জলবায়ু অভিযান ২০২৬: সরকারের খাল খনন– সময়োপযোগী এক উদ্যোগ

বিশেষ ফিচার
Typography
  • Smaller Small Medium Big Bigger
  • Default Helvetica Segoe Georgia Times

বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ ও আমাদের অঙ্গীকার
রোটারিয়ান ড. মো. হেমায়েতুল ইসলাম আরিফ: প্রতি বছর ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ১৯৭২ সালের স্টকহোম সম্মেলনে এই দিবসের ভিত্তি স্থাপন করে।

প্রথমবারের মতো ১৯৭৪ সালে ‘ওনলি ওয়ান আর্থ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে উদযাপনের পর এটি পৃথিবীর বৃহত্তম পরিবেশ সচেতনতা প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য ‘জলবায়ু অভিযান’ (Climate Action)। আয়োজক দেশ আজারবাইজান। বিশ্ব নেতা ও নীতিনির্ধারকরা বাকু শহরে সমবেত হবেন কার্বন নির্গমন কমানো ও সবুজ জ্বালানি সম্প্রসারণের রূপরেখা তৈরির জন্য।

কিন্তু এই বৈশ্বিক আলোচনার মঞ্চে বসে আমরা যদি আমাদের দেশের কথা না ভাবি, তাহলে সেই অভিযান অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। আমি একজন পরিবেশকর্মী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দেখছি, বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমের বারিন্দ অঞ্চল কীভাবে খরায় দিন দিন পঙ্গু হয়ে যাচ্ছে। দেখছি দক্ষিণের উপকূলীয় জেলাগুলোতে লবণাক্ততা কীভাবে গ্রাস করছে পানীয় জলের উৎস। দেখছি নদীগুলো কীভাবে মরে যাচ্ছে।

কিন্তু এই প্রতিকূলতার মাঝেও ২০২৬ সালে আমি এক নতুন আশার সঞ্চার দেখতে পাচ্ছি। বর্তমান সরকার যে দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে, তা সময়োপযোগী এক উদ্যোগ। এটি কেবল একটি প্রকল্প নয়, এটি জলবায়ু অভিযানের বাস্তব রূপ। আজ এই প্রবন্ধে আমি পরিবেশকর্মীর দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণ করব, কেন এই খাল খনন আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি এবং কীভাবে এটি বাংলাদেশের পানির ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারে।

খাল খনন– সময়ের দাবি, জরুরি প্রয়োজন

শুষ্ক মৌসুমে পানির হাহাকার
বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল, বিশেষ করে রাজশাহী, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় জেলা—এসব অঞ্চলকে ভৌগোলিকভাবে বারিন্দ ট্র্যাক্ট বলা হয়। এখানকার মাটি লালচে ও শক্ত। বৃষ্টিপাত দেশের গড়ের চেয়ে কম। গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা প্রায়ই ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়। শুষ্ক মৌসুমে খাল-বিল শুকিয়ে যায়, পুকুরের পানি শেষ হয়ে যায়, কৃষকরা সেচের অভাবে চরম দুর্ভোগে পড়েন।

আমি নিজের চোখে দেখেছি, রাজশাহীর পাবা উপজেলার  একটি গ্রামের নারীদের মাইলখানেক পথ হেঁটে প্রতিবেশী গ্রাম থেকে পানি আনতে। দেখেছি গবাদি পশু চরাতে গিয়ে তৃষ্ণায় কাতরাচ্ছে। দেখেছি ধানের জমিতে ফাটল ধরে যাচ্ছে। এটা শুধু কৃষি সংকট নয়, এটি একটি সভ্যতার সংকট।

বিশ হাজার কিলোমিটার খাল খননের মহাপরিকল্পনা 
এই সংকট মোকাবিলায় বর্তমান সরকার ২০২৬ সালের মার্চ মাসে একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেয়। ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ শীর্ষক এই কর্মসূচির অধীনে আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রথম ধাপে ২০২৬ সালের জুনের মধ্যেই ৫৪টি জেলায় ১,২০০ কিলোমিটারের বেশি খাল খনন সম্পন্ন হবে। পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও কৃষি মন্ত্রণালয় যৌথভাবে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। ইতিমধ্যে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৩১৮ কিলোমিটার খাল পুনঃখননের কাজ শুরু হয়েছে।

