সমীরণ বিশ্বাস:সবুজে ঘেরা মাঠ, বাতাসে দুলতে থাকা ফসল আর কৃষকের মুখের প্রশান্ত হাসি, এই চিরচেনা দৃশ্যই বাংলাদেশের কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তার প্রতীক। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে কৃষক তার ঘাম ও শ্রম দিয়ে এই ভূমিকে উর্বর করে তুলেছে, দেশের মানুষের খাদ্য জুগিয়েছে নিরবচ্ছিন্নভাবে। কিন্তু এই দৃশ্যমান সৌন্দর্যের আড়ালে আজ ক্রমেই ঘনিয়ে উঠছে এক নীরব অথচ ভয়াবহ সংকট। যে মাটিকে কৃষক বিশ্বাস করে বীজ বোনে, সেই মাটিই এখন ধীরে ধীরে রূপ নিচ্ছে অদৃশ্য বিষের আধারে। বাংলাদেশের কৃষিজমিতে সীসা দূষণ আজ আর বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়; এটি একটি ক্রমবর্ধমান পরিবেশগত ও জনস্বাস্থ্য সংকট। ব্যাটারি রিসাইক্লিং শিল্প, শিল্পবর্জ্য, অনিয়ন্ত্রিত ইটভাটা, দূষিত সেচের পানি, রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের অব্যবস্থাপনা, সব মিলিয়ে সীসা ধীরে ধীরে মাটিতে জমা হচ্ছে। এই ভারী ধাতু মাটির উর্বরতা নষ্ট করার পাশাপাশি শস্যের মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করছে, যার প্রভাব দীর্ঘমেয়াদে ভয়াবহ।

Dr. Gul Mohammad Rahat Ullah, Dr. Partha Das & Dr. Venkat Shelke,Kemin Industries South Asia Pvt. Ltd
INTRODUCTION
Phytic acid (phytate) is a mixture of calcium–magnesium salts of myo-inositol hexaphosphate and is considered an anti-nutritional factor in poultry because it binds with phosphorus and other important nutrients and thereby decreases their bioavailability. About 2/3rd of the total phosphorus present in plant feed ingredients is in phytate form. Typically, poultry diets contain from 2.5 to 4.0 g/kg of phytate phosphorus, depending on the inclusion level and type of plant-based ingredients used. Poultry has limited capability to utilize Phytate phosphorus & it ranges from 0-50%. Dietary Phytate is an anti-nutritive factor that hinders energy utilization & Protein digestibility & may negatively impact the quality of chicken meat production. However, the ill effects of dietary Phytate are counteracted by exogenous Phytase enzyme. Phytase (EC 3.1.3.8, myoinositol hexaphosphate phosphohydrolase) is an enzyme that catalyses the stepwise removal of inorganic orthophosphate from phytic acid.

ড. মো. তাজুল ইসলাম চৌধুরী তুহিনঃ খাদ্য মানুষের মৌলিক অধিকার। কিন্তু সেই খাদ্য যদি নিরাপদ না হয়, তবে তা মানবজীবনের জন্য আশীর্বাদ না হয়ে অভিশাপ হয়ে দাঁড়ায়। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা কেবল ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয় নয়; এটি জনস্বাস্থ্য, অর্থনীতি এবং জাতীয় উন্নয়নের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এ প্রেক্ষাপটে "নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করি, সুস্থ সবল জীবন গড়ি” এই আহবানে আজ ০২ ফেব্রুয়ারী দেশব্যাপী পালিত হচ্ছে জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস-২০২৬।

কৃষিবিদ গোলাম সারোয়ারঃ মাছচাষে সমস্যা দেখা দিলেই আমরা সাধারণত রোগজীবাণু, ওষুধ কিংবা ফিডের দিকে আঙুল তুলতে অভ্যস্ত। অথচ এমন একটি অঙ্গ আছে, যা নিরবে কাজ করেও একটি চাষ ব্যবস্থার সফলতা বা ব্যর্থতা নির্ধারণ করে দেয় আর সেটি হলো মাছের লিভার (যকৃত)। মাছের স্বাস্থ্য হঠাৎ করে ভেঙে পড়ে না। ধীরে, নীরবে ভাঙে। আর সেই ভাঙনের শুরুটা হয় শরীরের বিপাকীয় অঙ্গগুলো থেকে বিশেষ করে লিভার থেকে। বিশ্বখ্যাত Fish Pathology গ্রন্থে রবার্টস এই বাস্তবতাকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন।

সমীরণ বিশ্বাস:পাখি ও মানুষের মৈত্রী: হারিয়ে যেতে বসা এক সহাবস্থানের গল্প। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় পাখির ভূমিকা অনস্বীকার্য। মানুষের সঙ্গে পাখির সম্পর্ক শুধু সৌন্দর্য বা গানেই সীমাবদ্ধ নয়, এ সম্পর্ক হাজার বছরের সহাবস্থানের, নির্ভরতার এবং মানবিকতার। কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, আজ সেই সম্পর্ক ভেঙে পড়ার মুখে। নানাবিধ প্রতিকূলতা, মানুষের অবিবেচক আচরণ এবং পরিবেশ ধ্বংসের কারণে পাখির জীবন আজ গভীর সংকটে। উল্লেখযোগ্য হারে কমছে পাখির সংখ্যা। বক, পানকৌড়ীসহ বহু জলচর ও স্থলচর পাখি ইতিমধ্যেই বিপন্ন বন্যপ্রাণীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এই সংকটময় সময়ে প্রশ্ন উঠে, পাখি রক্ষায় আমাদের দায়িত্ব কী? উত্তর একটাই, মানবতা। মানবতাই পারে মানুষ ও পাখির হারিয়ে যেতে বসা মৈত্রীকে আবার জাগিয়ে তুলতে।

এগ্রিলাইফ প্রতিবেদক: ফিশ ফিড উৎপাদনে তাপ স্থিতিশীলতা এবং প্রক্রিয়াকরণের সময়কাল যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তা জোর দিয়ে উল্লেখ করেছেন পুষ্টিবিদ সাইফি নাসির। তাঁর মতে, আধুনিক ফিশ ফিড তৈরিতে কেবল ভালো কাঁচামাল বা উন্নত মেশিন থাকলেই যথেষ্ট নয়; সঠিক তাপ ও সময় নিয়ন্ত্রণ না হলে ফিডের গুণগতমান নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না। এই বিষয়টি পুষ্টিবিদ ও ফিড ইঞ্জিনিয়ার উভয়ের জন্যই গভীরভাবে অনুধাবন করা জরুরি।