মো: জুলফিকার আলীঃ আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের সহযোগিতায় ও কৃষি বিভাগের পরামর্শ ক্রমে ৩৩ শতক জমিতে কৃষক মো. এমরান মিয়া বারি পানিকচু-১ জাতের চাষাবাদ করেছেন । লতিকচুর পাশাপাশি চারা বিক্রি করেও ভালো আয়ও করছেন। সব মিলিয়ে চলতি মৌসুমে প্রায় দেড় লাখ টাকা আয় হবে বলে তিনি আশাবাদী।
উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. শামিমুল হক শামীম বলেন, কৃষকদের লাভজনক ও উচ্চমূল্যের ফসল চাষে উদ্বুদ্ধ করতে মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এমরান মিয়া সেই পরামর্শ বাস্তবায়ন করে চমৎকার সফলতা পেয়েছেন। মৌসুমের শুরুতে তিনি প্রতি কেজি লতিকচু ৮০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি করেছেন। বর্তমানে বাজারে সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় প্রতি কেজি ৩০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হলেও উৎপাদন বেশি থাকায় তিনি লাভবান হচ্ছেন। তার সফলতা দেখে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকরাও লতিকচু চাষে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।
স্থানীয় কয়েকজন কৃষক জানান, আগে এলাকায় লতিকচুর চাষ খুব একটা দেখা যেত না, এমরান মিয়ার কচুক্ষেত দেখে তারা উৎসাহিত হয়েছেন। অল্প খরচে বেশি লাভের সম্ভাবনা থাকায় আগামী মৌসুমে তারাও এই ফসলের আবাদ করতে চান।
বাহুবল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা চিন্ময় কর অপু বলেন, কৃষকদের আয় বৃদ্ধি এবং কৃষিকে আরও লাভজনক করতে সরকারিভাবে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর চাষাবাদ সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। কৃষকদের প্রশিক্ষণ, প্রদর্শনী প্লট স্থাপন, উন্নত জাতের বীজ ও চারা সরবরাহসহ বিভিন্ন ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। লতিকচু একটি সম্ভাবনাময় উচ্চমূল্যের সবজি। বাজারে এর চাহিদাও দিন দিন বাড়ছে।



