জ্ঞান অর্জনেই মর্যাদা বৃদ্ধি: কুরআনের আলোকে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি

ইসলামিক জ্ঞান
Typography
  • Smaller Small Medium Big Bigger
  • Default Helvetica Segoe Georgia Times

ইসলামিক ডেস্ক:ইসলামে জ্ঞান অর্জনকে মানুষের মর্যাদা ও উন্নতির অন্যতম প্রধান মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা জ্ঞানী ও অজ্ঞ ব্যক্তির পার্থক্য স্পষ্টভাবে তুলে ধরে বলেন,

“যারা জানে আর যারা জানে না—তারা কি সমান হতে পারে?”
— সূরা যুমার, আয়াত ৯

এই আয়াতের মাধ্যমে ইসলাম মানবজাতিকে জ্ঞান অন্বেষণে উৎসাহিত করেছে এবং জ্ঞানীদের উচ্চ মর্যাদার কথা ঘোষণা করেছে। ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, জ্ঞান মানুষের অন্তরকে আলোকিত করে, সত্য-মিথ্যার পার্থক্য বুঝতে সাহায্য করে এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের পথ সুগম করে।

প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা:) জ্ঞান অর্জনকে প্রত্যেক মুসলিমের জন্য অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, “জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলিমের উপর ফরজ।” এ কারণে ইসলামের ইতিহাসে আলেম, গবেষক ও শিক্ষকদের বিশেষ সম্মান দেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান সময়ে দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, চিকিৎসা ও নৈতিক শিক্ষায় সমৃদ্ধ হওয়াও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, প্রকৃত জ্ঞান মানুষকে শুধু পার্থিব উন্নতির দিকেই নয়, নৈতিকতা ও মানবকল্যাণের পথেও পরিচালিত করে।

ধর্মীয় বিশ্লেষকদের ভাষ্য, সমাজে শান্তি, ন্যায়বিচার ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় জ্ঞানচর্চার বিকল্প নেই। তাই পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের সকল স্তরে ইসলামিক জ্ঞানচর্চা বৃদ্ধি করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

ইসলামি শিক্ষাবিদরা বলেন, কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে ব্যক্তি ও সমাজ উভয়ই আলোকিত হতে পারে। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে নৈতিক ও আদর্শবান হিসেবে গড়ে তুলতে জ্ঞানচর্চাকে আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।