বাকৃবি প্রতিনিধি:দীর্ঘ গবেষণার পর দেশে আমন ধানের নতুন দুটি জাত উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা)। উচ্চফলন, ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও উন্নত পুষ্টিগুণের সমন্বয়ে উদ্ভাবিত হয়েছে ‘বিনা ধান২৭’ ও ‘বিনা ধান২৮’ নামের এই দুটি জাত। সম্প্রতি কৃষি মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় বীজ বোর্ডের ১১৫তম সভায় জাত দুটি সারাদেশে চাষাবাদের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন পেয়েছে। এর মাধ্যমে বিনার উদ্ভাবিত ধানের মোট জাতের সংখ্যা দাঁড়াল ২৮-এ। বিনার উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের গবেষকদল এই দু’টি ধানের জাত উদ্ভাবন করেন।

বাকৃবি প্রতিনিধি:বিশ্বজুড়ে জনস্বাস্থ্যের জন্য অন্যতম বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) বা জীবাণুর ওষুধ প্রতিরোধ ক্ষমতা। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব, যা পশুপালন ও খাদ্য নিরাপত্তাকে ঠেলে দিচ্ছে চরম ঝুঁকির মুখে। এই জটিল ও আন্তঃসম্পর্কিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ‘ক্লাইমেট-স্মার্ট’ বা জলবায়ু-সহিষ্ণু কৌশল উদ্ভাবনে নতুন একটি গবেষণা প্রকল্প শুরু করেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি)।

সিকৃবি প্রতিনিধি: সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেমের (সাউরেস) তত্ত্বাবধানে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের অর্থায়নে দুই দিন ব্যাপী ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের গবেষনা প্রকল্প বিশেষজ্ঞ মুল্যায়নকারী দ্বারা মূল্যায়ন করে আজ ৪ মার্চ (বুধবার) ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ আলিমুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে প্রফেসর ড. ইকবাল হোসেন কনফারেন্স রুমে ২২তম রিসার্চ এডভাইজারি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সমীরণ বিশ্বাস: বাংলাদেশে আম শুধু একটি ফল নয়, এটি অর্থনীতি, কৃষি এবং সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। চলতি মৌসুমে অনেক জেলায় রেকর্ড পরিমাণ মুকুল এসেছে, যা একটি সম্ভাবনাময় উৎপাদন বছরের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে সাতক্ষীরা, নওগাঁ, রাজশাহী এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলে গাছভর্তি মুকুল কৃষকদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি করেছে। অনুকূল আবহাওয়া, উন্নত চারা, সুষম সার ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক বাগান পরিচর্যার ফলে ফলন বৃদ্ধির সম্ভাবনা জোরদার হয়েছে। তবে রেকর্ড মুকুল মানেই রেকর্ড রপ্তানি নয়। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা, মান নিয়ন্ত্রণ, এমআরএল (Maximum Residue Limit) মানদণ্ড পূরণ, হট ওয়াটার ট্রিটমেন্ট সুবিধার ঘাটতি এবং শীতল সরবরাহ চেইনের সীমাবদ্ধতা বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে প্রবেশের জন্য মানসম্মত প্যাকেজিং, ট্রেসেবিলিটি এবং দ্রুত পরিবহন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কৃষিবিদ অঞ্জন মজুমদারঃবাংলাদেশ দ্রুত উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। সড়ক, সেতু, আবাসন, শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র কিংবা কৃষিভিত্তিক বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স নানা প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে অর্থনীতি সম্প্রসারিত হচ্ছে কিন্তু একটি মৌলিক প্রশ্ন এখন সময়ের দাবি: উন্নয়নের এই গতি কি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করছে?

মিজানুর রহমান, বগুড়া:দূর থেকে দেখলে মনে হবে তপ্ত বালিয়াড়ি পেরিয়ে এক দুরন্ত যুবক এগিয়ে চলেছেন মাইলের পর মাইল। সামনে থেকে পথ দেখাচ্ছেন, সঙ্গে নিচ্ছেন নতুন প্রজন্মকে। অথচ তিনি সরকারি চাকরি থেকে অবসর নিয়েছেন ২০১৮ সালে। কিন্তু কাজ থেকে অবসর নেননি এক দিনের জন্যও। কর্মই তার তারুণ্যের উৎস, আর মানুষের জন্য কাজ করাই তার জীবনের প্রধান অনুপ্রেরণা।