নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে আধুনিক ধান চাষ এবং ব্লাস্ট রোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ নগরীর সাগরদীতে অবস্থিত ব্রির হলরুমে বিএএস-ইউএসডিএ ব্রি সিআর-২ এর উদ্যোগে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহম্মাদ আশিক ইকবাল খান।
ব্রির ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. হাসিনা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের আলুবীজ হিমাগারের উপপরিচালক কেএম আখতার হোসেন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক, মেহেন্দিগঞ্জের বেসরকারি সংস্থা আরোহীর নির্বাহী পরিচালক মো. খোরশেদ আলম, নলছিটির পরমপাশা জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. রফিকুল ইসলাম, বাকেরগঞ্জের কৃষক মো. কাঞ্চন আলী হাওলাদার প্রমুখ। দিনব্যাপি এই প্রশিক্ষণে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা, বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি, মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত ও কৃষক মিলে ৩০ জন অংশগ্রহণকারী উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ব্লাস্ট ফসলের ছত্রাকজনিত রোগ। ধানের তিন অবস্থায় এই রোগের আক্রমণ হয়। পাতায় হলে পাতাব্লাস্ট, গিঁটে হলে গিঁটব্লাস্ট আর শিষে হলে শিষব্লাস্ট বলে। মেঘলা আকাশ, গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি, দিন ও রাতে তাপমাত্রার বড় পার্থক্য কিংবা দীর্ঘক্ষণ কুয়াশা জমে থাকা এসব কারণে এই রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যায়। তবে প্রতিকারের জন্য রোগের প্রাথমিক অবস্থায় অনুমোদিত ছত্রাকনাশক ৭ দিন পরপর ২ বার ব্যবহার করতে হবে। বালাইনাশক প্রয়োগের ক্ষেত্রে বিকেল বেলাকে বেছে নিতে হবে। কেনোনা, সকাল ৯টা হতে বেলা ১১ টা পর্যন্ত ধানের ফুল ফোটার সময়। ওই সময় স্প্রে করলে পরাগায়নে বাঁধাপ্রাপ্ত হয়।





















