সমীরণ বিশ্বাস:পাখি ও মানুষের মৈত্রী: হারিয়ে যেতে বসা এক সহাবস্থানের গল্প। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষায় পাখির ভূমিকা অনস্বীকার্য। মানুষের সঙ্গে পাখির সম্পর্ক শুধু সৌন্দর্য বা গানেই সীমাবদ্ধ নয়, এ সম্পর্ক হাজার বছরের সহাবস্থানের, নির্ভরতার এবং মানবিকতার। কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, আজ সেই সম্পর্ক ভেঙে পড়ার মুখে। নানাবিধ প্রতিকূলতা, মানুষের অবিবেচক আচরণ এবং পরিবেশ ধ্বংসের কারণে পাখির জীবন আজ গভীর সংকটে। উল্লেখযোগ্য হারে কমছে পাখির সংখ্যা। বক, পানকৌড়ীসহ বহু জলচর ও স্থলচর পাখি ইতিমধ্যেই বিপন্ন বন্যপ্রাণীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এই সংকটময় সময়ে প্রশ্ন উঠে, পাখি রক্ষায় আমাদের দায়িত্ব কী? উত্তর একটাই, মানবতা। মানবতাই পারে মানুষ ও পাখির হারিয়ে যেতে বসা মৈত্রীকে আবার জাগিয়ে তুলতে।

এগ্রিলাইফ প্রতিবেদক: ফিশ ফিড উৎপাদনে তাপ স্থিতিশীলতা এবং প্রক্রিয়াকরণের সময়কাল যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তা জোর দিয়ে উল্লেখ করেছেন পুষ্টিবিদ সাইফি নাসির। তাঁর মতে, আধুনিক ফিশ ফিড তৈরিতে কেবল ভালো কাঁচামাল বা উন্নত মেশিন থাকলেই যথেষ্ট নয়; সঠিক তাপ ও সময় নিয়ন্ত্রণ না হলে ফিডের গুণগতমান নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না। এই বিষয়টি পুষ্টিবিদ ও ফিড ইঞ্জিনিয়ার উভয়ের জন্যই গভীরভাবে অনুধাবন করা জরুরি।

কৃষিবিদ ডাঃ শাহাদাত হোসেন পারভেজ, নির্বাহী সদস্য, আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদঃ ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ ছিল মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র, বিএনপি চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের ছোট ভাই, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক আরাফাত রহমান কোকো’র ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী।

প্রফেসর ড. মোঃ আলিমুল ইসলামঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক আকাশে কিছু নক্ষত্র এমন জ্বলজ্বল করে যে, শতাব্দী পেরুলেও তাদের আলো ম্লান হয় না। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) তাঁদের মধ্যে থাকা এক উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক। যেন এক বজ্রনিনাদে জেগে উঠেছিলেন তিনি ১৯৭১-এর রণাঙ্গনে, আবার যেন শান্ত নদীর স্রোতের মতো প্রবাহিত হয়েছে তাঁর রাষ্ট্রচিন্তা ও উন্নয়নের দর্শন। মুক্তিযুদ্ধের অগ্নিস্ফুলিঙ্গ থেকে শুরু করে যুদ্ধবিধ্বস্ত সদ্য স্বাধীন নতুন দেশের পুনর্গঠনে তাঁর জীবন যেন এক মহাকাব্য, যেখানে সাহস, দূরদর্শিতা এবং আত্মমর্যাদার সুর মিলেমিশে একাকার হয়ে আছে।

এন্টিবায়োটিকমুক্ত, কস্টিং সেভ ও নিরাপদ মৎস্যফিড: মিরিস্টিক এসিডে পুষ্টি, স্বাস্থ্য ও লাভজনকতার নতুন দিগন্ত
এগ্রিলাইফ প্রতিবেদক: নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং টেকসই মৎস্যচাষএই তিনটি লক্ষ্য একসাথে অর্জনের জন্য বর্তমানে বিশ্বজুড়ে এন্টিবায়োটিকমুক্ত ফিশ ফিডের গুরুত্ব দ্রুত বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে পুষ্টিবিদ সাইফি নাসিরের গবেষণাভিত্তিক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে মিরিস্টিক এসিড (Myristic Acid, C14:0)-এর অসাধারণ সম্ভাবনা, যা একদিকে মাছের স্বাস্থ্য ও বৃদ্ধি নিশ্চিত করে, অন্যদিকে উদ্যোক্তাদের জন্য কস্টিং সেভিং ও লাভজনক উৎপাদনের পথ খুলে দেয়।

এগ্রিলাইফ প্রতিনিধি: ফিশ ফিডের নিরাপত্তা, গুণমান এবং দীর্ঘস্থায়ী শেলফ-লাইফ নিশ্চিত করতে ওয়াটার অ্যাক্টিভিটি (aW) একটি মৌলিক ও গবেষণাভিত্তিক সূচক বলে জানিয়েছেন পুষ্টিবিদ সাইফি নাসির। তিনি বলেন, ওয়াটার অ্যাক্টিভিটি (aW) হলো ফিশ ফিডে এমন পানির পরিমাণের পরিমাপ, যা প্যাথোজেনিক ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য অণুজীবের বৃদ্ধির জন্য উপলব্ধ থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, ফিশ ফিডে aW যদি ০.৬০ বা তার নিচে রাখা যায়, তাহলে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ও টক্সিন উৎপাদন কার্যকরভাবে বাধাগ্রস্ত হয়।