একজন পরিবেশকর্মী হিসেবে আমি বলতে পারি, এটি গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে সময়োপযোগী ও বাস্তবসম্মত উদ্যোগ। খাল খনন মানে শুধু মাটি কাটা নয়—এটি একটি প্রাকৃতিক ব্যবস্থাকে পুনরুজ্জীবিত করার প্রক্রিয়া।

কেন এই খাল খনন এখন জরুরি ছিল?
ভূগর্ভস্থ পানির বিপজ্জনক পতন
গত দুই দশকে বারিন্দ অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর উদ্বেগজনক হারে নেমে গেছে। ২০০০ সালের দিকে যেখানে হ্যান্ড টিউবওয়েল দিয়ে সহজেই পানি উঠত, সেখানে এখন গভীর নলকূপ বসাতে হচ্ছে ৩০-৪০ মিটার গভীরে। বিদ্যুৎ ও ডিজেলের দাম বাড়ায় কৃষকরা সেচ খরচ বহনে হিমশিম খাচ্ছেন।

ভূগর্ভস্থ পানির এই অতি ব্যবহার শুধু বারিন্দ নয়, পুরো দেশের জন্য এক ঘণ্টা সঙ্কেত। কেননা বর্ষার পানি দ্রুত বয়ে চলে যায় খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায়। মাটি সেই পানি শোষণ করার সুযোগ পায় না। খাল খননের মাধ্যমে আমরা সেই প্রাকৃতিক জলধারাকে ফিরিয়ে আনতে পারি।

নদী-খালের মৃত্যু রোধ
বাংলাদেশের অনেক খাল ও ছোট নদী এখন বিলুপ্তির পথে। অপরিকল্পিত বসতি, পলি জমে ভরাট, ইটভাটার বর্জ্য—নানা কারণে এগুলো সংকীর্ণ ও অগভীর হয়ে গেছে। বর্ষায় পানি থাকলেও কয়েক মাস পর শুকিয়ে যায়। এগুলোর পুনঃখনন না করলে নদী-খাল ব্যবস্থা পুরোপুরি ধসে পড়ত।

বর্তমান সরকারের খাল খনন কর্মসূচি এই মৃতপ্রায় জলাধারগুলোকে জীবনদান করবে। বর্ষার পানি ধরে রাখা যাবে, শুষ্ক মৌসুমে সেচ ও গৃহস্থালি কাজে ব্যবহার করা যাবে। এটি জলবায়ু অভিযোজনের একটি মডেল উদাহরণ।

খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণ: সবুজ বেষ্টনী তৈরি
সরকার শুধু খাল খনন করছে না, পাশাপাশি খালের দুই পাড়ে ব্যাপক বৃক্ষরোপণের কর্মসূচিও হাতে নিয়েছে। তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জানিয়েছেন, দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও খোলা জায়গায় বৃক্ষরোপণ করা হবে। খালের পাড়ের এই বনায়ন মাটির ক্ষয় রোধ করবে, বাষ্পীভবন কমাবে এবং স্থানীয় জলবায়ুকে আরও সহনীয় করে তুলবে। এটি একটি সমন্বিত পরিবেশ ব্যবস্থাপনার চমৎকার দৃষ্টান্ত।

বারিন্দঃ অতীতের সাফল্য নয়, বর্তমান প্রয়োজন
বারিন্দ অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে খাল খননের দাবি জানিয়ে আসছেন। স্থানীয় পর্যায়ে অসংখ্য স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও পরিবেশকর্মী এই দাবিতে সোচ্চার ছিলেন। বর্তমান সরকার সেই দাবি আমলে নিয়ে দেশব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

