
এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আলিমুল ইসলাম বলেছেন, কৃষি শিক্ষা ও গবেষণায় নেতৃত্ব দিবে সিকৃবি’র শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও গবেষকবৃন্দ। তিনি বলেন, সিকৃবিকে সেন্টার অব এক্সিলেন্স হিসেবে গড়ে তুলতে হলে সরকারী-বেসরকারী পর্যায়ে সহযোগিতা প্রয়োজন। ১৮ জানুয়ারি (রবিবার) জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (এনএসটি) ফেলোশিপে খাদ্য ও কৃষি বিজ্ঞান গ্রুপে সারা দেশের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকারী সিকৃবি’র মেধাবী শিক্ষার্থী রিদিমা আক্তার রিয়া ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আলিমুল ইসলাম এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেন।
এসময় তিনি তাকে অভিনন্দন জ্ঞাপন করে তার সফলতা কামনা করেন। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে সিকৃবি’র শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণায় দেশের মধ্যে শীর্ষস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হবে।
সম্প্রতি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলাফল থেকে জানা যায় সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাৎসবিজ্ঞান অনুষদের , ফিশ হেলথ ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্টের , ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রিদিমা আহমেদ রিয়া জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (এনএসটি) ফেলোশিপে খাদ্য ও কৃষি বিজ্ঞান গ্রুপে সারা দেশের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন । তার গবেষণার বিষয় বস্তু ছিল তেলাপিয়া (Oreochromis niloticus) মাছে Aeromonas hydrophila এবং Streptococcus agalactiae এর বিরুদ্ধে বায়োফিল্ম-ভিত্তিক দ্বিযোজী মৌখিক টিকার রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা এবং সুরক্ষামূলক কার্যকারিতা মূল্যায়ন ।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, রিদিমা তার শিক্ষা জীবনে সবসময়ই প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। এবারের ফেলোশিপে তার গবেষণার বিষয়টি বিচারকদের বিশেষ নজর কেড়েছে। যার ফলে সারা দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে তিনি শীর্ষস্থান দখল করেন।
আগামীতে উচ্চতর গবেষণা সম্পন্ন করে দেশের কৃষি বিপ্লবে সরাসরি ভূমিকা রাখার স্বপ্ন দেখছেন এই তরুণ গবেষক। নিজের এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত রিদিমা বলেন,” জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (NST) ফেলোশিপ ২০২৫–২০২৬ অর্থবছরে খাদ্য ও কৃষি বিজ্ঞান শাখায় নির্বাচিত হওয়া অত্যন্ত সম্মানের। মেধা তালিকায় শুরুতে অবস্থান করা নিঃসন্দেহে একটি আনন্দদায়ক বিষয়। আমি এখনো একজন শিক্ষার্থী, শেখার পর্যায়ে আছি আমার জানার পরিধি সীমিত, এখনো অনেক কিছু শেখার বাকি আছে। বর্তমানে আমি মাছের স্বাস্থ্য ও রোগ প্রতিরোধে বায়োফিল্মভিত্তিক ভ্যাকসিন–সংক্রান্ত একটি প্রয়োগধর্মী গবেষণায় কাজ করছি।
মূলত গবেষণার মৌলিকত্ব, মেধা তালিকা এবং উপস্থাপনার ভিত্তিতে প্রতিবছর এনএসটি ফেলোশিপ প্রদান করা হয়।
উল্লেখ্য, এ বছর সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫ জন এনএসটি ফেলোশিপের জন্য আবেদন করেন এবং ১৬৭ জন শিক্ষার্থী এ ফেলোশিপ অর্জন করেন ।