ইসলামিক ডেস্ক:মূল্যস্ফীতির কারণে বর্তমান সময়ে আমরা সবাই অর্থনৈতিক সঙ্কট ও নানা সমস্যায় ভুগছি। এমন বিপর্যস্ত পরিস্থিতিতে একে অপরের সাহায্য-সহযোগিতায় এগিয়ে আসা একান্ত কর্তব্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুনিয়ার এই সংক্ষিপ্ত জীবনে আমরা যদি সৃষ্টির সাহায্য-সহযোগিতায় এগিয়ে আসি, তবে পরকালের অনন্ত জীবনে মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তা নিশ্চয়ই আমাদের সাহায্য-সহযোগিতায় এগিয়ে আসবেন।

ইসলামিক ডেস্ক:ধন-সম্পদ অর্থবিত্ত সবকিছুই মহান আল্লাহ তায়ালার অপূর্ব নিয়ামত। রাব্বুল আলামিন মানুষকে অর্থ সম্পদ দিয়ে পরীক্ষা করেন। কেবলই  আমোদ-প্রমোদের নামে আমরা যেন আল্লাহর এই নিয়ামতকে যত্রতত্র উড়িয়ে না দেই। আমরা যেন তার দেওয়া ধন সম্পদকে সঠিক পথে ব্যয় করি অযথা অপচয় না করি। বর্তমানে সমগ্র বিশ্ব এক সংকটকালীন সময়ের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হচ্ছে। আমাদের সকলের উচিত হবে অযথা অপব্যয় না করা। মানুষ প্রবৃত্তির নেশায় পড়ে আল্লাহর দেওয়া অর্থ-সম্পদ গুনাহের কাজে ব্যয় করে।

ইসলামিক ডেস্ক:মানবজীবনে ক্ষমার গুরুত্ব অপরিসীম, ক্ষমা মানুষকে বানায় মহৎ এবং দয়ালু। আল্লাহ তায়ালা বিভিন্ন আয়াতে বিভিন্নভাবে তার ‘ক্ষমা’ গুণটির কথা বর্ণনা করেছেন। সূরা বাকারার ৭৩ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে- ‘নিশ্চয় আল্লাহ তায়ালা ক্ষমাশীল ও দয়ালু’।

মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন:চতুর্থ শিল্পবিপ্লব এটি মূলত ডিজিটাল বিপ্লব। এই ধারণাটি ১ এপ্রিল,২০১৩ সালে জার্মানিতে আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপিত। এর ফলে কল-কারখানাগুলোর ব্যাপক হারে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয়। যোগাযোগ ব্যবস্থায় আসে আমূল পরিবর্তন। আগের শিল্পবিপ্লবগুলোর ক্ষেত্রে দেখা যায়, মানুষ যন্ত্রকে পরিচালনা করছে; কিন্তু চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে যন্ত্রকে উন্নত করা হয়েছে,ফলে যন্ত্র নিজেই নিজেকে পরিচালনা করছে।

ইসলামিক ডেস্ক:ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা। মানবজীবনের এমন কোন দিক নেই যা নিয়ে ইসলাম আলোচনা করেনি। ইসলামের সেই আলোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে মানুষের সাথে ভালো কথা বলা এবং সুন্দর আচরণ করা অন্যতম একটি। ভালো কথা, ভালো ব্যবহার, সুন্দর আচরণ যাই বলি না কেন, এগুলো হচ্ছে একটি শিল্প। সুন্দর আচরণের মাধ্যমেই একজন ব্যক্তির সার্বিক পরিচয় ফুটে ওঠে, তার উন্নত ব্যক্তিত্বের প্রমাণ মেলে। সুন্দর আচরণের মাধ্যমেই একজন ব্যক্তি কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হন।

ইসলামিক ডেস্ক:প্রকৃতির বৈরিতা মানুষের অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতির অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।  হাওর অঞ্চলে প্রকৃতির বৈরিতার কারণে ব্যাপক শস্যহানি ঘটে।। আবার পার্বত্য অঞ্চলে পাহাড় ধসে মানুষ মারা যায়। স্বল্প পরিমাণে বৃষ্টি হলেই ঢাকা শহরে হাঁটু সমান পানি জমে যায়। আর চট্টগ্রাম নগরীতে বৃষ্টি মানেই নদীর সৃষ্টি হওয়া। কিন্তু প্রকৃতি যখন বৈরি হয়ে ওঠে তখন মানুষের কিছুই করার থাকে না। আসলে জলে স্থলে বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়ে, মানুষের কৃতকর্মের ফলেই।