বিজ্ঞানভিত্তিক মাছ চাষে শম্ভুগঞ্জের চাষিরা, সহযোগিতায় নারিশ ও ইউএসজিবিসি

কৃষি উদ্ভাবন
Typography
  • Smaller Small Medium Big Bigger
  • Default Helvetica Segoe Georgia Times

এগ্রিলাইফ প্রতিনিধি:ময়মনসিংহ-নেত্রকোণা অঞ্চলের মৎস্যচাষকে আধুনিক করতে বুধবার (২৯ এপ্রিল) শম্ভুগঞ্জের বিসমিল্লাহ্ পোল্ট্রিতে বসেছিল কারিগরি কর্মশালার আসর। নারিশ ফিড ও US Grains and BioProducts Council (USGBC)-এর যৌথ আয়োজনে প্রায় ৭০ জন চাষি ও ফিড ডিলার অংশ নেন। এবারের থিম ছিল “অ্যাকুয়াকালচারে উৎকর্ষ অর্জন: পুকুরভিত্তিক চাষাবাদ ও খাদ্য ব্যবস্থাপনার সর্বোত্তম পদ্ধতি”। টেকসই উৎপাদন, সুষম খাদ্য, পুকুর ব্যবস্থাপনা ও রোগ দমনই ছিল আলোচনার কেন্দ্রে।

প্রধান প্রশিক্ষক আন্তর্জাতিক মৎস্য বিশেষজ্ঞ ড. মহিউদ্দিন আমিরুল কবির চৌধুরী বলেন, বিজ্ঞানভিত্তিক চাষ ও সঠিক পুষ্টি ব্যবস্থাপনা ছাড়া টেকসই উৎপাদন সম্ভব নয়। শুধু তত্ত্ব নয়, মাঠে নেমে হাতে-কলমে দেখানো হয় আধুনিক ও খরচ বাঁচানো কৌশল। এতে পুকুর প্রস্তুতি থেকে শুরু করে খাবার দেওয়া ও রোগ নিয়ন্ত্রণ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ সহজভাবে তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন উপস্থিত ছিলেন ইউএস গ্রেইনস অ্যান্ড বায়োপ্রোডাক্টস-এর গ্লোবাল স্ট্যাটিস্টিকস অ্যান্ড ট্রেড ম্যানেজার মার্ক সিভিয়ার, নারিশের এভিপি (সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং) মো. সামিউল আলিম, জিএম এস. এম. এ. হক, সিনিয়র ডিজিএম ডা মুহাম্মদ মুছা কালিমুল্লাহ, ইউএস গ্রেইনস অ্যান্ড বায়োপ্রোডাক্টসের কনসালটেন্ট মাহি আলম সারোয়ার, পু‌ষ্টি ও ফিড বি‌শেষজ্ঞ অং থো‌য়েন এ (অন্তু) ও জু‌নিয়র এ‌জিএম ওবায়দুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা এবং প্রায় ৭০ জন খামারি।

চাষিরা বলছেন, এই প্রশিক্ষণ মাঠে কাজে লাগিয়ে উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব। পাবদা, কই, শিংয়ের পাশাপাশি পাঙ্গাশ-তেলাপিয়ার বাজার ধরতে এ ধরনের দক্ষতা জরুরি। নারিশ ফিড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চাহিদা মেটাতে দেশের অন্যান্য সম্ভাবনাময় এলাকাতেও নিয়মিত এমন কর্মশালা চলবে।