Agrilife24.com desk:Bangladesh’s agro-processing sector is stepping into a new era of global integration-and the Agro-Processing Global Gateway 2026 (APGG 2026) is at the forefront of this transformation.

ড. মো. শরীফুল ইসলাম, সার্ক কৃষি কেন্দ্র: বাংলার নদী বয়ে চলে—ঢেউয়ের ভাঁজে ভাঁজে গল্প, ইতিহাস আর জীবনের সুর। সেই সুরের গভীরে লুকিয়ে থাকে এক অমূল্য সম্পদ ইলিশ। পান্তা-ইলিশ হোক কিংবা উৎসবের আয়োজন, ইলিশ যেন বাঙালির অস্তিত্বেরই অংশ। কিন্তু এই গর্বের প্রতীক আজ নানা চ্যালেঞ্জের মুখে। তাই সময় এসেছে নতুন করে জেগে ওঠার, দায়িত্ব নেওয়ার জাটকা বাঁচানোর, ইলিশ বাড়ানোর। এবারের জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে জাটকা ধরা থামাই যদি, ইলিশে ভরবে সাগর-নদী। ৭ এপ্রিল থেকে আগামী ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে “জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০২৬” পালন করা হচ্ছে। “জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০২৬” তাই কেবল একটি কর্মসূচি নয়; এটি একযোগে সচেতনতা, আবেগ এবং জাতীয় অঙ্গীকারের নাম।

সমীরণ বিশ্বাস:ধান চাষে উচ্চ তাপমাত্রার ঝুঁকি ও করণীয়: কৃষকের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা। বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ, যেখানে খাদ্য নিরাপত্তার মূল ভিত্তি হলো ধান। দেশের অধিকাংশ কৃষক তাদের জীবিকা নির্বাহের জন্য ধান চাষের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা ধান উৎপাদনে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে বোরো মৌসুমে উচ্চ তাপমাত্রা ধানের বৃদ্ধি, ফুল ফোটা, পরাগায়ন এবং দানা গঠনের মতো গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়গুলোকে ব্যাহত করছে। ফলে ধান চিটা হওয়া, ঝলসে যাওয়া এবং উৎপাদন কমে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে।

সমীরণ বিশ্বাস:বালাই দমনে ‘ককটেল স্প্রে’: কৃষির জন্য নীরব মরণফাঁদ। বাংলাদেশের কৃষি আজ নানা সম্ভাবনার পাশাপাশি বহুমুখী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। আধুনিক প্রযুক্তি, উন্নত বীজ ও বৈজ্ঞানিক চাষাবাদের প্রসার যেমন কৃষিকে এগিয়ে নিচ্ছে, তেমনি অপরিকল্পিত ও অজ্ঞতাপ্রসূত কিছু চর্চা কৃষির জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম একটি হলো, বালাই দমনে ‘ককটেল স্প্রে’ ব্যবহার। কৃষকরা নিজেরা বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক, ছত্রাকনাশক, মাকড়নাশক, হরমোন ও মাইক্রো-নিউট্রিয়েন্ট একসাথে মিশিয়ে নতুন ধরনের স্প্রে তৈরি করছেন, যাকে তারা ‘ককটেল’ নামে অভিহিত করছেন। এই প্রবণতা দিন দিন বাড়ছে, যা কৃষির জন্য এক নীরব মরণব্যাধিতে পরিণত হচ্ছে।

সমীরণ বিশ্বাস:৪র্থ শিল্প বিপ্লবের প্রেক্ষাপটে (4IR) কৃষিতে AI, IoT, ড্রোন ও বিগডাটা প্রযুক্তিতে যুবশক্তি ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ ও করণীয়: চতুর্থ শিল্প বিপ্লব (4IR) বিশ্বব্যাপী উৎপাদন, অর্থনীতি ও শ্রমবাজারের কাঠামোকে দ্রুত বদলে দিচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ইন্টারনেট অব থিংস (IoT), সয়েল সেন্সর, ড্রোন প্রযুক্তি এবং বিগডাটা বিশ্লেষণ, এই চারটি প্রযুক্তি কৃষিকে নতুনভাবে রূপান্তরের কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। উন্নত দেশগুলো ইতোমধ্যে “স্মার্ট এগ্রিকালচার” বা “প্রিসিশন ফার্মিং”-এর মাধ্যমে কৃষিতে বিপ্লব ঘটিয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে এখনো এই প্রযুক্তিগুলোর কার্যকর সমন্বয় ও প্রয়োগ সীমিত। ফলে কৃষি খাতে আগ্রহী যুবশক্তিকে ধরে রাখা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রযুক্তি-নির্ভর কৃষির বিস্তার শুধু উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য নয়, বরং একটি টেকসই ও আকর্ষণীয় কৃষি ইকোসিস্টেম তৈরির জন্য অপরিহার্য।

ডক্টর এএইচএম সাদেকঃ খাল থেকে অর্থনীতি শহীদ জিয়াউর রহমানের স্বপ্নে বাংলাদেশের Blue-Green বিপ্লব ও টেকসই উন্নয়নের এক নতুন দিগন্ত। বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান-এর “খাল খনন কর্মসূচি” (Canal Excavation Programme) ছিল দেশের গ্রামীণ অর্থনীতি ও কৃষি উন্নয়নের জন্য একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ। ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশের গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লবের উদ্দেশ্যে স্বেচ্ছাশ্রমে খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন। তারই উত্তরেধিকারী প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে ও নির্দেশনায় শহীদ জিয়ার সেই অসমাপ্ত খাল খনন কর্মসূচি পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেন।