এগ্রো-টেক শিল্পে গুরুত্ব দিলে কর্মসংস্থান বাড়বে: ইউজিসি সদস্য ড. মামুন

এগ্রিবিজ এন্ড টেক
Typography
  • Smaller Small Medium Big Bigger
  • Default Helvetica Segoe Georgia Times

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকমঃকৃষিপ্রযুক্তিভিত্তিক (এগ্রো-টেক) শিল্পের সম্প্রসারণ ঘটাতে পারলে দেশে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন।

তিনি বলেছেন, কৃষি গবেষণা, প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবন এবং কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে কুড়িগ্রামের মতো কৃষিসমৃদ্ধ জেলার আর্থসামাজিক উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করা সম্ভব।

সোমবার (২৭ জুলাই) কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ‘খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কৃষির ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। 

অধ্যাপক আব্দুল্লাহ-আল-মামুন বলেন, কৃষি ও কৃষিপ্রযুক্তি খাতে সরকারের বিনিয়োগের সুফল শিক্ষার্থী, গবেষক ও তরুণ উদ্যোক্তাদের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। কৃষিভিত্তিক শিল্পের পাশাপাশি কৃষি পর্যটনের সম্ভাবনাও কাজে লাগাতে হবে।

পৃথক সভায় কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য ভূমি নির্বাচন বিষয়ে স্থানীয় অংশীজনদের সঙ্গে আয়োজিত সমন্বয় সভায় ইউজিসি সদস্য ড. মামুন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য জমি নির্বাচনে স্বচ্ছতা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, কৃষি উৎপাদনে ব্যবহৃত তিন বা এক ফসলি জমি অধিগ্রহণ না করে খাস জমিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। একই সঙ্গে সহজ যোগাযোগব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং জমি অধিগ্রহণকে কেন্দ্র করে কৃত্রিমভাবে মূল্যবৃদ্ধির প্রবণতা রোধের ওপরও জোর দেন তিনি।


ইউজিসি সদস্য বলেন, রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে জেলার সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। চলতি বছরের মধ্যেই স্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য জমি নির্বাচন চূড়ান্ত করার লক্ষ্য নিয়ে ইউজিসি কাজ করছে বলে তিনি জানান।

সমন্বয় সভার আগে অধ্যাপক আব্দুল্লাহ-আল-মামুন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত স্থায়ী ক্যাম্পাসের সম্ভাব্য স্থানগুলো পরিদর্শন করেন। পরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং স্থানীয় উচ্চশিক্ষাসংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথের সভাপতিত্বে সভায় কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার এবং স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।