রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘৬ষ্ঠ বি.এল.এস অ্যাওয়ার্ড ও লাইভস্টক-পোল্ট্রি মেলা’র বর্ণাঢ্য ফ্লায়ার উন্মোচন

ফোকাস

এগ্রিলাইফ প্রতিবেদক:টেকসই প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন, আধুনিক প্রযুক্তি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার অঙ্গীকার নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘৬ষ্ঠ বি.এল.এস অ্যাওয়ার্ড, সেমিনার ও লাইভস্টক-পোল্ট্রি মেলা ২০২৬’। বাংলাদেশ লাইভস্টক সোসাইটি (বি.এল.এস)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই মহাসমাবেশের আনুষ্ঠানিক ফ্লায়ারের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। ২৩ জুলাই, বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি এন্ড এনিমেল সায়েন্সেস বিভাগের সভাপতির কক্ষে আনন্দঘন পরিবেশে এই উন্মোচন অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি এবং অনুষ্ঠানের কনভেনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভেটেরিনারি এন্ড এনিমেল সায়েন্সেস বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহাবুবুর রহমান। প্রাণিসম্পদ খাতের আধুনিকায়নের ওপর জোর দিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “বর্তমান সময়ে কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতের টেকসই উন্নয়নের মূল চাবিকাঠিই হলো ডিজিটাল উদ্ভাবন ও জলবায়ু সহিষ্ণুতা। আমাদের এই বহুল প্রতীক্ষিত আয়োজন সেই লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যেতে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।”

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বি.এল.এস-এর সভাপতি রোটারিয়ান অধ্যাপক ড. মো. জালাল উদ্দীন সরদার এবং সাধারণ সম্পাদক রোটারিয়ান ড. মো. হেমায়েতুল ইসলাম আরিফ। এ সময় বিশিষ্ট প্রকাশক আবু মুসা-সহ সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

এক নজরে আসন্ন ইভেন্ট

  • মূল থিম: “টেকসই প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন: ডিজিটাল উদ্ভাবন ও জলবায়ু সহিষ্ণুতা”
  • তারিখ: ১৪ নভেম্বর ২০২৬
  • স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের নির্ধারিত প্রাঙ্গণ

আগামী ১৪ নভেম্বরের এই মূল আয়োজনকে কেন্দ্র করে বি.এল.এস সভাপতি দেশের প্রাণিসম্পদ ও পোল্ট্রি খাতের সঙ্গে জড়িত শিল্প প্রতিষ্ঠান, নতুন উদ্যোক্তা, গবেষক ও সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের প্রদর্শক, স্পনসর কিংবা মিডিয়া পার্টনার হিসেবে যুক্ত হওয়ার বিশেষ আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি কৃষক, খামারি, শিক্ষার্থী, তরুণ উদ্যোক্তা এবং ব্লগিং-মিডিয়া প্রতিনিধিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এই আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

দেশের প্রাণিসম্পদ খাতের অগ্রগতিতে বিশেষ অবদান এবং অনুকরণীয় কাজের স্বীকৃতি হিসেবে দেওয়া হবে মর্যাদাপূর্ণ ‘বি.এল.এস অ্যাওয়ার্ড’। নির্ধারিত ক্যাটাগরিতে অ্যাওয়ার্ডের জন্য আগ্রহী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবেদন করার জন্য আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

আয়োজকরা বিশ্বাস করেন, এই জাতীয় সেমিনার ও মেলা দেশের প্রাণিসম্পদ খাতের ডিজিটাল রূপান্তর ঘটানোর পাশাপাশি খামারি, গবেষক ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে জ্ঞান বিনিময়ের এক অনন্য ও কার্যকরী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ভূমিকা রাখবে।