
এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম:মিরপুরের বৈশাখী বন্ধুত্বের রংধনু আয়োজিত অনুষ্ঠানটি সকালের পাঁচ পদ ভর্তাসহ পান্তা ভাতের নাস্তা হতে শুরু হয় এরপর সকাল ১১ টায় কয়েকটি দেশী ফল আর দুপুরে দেশীয় কালচারের চিকন চালের ভাতের সাথে দেশীয় পদ্ধতিতে গরুর মাংসসহ ভর্তা ডাল, সবজী, কচু ইলিশ রান্না ছিল মনে রাখার মত খাবার। আর সর্বশেষ ছিল দই ও খাঁটি ছানার রসগোল্লা যা ওস্তাদের দাওয়ার মত।
অনুষ্ঠানের ফাঁকে ফাঁকে ছিল ডাঃ সাইফুলের কদমা, বাতাসা, মুড়ালি, খই এর ঝুরি এগিয়ে দেয়া যা ছিল মেহমানদারি এক অসাধারণ নজির। আর সুমধুর কন্ঠে সব শিল্পীর পুরানো দিনের মন মাতানো গান যা সাথে প্রফেসর ড. সাবিহা ও মাকসুদের উপস্থাপনা ছিল এক কথায় অসাধারণ।
সকাল হতেই রঙে রঙিন হয়ে নারী পুরুষের কলরব, আড্ডায় মূখর হয়ে ওঠে বন্ধু নরুল ইসলামের বসন্ত বিলাস। তসলিম, সাদিক, ডাঃ সাইফুল, রতন, জসিম, লিলি, শামীমা নাসরীনসহ সকলের অক্লান্ত পরিশ্রমে মনো মুগ্ধকর, পরিপাটি একটি অনুষ্ঠান হয়েছে। চমৎকার গান, আমন্ত্রিত শিল্পীদের পরিবেশনা, কবিতা আবৃত্তি, কৌতুক সকলের সশ্রদ্ধ দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

খাওয়া-দাওয়া ও অনুষ্ঠানের অনুভবের গাঢ় আনন্দে ভেসে ভেসে বিকেল গড়িয়ে এলো। লটারির র্যাফেল ড্র হলো, যারা ভাগ্যবান, লটারীর গিফট বগলের তলে নিয়ে ফেরত গেলেন। অপূর্ব আয়োজন শেষে বর্ষ বরণের অপার আনন্দে ভেসে গেল সকলে।
পহেলা বৈশাখের প্রোগ্রাম, বহুদিন পর সকলের মন কেটেছে ও স্মৃতির মধ্যে গেঁথে থাকবে বলে জানান উপস্থিত সকলে।