রাজধানীতে শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী গ্রুপ বাংলাদেশ কতৃক আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী" অনুষ্ঠিত

ফোকাস
Typography
  • Smaller Small Medium Big Bigger
  • Default Helvetica Segoe Georgia Times

আশিষ তরফদারঃ গতকাল শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যা ৭:০০ টায় ফার্মগেট আ.ক.মু গিয়াস উদ্দিন মিলকী অডিটোরিয়ামে "শতভাগ পেনশন সমর্পণকারী গ্রুপ, বাংলাদেশ" আয়োজিত শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীদের পেনশন ১৫ বছরের পরিবর্তে ১০ বছরে প্রতিস্থাপন কল্পে "ঈদ পুনর্মিলনী" অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

সংগঠনের সভাপতি ,বীর মুক্তিযোদ্ধা, কৃষিবিদ মোঃ নজরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কাঙ্ক্ষিত দাবী পূরণের আশ্বাস প্রদান করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, জনাব এ বি এম আব্দুস সাত্তার। পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথিকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।

মোঃ আব্দুল খালেদ খান ও মনিন্দ্র নাথ সিংহ এর সাবলীল উপস্থাপনায় উক্ত অনুষ্ঠানে সম্মাননাপত্র পাঠ করেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইনতাজ আলী। শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীদের পেনশন সমর্পণের প্রেক্ষাপট, বর্তমানে তাদের আর্থিক দূরবস্থা, পুনঃস্থাপনের সময়সীমা ১৫ বছরের স্থলে ১০ বছর পর পুনঃস্থাপনের যৌক্তিকতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বক্তব্য উপস্থাপন করেন, সর্ব জনাব মোঃ সোহরাব হোসেন খান, মোঃ তারিক হাসান, মোঃ আঃ ওহাব, মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ, রফিকুল ইসলাম, বেগম শামসুন নাহার, মোঃ আলাউদ্দিন পি.কে, মোঃ আখতারুজ্জামান হামিদী ও মিসেস মমতাজ সুলতানা সহ আরও অনেকে।

উপস্থিত বক্তাগণের বক্তব্যে প্রতিয়মান হয় যে, তাদের এককালীন গৃহীত অর্থ সুদবিহীন ৬ বছর ৭ মাসে এবং সুদসহ ৮ বছর ১১ মাসে সমন্বয় হয়ে গেছে। তাদের আবেদন নিবেদনের প্রেক্ষিতে যদিও বিগত ৮ অক্টোবর,২০১৮ খ্রিঃ তারিখে ১৫ বছর পর পেনশন পুনঃস্থাপনের একটি বিধান চালু হয়, কিন্তু তা বাস্তবসম্মত বা আমাদের জন্য প্রকৃত কল্যাণকর হয়নি। কারণ বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ৭২.৫ বছর ; যা করোনা পরবর্তীতে ৬৯.৩ বছরে দাঁড়িয়েছে (সূত্র: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা) এবং বাস্তবতা হচ্ছে অবসর তাদের আবেদন নিবেদনের প্রেক্ষিতে যদিও বিগত ৮ অক্টোবর,২০১৮ খ্রিঃ তারিখে ১৫ বছর পর পেনশন পুনঃস্থাপনের একটি বিধান চালু হয়, কিন্তু তা বাস্তবসম্মত বা তাদের জন্য প্রকৃত কল্যাণকর হয়নি। কারণ বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ৭২.৫ বছর ; যা করোনা পরবর্তীতে ৬৯.৩ বছরে দাঁড়িয়েছে (সূত্র: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা) এবং বাস্তবতা হচ্ছে অবসর গ্রহণের পর ১৫ বছর পূর্তির পূর্বেই অনেকেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। ফলে উক্ত বিধান আমাদের তেমন কোন উপকারে আসেনি। এমতাবস্থায় পেনশন পুনঃস্থাপনের সময় সীমা ১৫ বছরের স্থলে ১০ বছরে হওয়া যৌক্তিক। তাছাড়া তাদের দাবি সাধারণ পেনশনারদের মতো মৃত শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীদের স্ত্রী/স্বামী, নির্দিষ্ট সময়ান্তে (পেনশন পুনঃস্থাপনের পূর্বে মৃত্যু হলেও) পারিবারিক পেনশনের আওতাভুক্ত করার। এতে সরকারী বাজেটের ১% এর অধিক ব্যয় হবে না বলে উপস্থিত বিশিষ্টগণ অভিমত ব্যক্ত করেন।

তাহাদের আশা ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা ও জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা তথা "প্রবীণদের স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বলয় সৃষ্টি" করা বর্তমান সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।