ক্ষুদ্র কৃষকের আয়ের ৮৫ শতাংশই প্রাণিসম্পদ: এখন কি বদলাবে জাতীয় বিনিয়োগের অগ্রাধিকার? (শেষ পর্ব)
ডা. শাহাদাত হোসেন পারভেজঃযদি একটি খাত দেশের ক্ষুদ্র কৃষকের আয়ের প্রধান উৎস হয়, জাতীয় অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে, লাখো মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে এবং দেশের পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই সেই খাতে সরকারি বিনিয়োগ, গবেষণা, দক্ষ জনবল এবং নীতিগত অগ্রাধিকারও সমানভাবে প্রতিফলিত হওয়া উচিত। কিন্তু বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ খাতের বাস্তবতা এখনও সে পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি।
উষ্ণ পৃথিবী, অনিশ্চিত কৃষি: অভিযোজনই ভবিষ্যৎ
সমীরণ বিশ্বাসঃ জলবায়ু পরিবর্তন আজ আর ভবিষ্যতের কোনো আশঙ্কা নয়; এটি বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাস্তবতা। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ক্রমাগত বাড়ছে, যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছে কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা, পানি, জীববৈচিত্র্য এবং মানুষের জীবিকার ওপর। বাংলাদেশ ভৌগোলিক অবস্থান ও কৃষিনির্ভর অর্থনীতির কারণে জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ।
নদী থেকে থালায়: মাইক্রোপ্লাস্টিকের নীরব আগ্রাসনে বাংলাদেশ
ড. মো. শরীফুল ইসলাম:আমরা ভেবেছিলাম প্লাস্টিক শুধু নদীর তীরে জমে থাকা পলিথিন, ড্রেনে আটকে থাকা বোতল কিংবা সমুদ্রে ভাসমান আবর্জনার নাম। কিন্তু বাস্তবতা আরও ভয়ংকর। সেই প্লাস্টিক আজ অদৃশ্য ক্ষুদ্র কণায় ভেঙে আমাদের নদীতে, মাছের শরীরে, রান্নার তেলে, লবণে, এমনকি মানুষের রক্ত ও মস্তিষ্কেও পৌঁছে গেছে। যে নদী আমাদের জীবন, জীবিকা ও খাদ্যের উৎস সেই নদীই ধীরে ধীরে পরিণত হচ্ছে অদৃশ্য বিষের আধারে।
মাইক্রোপ্লাস্টিক: নীরব ঘাতক !
সমীরণ বিশ্বাস:একবিংশ শতাব্দীতে মানবসভ্যতা যেসব পরিবেশগত সংকটের মুখোমুখি হয়েছে, তার মধ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণ সবচেয়ে নীরব, জটিল এবং উদ্বেগজনক। জলবায়ু পরিবর্তন, বায়ুদূষণ কিংবা জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের মতো বিষয়গুলো নিয়ে বিশ্বব্যাপী দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা হলেও মাইক্রোপ্লাস্টিকের হুমকি তুলনামূলকভাবে নতুন। অথচ আজ এই অতি ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা আমাদের খাদ্য, পানি, বাতাস, মাটি, সমুদ্র, কৃষিজমি, এমনকি মানবদেহের রক্ত, ফুসফুস, প্লাসেন্টা ও মস্তিষ্ক পর্যন্ত পৌঁছে গেছে।



