
সিকৃবি প্রতিনিধি: ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকাশ্যে শিক্ষক হেনস্তার ঘটনার প্রতিবাদ এবং বিচারিক প্রক্রিয়ায় ফ্যাসিস্ট আমলের দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকাল ১১টায় জাতীয়তাবাদী শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ছাত্রছাত্রীদের ব্যানারে সিকৃবি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন শেষে প্রফেসর ড. মো: এমদাদুল হকের সভাপতিত্বে এবং প্রফেসর ড. শাহানা বেগমের উপস্থাপনায় একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে জাতীয়তাবাদী শিক্ষকদের সংগঠন সাদাদলের সভাপতি প্রফেসর ড. কাজী মেহেতাজুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মব সৃষ্টির মাধ্যমে শিক্ষকদের যারা হেনস্তা করেছে তাদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে প্রকৃত ফ্যাসিস্ট আমলের দোষীদের প্রচলিত দেশের আইন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী বিচারের দাবি জানান তিনি।
মানববন্ধনের আহ্বায়ক প্রফেসর ডা. মো: এমদাদুল হক বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হবে জেনেও দেশকে মেধাশূন্য করার উদ্দেশ্যে ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবীদের যেভাবে হত্যা করা হয়েছিল, ঠিক তেমনিভাবে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে মব সৃষ্টির মাধ্যমে শিক্ষকদের লাঞ্ছিত করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এ ধরনের মব সন্ত্রাস কোনোভাবেই কাম্য নয়। তিনি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনের সময় যারা দলীয় ছাত্রদের লেলিয়ে দিয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর অন্যায়ভাবে নির্যাতন চালিয়েছিল, তাদেরও দেশের প্রচলিত আইন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম-কানুনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। সংক্ষিপ্ত সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও ছাত্র প্রতিনিধিরা।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী শিক্ষক সাদা দলের সদস্য প্রফেসর ডা. মো: ছিদ্দিকুল ইসলাম, সাদা দলের সহ-সভাপতি প্রফেসর ড. মোজাম্মেল হক, জাতীয়তাবাদী কর্মচারী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ। এছাড়াও বক্তব্য দেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সানাউল হোসেন সনি, যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম রাব্বানী ও জাহিদ হোসেন ফাহাদ।
বক্তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে অশান্ত করার যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করা হবে এবং শিক্ষকদের মর্যাদা রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার থাকতে হবে। তারা অবিলম্বে শিক্ষক হেনস্তার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।
























