"নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বা'দ" প্রিয় পাঠকবৃন্দ, আজ আমি হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী, আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই হজের গুরুত্ব ও ফজিলত নিয়ে সেই সম্পর্কে নিম্নে সংকিপ্ত আকারে আলোচনা তুলে ধরছি, "ওয়ামা তাওফিকি ইল্লা বিল্লাহ"

হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকীঃ জিলকদ হলো আরবি চান্দ্রবছরের একাদশ মাস। এটি হজের তিন মাসের (শাওয়াল, জিলকদ, জিলহজ) দ্বিতীয় মাস এবং জিলহজের (হজের মাস) জোড়া মাস। হারাম বা নিষিদ্ধ চার মাসের তৃতীয় মাস হলো এই মাস। হারাম চার মাস হলো মহররম (১ম মাস), রজব (৭ম মাস), জিলকদ (১১তম মাস) ও জিলহজ (১২তম মাস)। হারাম চার মাসের মধ্যে যে তিনটি মাস একসঙ্গে, তার সূচনা মাস হলো জিলকদ মাস। ঈদুল ফিতর (শাওয়াল মাস) ও ঈদুল আজহার (জিলহজ মাস) মাঝামাঝিতে জিলকদ মাসের অবস্থান হওয়ায় এই মাসটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

এগ্রিলাইফ২৪ ডটকম: জেড. এইচ সিকদার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ZHSUST Business Club “প্রোডাক্টিভ রমাদান-ইসলামের মৌলিক পাঠ” শীর্ষক প্রতিযোগিতার স্থগিত হওয়া লিখিত পরীক্ষা গত ৬ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগের শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। প্রথম স্থান অধিকার করেন আবু হুরায়রা (আইন), দ্বিতীয় আলি হাসান (কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং), তৃতীয় ইমতিয়াজ আজাদ মোহিনা (ইংরেজি)।

ইসলামিক ডেস্ক: পবিত্র কুরআনের সুরা আল-আনআম (৬) এর ৩৮ নং আয়াতে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন যে, পৃথিবীতে বিচরণকারী সকল প্রাণী এবং দুই ডানায় উড়ন্ত সকল পাখি মানুষের মতোই স্বতন্ত্র জাতি বা সম্প্রদায়। আয়াতে আরও বলা হয়েছে, কিতাবে (লাওহে মাহফুজে) আল্লাহ কোনো কিছুই বাদ দেননি বা ত্রুটি রাখেননি। অতঃপর সকল সৃষ্টিকে তাদের রবের কাছে একত্রিত করা হবে।

ইসলামিক ডেস্ক: পবিত্র কোরআনের সূরা আদ-দুহার ৮ থেকে ১১ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা মানবজাতিকে এক অনন্য দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন যে, মানুষকে প্রথমে পাওয়া হয়েছে নিঃস্ব অবস্থায়, অতঃপর তাকে সমৃদ্ধ করা হয়েছে। এই সমৃদ্ধির পর কর্তব্য হচ্ছে ইয়াতিমের প্রতি কঠোর না হওয়া, সাহায্যপ্রার্থীকে তিরস্কার না করা এবং রবের দেয়া নেয়ামত কাজ, কথা ও আচরণের মাধ্যমে বর্ণনা করা।

ইসলামিক নিউজ ডেস্ক:মানুষের স্বভাবগত দুর্বলতা হলো সে সহজেই তার রবের নেয়ামতসমূহ ভুলে যায়। পবিত্র কুরআনের সূরা আল-আদিয়াতের ৬ষ্ঠ থেকে ১১তম আয়াতে আল্লাহ তাআলা মানবজাতির এই গভীর ত্রুটির দিকে ইশারা করেছেন। আয়াতগুলোর অর্থ ও ব্যাখ্যা নিম্নে উপস্থাপন করা হলো—

ইসলামিক ডেস্ক:পবিত্র কুরআনের সূরা কাসাস (৮৪) আয়াতে আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেন, “যে ব্যক্তি সৎকর্ম নিয়ে উপস্থিত হবে, সে তার কর্মের চেয়েও উত্তম পুরস্কার লাভ করবে; আর যে মন্দ কাজ নিয়ে উপস্থিত হবে, তাকে তার কাজ অনুযায়ী শাস্তি দেওয়া হবে।” এই আয়াত মানবজাতির জন্য এক শক্তিশালী অনুপ্রেরণা ও সতর্কবার্তা বহন করে।