একজন পরিবেশকর্মী হিসেবে আমি সরেজমিনে দেখেছি, রাজশাহীর পুঠিয়া, বাগমারা ও চারঘাট উপজেলায় খাল খননের পর বর্ষার পানি বেশি দিন ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ ও নাচোল উপজেলায় খাল পুনঃখননের ফলে আমন ধানের ফলন বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দিনাজপুরের কাহারোল ও বোচাগঞ্জে খাল খননের কাজ দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে।

বর্তমানে বারিন্দ বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬টি জেলায় বিস্তৃত। এই সংস্থাটি দীর্ঘদিন ধরে সেচ ও পানি ব্যবস্থাপনায় কাজ করছে। এখন সরকারের খাল খনন কর্মসূচি তাদের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে। আমি আশা করছি, খাল খননের মাধ্যমে পৃষ্ঠের পানি ব্যবহার বেড়ে যাবে, ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমবে এবং কৃষকদের উৎপাদন খরচ কমবে।

তবে এখানে সতর্ক থাকতে হবে। খাল খনন কেবল একবার করলেই চলবে না। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ, পলি অপসারণ ও পাড়ের বনায়ন টিকিয়ে রাখতে হবে। স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। সরকার যদি এই কর্মসূচি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে পারে, তাহলে বারিন্দের খরার চিত্র পুরোপুরি বদলে যেতে পারে।

দক্ষিণের লবণাক্ততা ও নদী পুনরুদ্ধার
খাল খনন শুধু উত্তর অঞ্চলের জন্য নয়। দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলের জন্যও এটি অত্যন্ত জরুরি। খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট জেলায় নদী প্রবাহ কমে যাওয়ায় লবণাক্ততা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। পানীয় পানির জন্য নারীদের দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে। ধানের জমি চিংড়ি ঘেরে পরিণত হচ্ছে। মাটির অম্লত্ব বাড়ছে।

গত কয়েক দশকে বাংলাদেশের ৭০টির বেশি নদী মৃতপ্রায় হয়ে গেছে। এর পেছনে উজানের বাঁধ, পলি জমে ভরাট ও শিল্প দূষণ দায়ী। সরকারের খাল খনন কর্মসূচি এই অঞ্চলেও প্রসারিত করতে হবে। খালের মাধ্যমে বর্ষার পানি ধরে রাখলে লবণাক্ততা কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। ভাসমান কৃষি ও লবণাক্ততা সহনশীল ফসলের প্রচলন আরও বাড়াতে হবে।

আমি একজন পরিবেশকর্মী হিসেবে সুপারিশ করব, খাল খননের পাশাপাশি সৌরশক্তি চালিত পানি বিশোধন প্ল্যান্ট স্থাপন করা জরুরি। সরকার ইতিমধ্যে উপকূলীয় অঞ্চলে এই ধরনের কিছু প্ল্যান্ট স্থাপন করেছে, কিন্তু এর সংখ্যা আরও বাড়াতে হবে। নেদারল্যান্ডস ও ভিয়েতনামের মতো দেশের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো দরকার।

