
মো. জুলফিকার আলী: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, সিলেট অঞ্চল, সিলেট এর আয়োজনে সিলেট নগরীর হোটেল মেট্রা ইন্টান্যাশনাল এর সম্মেলন কক্ষে সিলেট অঞ্চলে কর্মরত বিসিএস (কৃষি) ক্যাডার কর্মকর্তাগণের সাথে মহাপরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, ঢাকা মহোদয়ের মতবিনিময় সভা ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত মতবিনিময় সভায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, সিলেট অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ ড. মো. মোশাররফ হোসেন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ মো. আব্দুর রহিম। তিনি বক্তব্যে বলেন, সিলেটের প্রতিটি জমিকে উপযোগীতা অনুযায়ী চাষের আওতায় আনতে হবে। দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির লক্ষ্যে জমির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিতে চাষাবাদ বাড়াতে হবে। কৃষি ও কৃষকের সাফল্য মানেই দেশের উন্নয়ন।
তিনি আরোও বলেন, নির্দিষ্ট এক ফসল নয় বরং মিশ্র বাগান তৈরী সহ ফল-সবজি একত্রে চাষ ও পারিবারিক পুষ্টি বাগান তৈরী করে কৃষকের পাশাপাশি কৃষাণীরা সাবলম্বী হচ্ছে। তিনি সিলেটর কৃষি উন্নয়নে সততা নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনে সংশ্লিষ্টদের আরো মনোযোগী হওয়ার আহবান জানান।
সিলেট অঞ্চলে কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ডিএই’র জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত বিসিএস (কৃষি) কর্মকর্তাগ এবং এসসিএ, এআইএস, হর্টিকালচার সেন্টার ও এটিআই এর কর্মরত বিসিএস (কৃষি) কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভার পূর্বে অতিরিক্ত পরিচালকের কার্যালয়ে ও উপপরিচালকের কার্যালয়ের প্রশিক্ষণ হলরুমে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প (১ম সংশোধিত ) আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের সিলেট অঞ্চরে আবাদ উপযোগি উচ্চ মূল্যের ফসল ও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন বিষয়ক ০২ (দুই দিন) ব্যাপী উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণদের প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করেন- মহাপরিচালক কৃষিবিদ মো. আব্দুর রহিম।
মতবিনিময় সভার পরে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প (১ম সংশোধিত) এর আওতায় সিলেট জেলার জৈন্তাপুরের উমনপুর গ্রামে ও গোয়াইনঘাটে প্রকল্পভূক্ত উপকারভোগী কৃষক-কৃষণীদের সাথে উম্মুক্ত মতবিনিময় করেন। কৃষকদের সাথে মতবিনিময় কালে তিনি বলেন-কৃষকরা ফসলে ইচ্ছে মতো মাত্রাতিরিক্ত সার ব্যবহার করেন। পেঁয়াজ, সরিষা, গমসহ প্রতিটি ফসলে সঠিক পরিমাণে সার ব্যবহার করতে হবে, মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জৈব সার ব্যবহারের প্রতি অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত আছে এবং থাকবে। ভবিষ্যতে আধুনিক চাষাবাদে আরও নতুন নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।