এআই ও ফ্যাক্ট-চেকিংয়ে দক্ষতা বাড়াতে বাকৃবিতে পিআইবির প্রশিক্ষণের সমাপনী

কৃষিবিদ ও ক্যাম্পাস
Typography
  • Smaller Small Medium Big Bigger
  • Default Helvetica Segoe Georgia Times

বাকৃবি প্রতিনিধিঃবাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকদের জন্য প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) আয়োজিত তিনদিনব্যাপী 'মাল্টিমিডিয়া, এআই ও ফ্যাক্ট-চেকিং' বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

সোমবার (২৭ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের সম্মেলন কক্ষে সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পিআইবির প্রশিক্ষক সাহানোয়ার সাইদ শাহীন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবর রহমান এবং ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক।

প্রশিক্ষণে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন। জেলা, স্থানীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়নের অংশ হিসেবে গত ২৫ জুলাই শুরু হওয়া এ প্রশিক্ষণে মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং তথ্য যাচাই (ফ্যাক্ট-চেকিং) বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবর রহমান বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ। তাঁদের দায়িত্ব উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ পরিহার করে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকরা অপতথ্য ও গুজব প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া সাংবাদিকতাকে একটি 'মহান পেশা' হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং ফ্যাক্ট-চেকিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী প্রযুক্তি। তাই সাংবাদিকদের এসব বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকদের শুধু জাতীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না, ইংরেজি ভাষায় আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়েও লেখালেখি করতে হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণের আয়োজন হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে ।