
এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) ছয় দিনব্যাপী “বার্ষিক গবেষণা পর্যালোচনা কর্মশালা ২০২৪-২৫” উদ্বোধন হয়েছে আজ বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি ২০২৬)। সকালে গাজীপুরে ব্রি সদর দপ্তর মিলনায়তনে অনুষ্ঠিতব্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান।
ব্রির মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) এর চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) জনাব মো. ওসমান ভুইয়া, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) এর নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. আবদুছ ছালাম এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ জনাব মো. আব্দুর রহিম।
সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) বাংলাদেশ প্রতিনিধি জিয়াওকুন শি, সিআইএমএমওয়াইটি এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. ওয়েন ডানকান কালভার্ট এবং আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ইরি) এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. হোমনাথ ভান্ডারি।
কর্মশালায় গবেষণা অগ্রগতি এবং অর্জন ২০২৪-২৫ উপস্থাপন করেন ব্রির পরিচালক (গবেষণা) ড. মো. রফিকুল ইসলাম এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন পরিচালক (প্রশাসন ও সাধারণ পরিচর্যা) ড. মুন্নুজান খানম।
অনুষ্ঠানে কৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান বলেন, বাংলাদেশের সার্বিক উন্নতি কৃষি খাতের উন্নতির উপর নির্ভরশীল। তিনি অঞ্চল-ভিত্তিক জাত উদ্ভাবন ও কৃষি যান্ত্রিকীকরণের উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আরও বলেন, কৃষির উন্নয়নে নীতিনির্ধারক, বিজ্ঞানী, সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, কৃষক প্রতিনিধি এবং কৃষি সংশ্লিষ্ট সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে। তাহলে কৃষিকে আমরা অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারবো। তিনি কৃষি খাতের উন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে একসাথে কাজ করার আহবান জানান।
ব্রির মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান বলেন, ১৮ কোটি মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্রি নিরলসভাবে কাজ করছে। ব্রির গবেষণা কার্যক্রম বিশ্বের কাছে উদাহরণ। ব্রির মহাপরিচালক আরও বলেন, ভাতের মাধ্যমে পুষ্টি চাহিদা পূরণে ব্রি গবেষণা জোরদার করেছে।
কর্মশালায় ব্রি, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, বিএআরসি, ডিএই, ইরিসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিবৃন্দ যোগ দেন।
ব্রি এ পর্যন্ত আটটি হাইব্রিডসহ মোট ১২১টি উফশী ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে যার মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রতিকূল পরিবেশ সহনশীল এবং উন্নত পুষ্টিগুণ সম্পন্ন।
























