সিভাসু প্রতিনিধি:ভেক্টরবাহিত রোগের (VBDs) ক্রমবর্ধমান হুমকি মোকাবিলায় যৌথভাবে কাজ করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদ এবং আন্তর্জাতিক চিকিৎসা ও মানবিক সহায়তা সংস্থা মেডিসিনস সঁ ফ্রঁতিয়ার্স (এমএসএফ)/ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
আজ রবিবার সকালে সিভাসু’র প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলনকক্ষে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিতে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন সিভাসু’র ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ এবং এমএসএফ-এর মেডিকেল কো-অর্ডিনেটর ডা. কারমেঞ্জা গালভেজ (Dr. Carmenza Galvez)। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিভাসু’র রেজিস্ট্রার মীর্জা ফারুক ইমাম, প্যাথলজি অ্যান্ড প্যারাসাইটোলজি বিভাগের প্রফেসর ড. এ এম এ এম জুনায়েদ ছিদ্দিকী এবং প্রফেসর ড. শারমীন চৌধুরী।
এই চুক্তির আওতায় এমএসএফ কর্তৃক সংগৃহীত মাঠপর্যায়ের নমুনা এবং মহামারী-সংক্রান্ত তথ্য সরাসরি সিভাসু’র উন্নত রোগ নির্ণয় ও জিনোমিক্স প্রক্রিয়ায় যুক্ত হবে। গবেষকরা ‘হোল জিনোম সিকোয়েন্সিং’ (WGS, DNA barcoding)-সহ বিভিন্ন আণবিক পদ্ধতি ব্যবহার করে নতুন উদ্ভূত রোগজীবাণুর ধরন দ্রুত শনাক্ত করবেন এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও ওষুধ-প্রতিরোধ ক্ষমতার (drug resistance) গুরুত্বপূর্ণ প্রবণতাগুলো পর্যবেক্ষণ করবেন।
এই কৌশলগত অংশীদারিত্ব এমএসএফ-এর মাঠপর্যায়ের ব্যাপক মানবিক কাজের অভিজ্ঞতা এবং সিভাসু’র উন্নত গবেষণার সক্ষমতাকে একত্রিত করবে। এর ফলে মশার মতো ভেক্টরের মাধ্যমে ছড়ানো রোগগুলো পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণে রিসার্চ কোলাবরেশন গড়ে উঠবে।
এই যৌথ উদ্যোগটি ‘ওয়ান হেলথ’ (এক স্বাস্থ্য) ধারণার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে, যা মানুষের স্বাস্থ্য, প্রাণীর স্বাস্থ্য এবং আমাদের যৌথ পরিবেশের মধ্যকার গভীর আন্তঃসম্পর্ককে স্বীকার করে। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা এলাকা, শরণার্থী শিবির এবং রোগ প্রাদুর্ভাবের প্রবণতা রয়েছে এমন অঞ্চলে এমএসএফ সরাসরি কাজ করে; অন্যদিকে সিভাসু তাদের অত্যাধুনিক গবেষণাগারের অবকাঠামো ও প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করে।





















