন্ন সুবিধা ও সেবার একটি একক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।