জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে ক্যাম্পাস জুড়ে প্রচারণা চালাচ্ছে বাকৃবি ছাত্রদল

Category: কৃষিবিদ ও ক্যাম্পাস Written by Shafiul Azam

বাকৃবি প্রতিনিধিঃজ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অপচয় রোধে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ক্যাম্পাসে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। সংগঠনটির আহ্বায়ক কৃষিবিদ মো আতিকুর রহমানের উদ্যোগে ক্যাম্পাসজুড়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় বিষয়ে সচেতনতামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

আজ শনিবার (১৪ মার্চ) কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল, অনুষদ, একাডেমিক ভবন এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয় সংক্রান্ত বিভিন্ন স্লোগান, পোস্টার ও বার্তা প্রচার করা হয়।

পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের অপ্রয়োজনীয়ভাবে বৈদ্যুতিক বাতি, ফ্যান ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার বিভিন্ন দোকানপাট ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকেও বিদ্যুৎ ব্যবহারে সংযমী হওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে।

প্রচারণায় ব্যবহৃত স্লোগানগুলোর মধ্যে রয়েছে `ক্যাম্পাসে গড়ি নতুন রীতি, অপচয় নয় সাশ্রয় নীতি', `বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ শক্তি, জ্বালানি সাশ্রয় আমাদের নীতি', `হলের প্রতিটি সুইচ বলে অপচয় নয়, সাশ্রয়ই চলে', `হল থেকে ক্লাস বিদ্যুৎ সাশ্রয় হোক সর্বত্র প্রকাশ', `হলের রুমে অযথা আলো নয়, সাশ্রয়েই ক্যাম্পাস জয়', `হল থেকে শুরু হোক পথ, বিদ্যুৎ সাশ্রয় হোক সবার শপথ' এবং `ক্যাম্পাসের প্রতিটি প্রাণ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে রাখুক অবদান'।

শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা জানান, বর্তমানে জ্বালানি সংকট এবং বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে যদি সাশ্রয়ের অভ্যাস গড়ে তোলা যায়, তবে তা ভবিষ্যতে বৃহত্তর সমাজেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

এ বিষয়ে বাকৃবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কৃষিবিদ মো আতিকুর রহমান বলেন, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয় কেবল একটি অর্থনৈতিক বিষয় নয়, এটি আমাদের জাতীয় দায়িত্বও। ছোট ছোট সচেতনতা থেকেই বড় পরিবর্তন সম্ভব। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই ভবিষ্যতের নেতৃত্ব দেবে। তাই তাদের মধ্য থেকেই সাশ্রয়ের এই সংস্কৃতি গড়ে তোলা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, দেশনায়ক তারেক রহমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের বিষয়ে যে দিকনির্দেশনা প্রদান করছেন, তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা তৈরির জন্য আমরা এই কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। আমরা চাই ক্যাম্পাস থেকেই একটি ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা হোক।