ইসলামিক ডেস্ক:পবিত্র কুরআনের সুরা তাওবাহ্র ১২৮ নম্বর আয়াতটি মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা:)-এর প্রতি আল্লাহ তাআলার এক অনন্য প্রশংসা এবং উম্মতের প্রতি রাসুলের সুগভীর ভালোবাসার এক জীবন্ত দলিল।
এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা মানবজাতিকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে, তাদের হেদায়েত ও মুক্তির জন্য স্বয়ং তাদের মধ্য থেকেই একজন মহান রাসুলকে পাঠানো হয়েছে, যিনি উম্মতের সর্বাঙ্গীন কল্যাণ কামনায় সদা ব্যাকুল।
এই মোবারক আয়াতের মাধ্যমে স্পষ্ট হয় যে, উম্মতের যেকোনো ক্ষতি বা কষ্ট মহানবী (সা:)-কে গভীরভাবে ব্যথিত করত। তিনি কেবল একজন পথপ্রদর্শকই ছিলেন না, বরং উম্মত যেন সঠিক পথের সন্ধান পায়, আল্লাহর দরবারে তাওবা ও ক্ষমাপ্রার্থনা করে চিরস্থায়ী জান্নাত লাভ করতে পারে এবং জাহান্নামের ভয়াবহ শাস্তি থেকে মুক্তি পায় সেটিই ছিল তাঁর জীবনের মূল সাধনা। মুমিনদের প্রতি তাঁর এই স্নেহ, মমতা ও পরম দয়ার গুণটি স্বয়ং আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কুরআনে বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন।
সমকালীন প্রেক্ষাপটে এই আয়াতের শিক্ষা আমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। রাসুলুল্লাহ (সা:)-এর দেখানো পথ, তাঁর অসীম সহানুভূতি এবং উম্মতের প্রতি ভালোবাসার আদর্শকে বুকে ধারণ করে আমাদের নিজেদের জীবনকে সংশোধন করা উচিত। আজ দুনিয়াবী প্রলোভন ও পাপের হাতছানি থেকে বাঁচতে হলে আল্লাহর তাওবার দিকে ফিরে আসা এবং রাসুলের সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরাই একমাত্র পথ, যা আমাদের প্রকৃত সফলতা এনে দিতে পারে।-আমিন





