পরিবেশকর্মীর দৃষ্টিতে করণীয় সুপারিশ
বর্তমান সরকারের খাল খনন উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। কিন্তু এটি যাতে সফল হয়, তার জন্য নিচের পদক্ষেপগুলো জরুরি মনে করি:
১. খাল খননের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা
একবার খাল খনন করলেই কাজ শেষ নয়। প্রতি দুই-তিন বছর পর পর পলি অপসারণ করতে হবে। খালের পাড়ে শক্ত বেড়িবাঁধ ও গাছ লাগাতে হবে। স্থানীয় জনগণকে রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দিতে হবে। ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে ‘খাল কমিটি’ গঠন করা যেতে পারে।
২. পৃষ্ঠের পানি ব্যবহারে প্রণোদনা
ভূগর্ভস্থ পানি টেনে সেচ দেওয়ার অভ্যাস বদলাতে হবে। কৃষকদের যদি পৃষ্ঠের পানি ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া যায়, তাহলে তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে খালের পানি সংরক্ষণ করবে। সৌরচালিত পাম্পের জন্য ভর্তুকি বা সুবিধাজনক ঋণ দেওয়া যেতে পারে।
৩. নারীদের সম্পৃক্ততা বাড়ানো
পানি ব্যবস্থাপনায় নারীরা সবচেয়ে বেশি ভোগেন, কিন্তু সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের উপস্থিতি কম। প্রতিটি খাল ব্যবস্থাপনা কমিটিতে অন্তত ৫০ শতাংশ নারী সদস্য রাখা বাধ্যতামূলক করা উচিত। তাদের জন্য বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও খালের পাড়ে সবজি চাষের প্রশিক্ষণ দেওয়া যেতে পারে।
৪. আন্তর্জাতিক নদী চুক্তি জোরদার
গঙ্গা, তিস্তা ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক নদীর পানি বণ্টন চুক্তি কার্যকর করতে হবে। উপরের দিকের দেশগুলোর কাছে পানি প্রবাহ ঠিক রাখার জন্য কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিতে হবে। জলবায়ু অভিযানের এটাও একটি অংশ।
৫. গণসচেতনতা তৈরি
পরিবেশ দিবসে শুধু র্যালি করলে হবে না। সারা বছর নদী ও খালের গুরুত্ব সম্পর্কে গণমাধ্যম, স্কুল ও মসজিদে প্রচার চালাতে হবে। তরুণদের নিয়ে খাল পরিষ্কার ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আয়োজন করতে হবে।

খাল খনন যেন থেমে না যায়

বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬-এর প্রতিপাদ্য ‘জলবায়ু অভিযান’ আমি যেভাবে বুঝি, তা হলো বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ। আজারবাইজানে আলোচিত সবুজ জ্বালানি ও নির্গমন কমানো যেমন গুরুত্বপূর্ণ, ঠিক তেমনি আমাদের দেশে খাল খনন ও পানি ব্যবস্থাপনা সমান জরুরি। কারণ পানি ছাড়া কৃষি নেই, কৃষি ছাড়া খাদ্য নেই, খাদ্য ছাড়া জীবন নেই।

বর্তমান সরকার ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের যে লক্ষ্য স্থির করেছে, তা সময়োপযোগী ও প্রশংসার দাবিদার। আমি একজন পরিবেশকর্মী হিসেবে আশা রাখি, এই কর্মসূচি সঠিক বাস্তবায়ন পেলে বারিন্দের শুষ্ক জমিতে আবার ফসল ফলবে, দক্ষিণের লবণাক্ত এলাকায় স্বাদু পানি ফিরে আসবে, আর মৃতপ্রায় নদী-খালে প্রাণ সঞ্চার হবে।

কিন্তু এই অভিযান একার পক্ষে সম্ভব নয়। সরকার যেমন বড় পরিকল্পনা দিয়েছে, তেমনি আমাদের প্রত্যেক নাগরিককে দায়িত্ব নিতে হবে। বাড়ির আঙিনায় গাছ লাগান, খালে ময়লা ফেলবেন না, পানি অপচয় বন্ধ করুন। রোটারি ক্লাব, স্কাউট, অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন খাল রক্ষণাবেক্ষণে এগিয়ে আসুক।

পরিশেষে, প্রকৃতি কখনও দরবার করে না। সে সঙ্কেত পাঠায়। ইতিমধ্যে পাঠিয়েছে অনাবৃষ্টি, অতিবৃষ্টি, খরা, লবণাক্ততা। এবার আমাদের পালা—সেই সঙ্কেত শোনার এবং ব্যবস্থা নেওয়ার। বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ হোক সেই অঙ্গীকারের দিন।

-লেখক:পরিবেশকর্মী (বাপা) ও সাবেক সভাপতি (২০২৩-২৪), রোটারি ক্লাব অব রাজশাহী সেন্ট্রাল ও কো-কোঅর্ডিনেটর, রিপসা, ডি-৬৪, বাংলাদেশ।