এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম: চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) ডিভিএম (ডক্টর অব ভেটেরিনারি মেডিসিন) ইন্টার্ন শিক্ষার্থীদের সক্ষমতা বৃদ্ধি বিষয়ক তিন দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আজ বুধবার শেষ হয়েছে। সিভাসু’র পোল্ট্রি রিসার্চ ও ট্রেনিং সেন্টার (পিআরটিসি) ‘Inception training on capacity building for DVM intern students’ শীর্ষক উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করে।   

গত সোমবার সিভাসু অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক (বহিরাঙ্গন কার্যক্রম) প্রফেসর ড. এ. কে. এম. সাইফুদ্দিন। সভাপতিত্ব করেন পরিচালক (পিআরটিসি) প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেনে পিআরটিসি’র ল্যাব ইনচার্জ এবং ফিজিওলজি, বায়োকেমিস্ট্রি ও ফার্মাকোলজি বিভাগের প্রফেসর ড. মো: সোহেল আল ফারুক। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন পিআরটিসি’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন। 

তিন দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ডিভিএম-এর ৮৫ জন ইন্টার্ন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।    

বাকৃবি প্রতিনিধি:কৃষি প্রযুক্তি প্রচার ও প্রসারে বিশেষ অবদান রাখায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস) প্রবর্তিত ‘বাউরেস কৃষি সাংবাদিকতা অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’ পেয়েছেন মো. আমান উল্লাহ।
 
শনিবার (৯ মে) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত বার্ষিক গবেষণা অগ্রগতি কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
 
অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) বাংলাদেশের প্রতিনিধি ড. জিয়াকুন সি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাউরেসের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. হাম্মাদুর রহমান।
 
পুরস্কারপ্রাপ্ত মো. আমান উল্লাহ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (বাকৃবিসাস) সহ-সভাপতি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কৃষিভিত্তিক গবেষণা, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের খবর সাধারণ মানুষের কাছে সহজভাবে পৌঁছে দিতে কাজ করে আসছেন। বর্তমানে তিনি একটি জাতীয় দৈনিকে বাকৃবি প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং বিভিন্ন কৃষিভিত্তিক ম্যাগাজিনেও লেখালেখি করছেন।
 
পুরস্কার প্রাপ্তির অনুভূতি প্রকাশ করে মো. আমান উল্লাহ বলেন, কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতি ও মানুষের জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। কৃষি ও গবেষণার সংবাদ সাধারণ মানুষের কাছে সহজভাবে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। এই স্বীকৃতি ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীল ও তথ্যভিত্তিক কৃষি সাংবাদিকতা করতে আরও অনুপ্রাণিত করবে । কৃষি, গবেষণা ও প্রান্তিক মানুষের গল্প তুলে ধরার এই যাত্রায় এ অর্জন দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। নিঃসন্দেহে এটি একটি বহুল আকাঙ্ক্ষিত পুরস্কার। ভবিষ্যতে দেশের স্বার্থে, দেশের কৃষিকে এগিয়ে নেওয়ার স্বার্থে কৃষি সাংবাদিকতা ও লেখালেখির কাজটি করতে চাই। বাকৃবি রিসার্চ সিস্টেম (বাউরেস), বাকৃবি সাংবাদিক সমিতি, সহকর্মী, শিক্ষক, শুভানুধ্যায়ী ও সকল পাঠকের প্রতি কৃতজ্ঞতা ।
 
বাকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, পুরস্কারপ্রাপ্তদের সাফল্য বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কার্যক্রমকে আরও অনুপ্রাণিত করবে। বাউরেস এখন দেশের অন্যতম কার্যকর গবেষণা প্রতিষ্ঠান। যার স্বচ্ছতা ও দক্ষতার মডেল অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ও অনুসরণ করছে।
 
উল্লেখ্য, বাউরেস প্রতিবছর শিক্ষা, গবেষণা ও সম্প্রসারণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান করে থাকে। এবার কৃষি সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য মো. আমান উল্লাহ এ সম্মাননা অর্জন করেন।